রংপুরের চার হত্যাকান্ড‘ : হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন ছয়জন, একজন, গণপতি পরিবারের পরিচিত’
হত্যার রাতে পরিবারের পরিচিত একজন ব্যক্তি তাঁদের সঙ্গে খাবারে অংশ নেন এবং পরে তাঁর সহযোগিতায় অন্যরা অজ্ঞাতসারে বাড়িতে প্রবেশ করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
হিন্দুস নিউজ
প্রকাশিত:
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার খবরে স্বজনদের আহাজারি। ছবিঃ সংগৃহীত
6,209 জন পড়েছেন
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডে অন্তত ছয়জনের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হত্যার রাতে পরিবারের পরিচিত একজন ব্যক্তি তাঁদের সঙ্গে খাবারে অংশ নেন এবং পরে তাঁর সহযোগিতায় অন্যরা অজ্ঞাতসারে বাড়িতে প্রবেশ করে। রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয় বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও জড়িতদের শনাক্ত করতে এখন ওই পরিচিত ব্যক্তির ভূমিকা এবং তাঁর সঙ্গে অন্য সন্দেহভাজনদের যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে পুলিশের এই বয়ান ইচ্ছাকৃতভাবে সাজানো হয়েছিল বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি তদন্তকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, এমন অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। এসব অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্য তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা প্রয়োজন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি গোয়েন্দা সংস্থার পর্যবেক্ষণেও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত উদ্দেশ্য আড়াল করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত সরকারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
ছয়জনের সম্পৃক্ততার তথ্য
একটি গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গণপতি পরিবারের চার সদস্যকে রাত ১২টা থেকে রাত ১টার মধ্যে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ওই সময় পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার শেষ করেছিলেন।
সূত্রটির দাবি, হত্যাকাণ্ডে অন্তত ছয়জন অংশ নিয়েছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তাঁদের মধ্যে একজন গণপতি পরিবারের পরিচিত ছিলেন বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।
তদন্তকারীদের ধারণা, পরিচিত ওই ব্যক্তি পরিবারের আস্থা ব্যবহার করে অন্যদের বাড়িতে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে পারেন। পরিবারের সদস্যরা অপরিচিত কাউকে দেখে যাতে সন্দেহ না করেন, সে কারণেই পরিচিত কাউকে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা।
এই তথ্য সত্য হলে হত্যাকাণ্ডটি তাৎক্ষণিক বা আকস্মিক কোনো ঘটনা ছিল না, বরং পূর্বপরিকল্পিত হওয়ার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
হত্যার রাতে সিদ্ধার্থ কী দেখেছিলেন?
স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, সিদ্ধার্থ দাসের সন্দেহ হয়েছিল গণপতি পরিবারের বাড়ির ভেতরে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেছে। এরপর তিনি রাতের বড় একটি সময় মন্দিরের সামনে সড়কে বারবার যাতায়াত করেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।
এ সময় তিনি তাঁর চাচাতো ভাই মুগ্ধকে একাধিকবার ফোন করে বিষয়টি জানান বলেও সূত্রের দাবি।
এই তথ্য সত্য হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। সিদ্ধার্থ যদি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আগে থেকেই কিছু আঁচ করতে পেরে থাকেন, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলের কাছে কেন ছিলেন এবং মুগ্ধকে কেন বারবার ফোন করেছিলেন?
তাঁরা কি হত্যাকাণ্ডের আগে কোনো তথ্য পেয়েছিলেন, নাকি ঘটনার পর ঘটনাটি জানতে পেরেছিলেন, তা নির্ধারণ করা তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শুরু থেকেই পুলিশের বয়ান নিয়ে প্রশ্ন
২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ১২ বছরের ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার থানার কাছ থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়।
এরপর পুলিশ সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাঁরা হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে মাদক সেবন করেছিলেন এবং তাঁদের কাছে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
কিন্তু শুরু থেকেই স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন মহলের একটি অংশ পুলিশের এই বয়ান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সর্বশেষ ৩১ আগস্ট দুই আসামির ডোপ টেস্টের ফল নেগেটিভ আসার পর পুলিশের দেওয়া ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
ইয়াবা সেবনের দাবি, কিন্তু পরীক্ষায় মাদক নেই
পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে মোট নয়টি ইয়াবা সেবন করেছিলেন। কিন্তু আদালতের আদেশে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে ইয়াবা, গাঁজা বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, আদালতের নির্দেশে কারাগারে তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোনো মাদক পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়াবায় থাকা অ্যামফেটামিন বা মেথঅ্যামফেটামিনজাতীয় উপাদান শরীরে নির্দিষ্ট সময়ের পর আর শনাক্ত নাও হতে পারে। ফলে ঘটনার কয়েক দিন পর পরীক্ষা হলে ফল নেগেটিভ আসা অসম্ভব নয়।
