Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এক যুগ ধরে সেচ ক্যানেলের পাড়ে জরাজীর্ণ ও অরক্ষিত ঘরে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় সনাতন বৃদ্ধ দুর্গাচরণ রায়। বার্ধক্যের কারণে কর্মক্ষমতাহীন এবং সন্তান কর্তৃক পরিত্যক্ত এই বৃদ্ধ ঝড়-বৃষ্টির রাতে পলিথিন মাথায় দিয়ে বাঁচলেও এখনো পাননি কোনো সরকারি বয়স্ক ভাতা বা অনুদান।
মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকারের সমবণ্টন যখন সর্বত্র আলোচিত, ঠিক তখনই দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষেরা মৌলিক অধিকার থেকে কতটা বঞ্চিত, তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের দুর্গাচরণ রায়। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া ৬০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধের জীবন কাটছে চরম অমানবিক পরিস্থিতিতে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা দুর্গাচরণ রায় দীর্ঘ ১২ বছর ধরে গ্রামের পাশের আবদারিয়া পাড়া এলাকায় সেচ ক্যানেলের ধারে অনাহারে-অর্ধাহারে একটি জরাজীর্ণ ঘরে দিনাতিপাত করছেন। নিজের কোনো জমিজমা না থাকায় এক যুগ আগে স্ত্রীসহ এই ক্যানেলের পাড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। অভাবের সংসারে দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে জীবন চালালেও ১০ বছর আগে স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন। বর্তমানে রোগ-শোক ও বার্ধক্যের কারণে নিয়মিত কাজ করার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন এই সনাতন বৃদ্ধ। একমাত্র ছেলে সন্তান থাকলেও বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর ধরে বাবার কোনো খোঁজ নেননি তিনি।