Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
বাংলাদেশে মব কালচারের কারণে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে রামমূর্তি নির্মাণ স্থগিত ও দেশের ভঙ্গুর বিচারব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে সনাতনীদের সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসাথে, উগ্র ধর্মীয় অনুভূতির আড়ালে সুশাসন, অদুর্নীতি এবং নারী-শিশুদের সুরক্ষায় রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৪১(১) অনুচ্ছেদ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় যেকোনো ধর্ম পালন, প্রচার এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার পূর্ণ অধিকার দিয়েছে। এই সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও যখন রাষ্ট্রের বুকে কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ের অভ্যন্তরে চলমান কাজ উগ্রবাদী বা কাঠমোল্লাদের অযাচিত দাবির মুখে স্থগিত হয়ে যায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই আইনের শাসন ও অসাম্প্রদায়িকতার সমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রামমূর্তি নির্মাণের মহতী উদ্যোগটি আইনি ও রাষ্ট্রীয় সকল নিয়ম মেনেই এতদূর এগিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এক অদৃশ্য মবের তুষ্টির জন্য এই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলো। রাষ্ট্র ও প্রশাসন যেখানে আইন সমুন্নত রাখার কথা, সেখানে বিচার এবং সিদ্ধান্ত যদি রাজপথের মবের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে চলতে শুরু করে, তবে সাধারণ নাগরিকের আইনের ওপর ভরসা রাখার আর কোনো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না।