প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
গৈলা ৫০০ বছরের পুরনো মা মনসা মন্দিরে জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও জয়া আহসান
সুমন দেবনাথ(বরিশাল প্রতিনিধি), স্টাফ রিপোর্টার ||
বরিশালের আগৈলঝাড়া ঐতিহাসিক গৈলা মা মনসা মন্দিরে চঞ্চল চৌধুরী ও জয়া আহসান! গত ২৭শে মার্চ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার কবি বিজয় গুপ্ত প্রতিষ্ঠিত গৈলার ঐতিহাসিক 'শ্রী শ্রী মা মনসা মন্দির' পরিদর্শন করেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী এবং নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। এ সময় তাঁদের সাথে উপস্থিত ছিলেন গৈলার কৃতী সন্তান ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত।প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি আমাদের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য সাক্ষী। ১৪৯৪ সালে বিজয় গুপ্ত এখানেই তাঁর অমর কাব্য 'মনসামঙ্গল' বা 'পদ্মপুরাণ' রচনা করেন। জনশ্রুতি আছে, দেবী মনসার স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি বাড়ির সামনের দিঘি (মনসাকুণ্ড) থেকে পূজার ঘট তুলে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিঘির পাড়ে বকুলতলায় বসে কাব্যটি লেখেন। এই অনবদ্য সৃষ্টির জন্য সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁকে 'মহাকবি' উপাধি দেন। এই কাব্যের মাধ্যমেই সতী বেহুলা ও লখিন্দরের কাহিনী আজও গ্রামবাংলায় টিকে আছে। ঐতিহাসিক এই তীর্থস্থান পরিদর্শন শেষে দুই গুণী শিল্পী তাঁদের মুগ্ধতা ও ভক্তি প্রকাশ করেন।চঞ্চল চৌধুরী তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, "কবি বিজয় গুপ্তের মা মনসা মন্দির দর্শন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এরকম একটি ধর্মীয় উপাসনালয় কবি বিজয় গুপ্তের স্মৃতিধন্য। মা মনসা সকলের মঙ্গল করুন। অনেক শান্তি পেলাম এই স্মৃতিধন্য মন্দিরে এসে।"জয়া আহসান জানান, "বাংলা সাহিত্যের অমর কীর্তি মনসা কাব্য পাঠ এবং এমন ঐতিহাসিক স্থান দর্শন আমার স্মৃতিতে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"
প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news