সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি শিমুল সাহার
নিজস্ব প্রতিবেদক
হিন্দুস নিউজ
প্রকাশিত:
০৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫১
218 জন পড়েছেন
নিজের এক ফেসবুক পোস্টে বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিমুল সাহা বলেছেন, “ভোট দিয়েছে সংখ্যালঘুরা, এখন প্রয়োজন তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।”
তিনি লিখেছেন, বর্তমান বাংলাদেশকে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা সরকারের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে বিভ্রান্তি, ভীতি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগজনক।
তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে তিনি দেশের ৪৭টি জেলা সফর করেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল—ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী যেন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং এমন জনপ্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে পারে, যিনি নিজ নিজ এলাকায় সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
তিনি আরও বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের নাগরিক দায়িত্ব পালন করে ভোট দিলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু সংখ্যালঘুদের মধ্যেই নয়, বরং সমগ্র জাতির মধ্যেই অস্বস্তি ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এমন বিশ্বাস থেকেই ধর্মীয় উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের শক্তি তার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে নিহিত। এই মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উগ্রবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা জরুরি।
শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং দেশের প্রতিটি নাগরিক ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবে।