Screenshots are strictly prohibited on this page.
This action has been logged with your IP address.
বাংলাদেশে সামাজিক ও পারিবারিক উৎসবগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং সর্বস্তরের মানুষের অর্থনৈতিক সমতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি ঐতিহাসিক আইনি বিধান সুদীর্ঘকাল পর আবারও রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক আলোচনায় ফিরে এসেছে। ১৯৮৪ সালে জারি হওয়া ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’ নামের এই বিশেষ আইনটি দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং উৎসবের নামে বৈষম্যমূলক লৌকিকতা ও খাদ্যসামগ্রীর অপচয় বন্ধে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। তৎকালীন সময়ে দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় রুখতে ব্রিটিশ আমলের ধারাবাহিকতায় ও ১৯৫৬ সালের ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে খাদ্য মন্ত্রণালয় এই আদেশটি জারি করেছিল। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ দেশের সকল নাগরিকের পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে যেন কোনো ধরনের কৃত্রিম প্রতিযোগিতা বা অতিরিক্ত অপচয়ের কারণে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো মানসিক বা অর্থনৈতিক নিপীড়নের শিকার না হয়, তার একটি প্রচ্ছন্ন সুরক্ষা বর্ম ছিল এই আইনটি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এই আইনটির প্রয়োজনীয়তা ও পুনঃকার্যকরের দাবি তুলে ধরেছেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, যা বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও মানবিক একটি উদ্যোগ বলে মনে করছেন দেশের মানবাধিকার কর্মীরা।