প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
খুলনার দাকোপে 'মডেল মন্দির নির্মানের অনুমোদন' নিয়ে জোড় গুঞ্জন
||
গত ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমীর এজাজ খান তাঁর নির্বাচনী এলাকার জন্য ‘মডেল মন্দির’ নির্মাণের দাবি উত্থাপন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সংসদ সদস্য এ ধরনের দাবি তুলেছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মহলে দাবি করা হচ্ছে।সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমীর এজাজ খান বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকা দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। অথচ সেখানে সরকারি উদ্যোগে মডেল মসজিদ নির্মাণ হলেও হিন্দুদের জন্য কোনো ‘মডেল মন্দির’ নেই। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে দুই উপজেলায় অন্তত দুটি মডেল মন্দির নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।এমপির এই বক্তব্যের পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন নেটিজেন তাঁদের ব্যক্তিগত পোস্টে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। কিছু পোস্টে বলা হয়—“খুলনা-১ এর দাকোপ থানার মডেল মন্দির পাস হয়েছে। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের খুলনা-১ এর বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আমীর এজাজ খান সাহেবকে।”আরেকজন লেখেন—“খুলনা-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমীর এজাজ খান মহান জাতীয় সংসদে দাকোপ-বটিয়াঘাটা উপজেলায় দুটি মডেল মন্দির নির্মাণের বিল উত্থাপন করলে, সংসদে তা পাস হয়ে সরকার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। ধন্যবাদ জনাব আমীর এজাজ।”অন্য এক পোস্টে বলা হয়—“আমি একজন সনাতনী। তাই এই মানুষটি নিয়ে না লিখে থাকতে পারলাম না। তিনি ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—মডেল মন্দির নির্মাণ করবেন—তিনি তা রেখেছেন। জাতীয় সংসদ থেকে বাজেটও পাস হয়েছে। শুভ কামনা রইলো জনাব আমীর এজাজ খানের জন্য।”তবে এসব দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও মডেল মন্দির নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।বিশ্লেষকরা বলছেন, বিষয়টি বাস্তবায়নের আগে সরকারিভাবে অনুমোদন, বাজেট বরাদ্দ এবং প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। সব মিলিয়ে, সংসদে উত্থাপিত এই দাবি ধর্মীয় সহাবস্থান ও উন্নয়ন নিয়ে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে, তবে এর বাস্তব অগ্রগতি নিয়ে এখনো রয়েছে অনিশ্চয়তা।
প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news