তবে এখানেই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হচ্ছে, গ্রেপ্তারের পরপরই কেন তাঁদের ডোপ টেস্ট করা হলো না? ঘটনার সময় তাঁরা মাদকাসক্ত ছিলেন বলে যদি দাবি করা হয়ে থাকে, তাহলে তখনই নমুনা সংগ্রহ করা হলে বিষয়টি আরও নির্ভুলভাবে যাচাই করা যেত।
সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর ৮০ বার ফোনালাপ
তদন্তে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সিদ্ধার্থ দাস ও তাঁর চাচাতো ভাই মুগ্ধ দাসের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডও।
পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে প্রায় ৮০ ঘণ্টায় তাঁদের মধ্যে ৮০ বার ফোনে কথা হয়েছে। অর্থাৎ, ওই সময়ে প্রায় প্রতি ঘণ্টায় তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে বলে কল ডিটেইল রেকর্ডে উঠে এসেছে।
সোমবার ৩১ আগস্ট বিকেলে ডিবির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ঘটনার আগে ও পরের সময়টিতে তাঁদের এমন ঘন ঘন ফোনালাপ স্বাভাবিক নয়।
তবে শুধু ঘন ঘন ফোনে কথা বলার তথ্য থেকেই হত্যাকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয় না। তাঁরা কী বিষয়ে কথা বলেছেন, কোন স্থান থেকে ফোন করেছেন, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি তাঁদের অবস্থান ছিল কি না এবং ফোনের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য কী বলছে, এসব বিষয়ও তদন্তে যাচাই করা প্রয়োজন।
সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে নিয়ে আরও প্রশ্ন
সিদ্ধার্থের বয়স ১৯ বছর। তিনি মাছুয়াপাড়ার কীর্তনশিল্পী বিমল চন্দ্র দাস ও পাপড়ি দাসের ছেলে। রংপুর নগরীর পিকে জুয়েলার্সে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে মুগ্ধ দাস পেশায় শ্রমজীবী ও ধর্মীয় কীর্তনশিল্পী কানুদাস এবং সোনারানি দাসের ছেলে। তিনি রংপুর নগরীর সিটি বাজারে রামনাথের মাছের আড়তে কাজ করতেন।
তাঁদের নিয়মিত মাদকসেবনের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ আছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বিপ্লব মহন্ত বিল্লা ও আজিজুলও সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নিয়মিত মাদকসেবী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেননি বলে সূত্রের দাবি।
ফলে এক রাতে নয়টি ইয়াবা সেবনের পুলিশের বয়ান এবং দুই আসামির মাদক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
জামিন শুনানিতেও নতুন প্রশ্ন
হত্যাকাণ্ডের আরও তদন্তের জন্য পুলিশ সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল। তবে আদালত সেই আবেদন নাকচ করেন।
আদালত তাঁদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করেন।
পরে ৩১ আগস্ট রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম দুই আসামিকে কারাগারের ফটকে দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে তাঁরা ঠিক কী বলেছেন এবং সেই বক্তব্যের সঙ্গে ঘটনাস্থল, আলামত, কল রেকর্ড ও অন্যান্য তথ্যের কতটা মিল রয়েছে।
রংপুরে একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘু পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ছবিঃ সংগৃহীত
পুলিশের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
তদন্তকে অন্যদিকে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু পুলিশ প্রশাসনে প্রভাব বিস্তার করে তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমনকি তাঁর প্রভাবে রংপুরের কয়েকজন আইনজীবী কথিত আসামিদের জামিনের শুনানিতে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলেও সূত্র দাবি করেছে।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও এখানে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
আরও দুই ব্যক্তিকে ঘিরে গোয়েন্দা তথ্য
স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ভুক্তভোগীদের বাড়ির পাশের খানকাহ শরিফের পরিচালক ও আয়কর আইনজীবী আসাদুজ্জামান প্রধান লালু এবং রংপুর মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটির সহসভাপতি ও দাসপাড়া কালীমন্দিরের পুরোহিত ধীমান ভট্টাচার্যের নামও তদন্তে এসেছে।
তাঁরা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না, তা নিয়ে অভিযোগ উঠলেও এর পক্ষে প্রকাশ্য ও স্বাধীন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
তদন্তকারীদের উচিত অভিযোগের ভিত্তি, তাঁদের সঙ্গে নিহত পরিবারের সম্পর্ক, ঘটনার আগে ও পরে তাঁদের যোগাযোগ এবং মোবাইল ফোনের তথ্যসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় যাচাই করা।
প্রকৃত উদ্দেশ্যই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন
গণপতি পরিবারের চার সদস্যকে কেন হত্যা করা হলো, এই প্রশ্নের উত্তর এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদক, ব্যক্তিগত বিরোধ, চাঁদাবাজি, বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধ, রাজনৈতিক প্রভাব, পারিবারিক বা সামাজিক কোনো দ্বন্দ্ব অথবা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কারণ, শুধু দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের কথিত মাদকাসক্তির একটি গল্প সামনে আনলেই চারজনকে হত্যার পুরো কারণ ব্যাখ্যা করা যায় না।
বিশেষ করে ডোপ টেস্টে কোনো মাদকের উপস্থিতি না পাওয়া এবং হত্যাকাণ্ডে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার গোয়েন্দা তথ্য সামনে আসায় তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, পুলিশের দেওয়া বয়ান, আসামিদের জবানবন্দি, কল ডিটেইল রেকর্ড, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের আলামত এবং গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা। এসব তথ্যের মধ্যে কোথাও অসঙ্গতি থাকলে তার কারণও বের করা জরুরি।
সংগৃহীত : OTN Bangla