প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস দুই দিনের রিমান্ডে
||
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে ফ্ল্যাট প্রতারণার মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন।আদালতে শুনানির সময় হরিদাস চন্দ্র তরণীকে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে আইনজীবী বাসুদেব গুহ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মাসুদ রানা জানান, ফ্ল্যাট প্রতারণার অভিযোগে গত ২৪ আগস্ট হরিদাস চন্দ্র তরণী ও ওবাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। এর পরদিন হরিদাসকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত গত ১ সেপ্টেম্বর তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। পরে ৩ সেপ্টেম্বর তাঁর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হলে এদিন আদালত দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।এর আগে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম গত ১২ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় আরেকটি মামলা করেন। ওই রাতেই গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ হরিদাস চন্দ্র তরণীকে গ্রেপ্তার করে।পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে ওই মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ১৬ জুলাই তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।মামলায় যে অভিযোগমামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী মাহবুবুর রহমান ও আসামি ওবাইদুল ইসলাম কলেজজীবনের বন্ধু। তাঁরা উত্তরা ১২ নম্বর এলাকায় থাকেন। ওবাইদুল নিজেকে অনয় ডেভেলপার কোম্পানির মালিক এবং খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় তাঁর অফিস রয়েছে বলে মাহবুবকে জানান।নিকুঞ্জ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট কেনার আগ্রহ প্রকাশ করলে মাহবুব প্রথমে ওবাইদুলকে ১০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা দেন। পরে ফ্ল্যাটের নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে আরও ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হলে তিনি সেই টাকাও দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে বলা হয়, এরপর ওবাইদুল ফ্ল্যাটটি বুঝিয়ে না দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। টাকা ফেরত চাইলেও তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে মাহবুব তাঁর নিকুঞ্জের অফিসে গেলে ওবাইদুল জানান, তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার হরিদাস চন্দ্র তরণী সেখানে আসছেন।পরবর্তীতে হরিদাস চন্দ্র তরণী অফিসে এসে মাহবুবকে জানান, তাঁর কাছে টাকা না থাকলেও ফ্ল্যাট রয়েছে এবং তিনি ফ্ল্যাট দিতে পারবেন। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে মাহবুব আরও ৪৫ লাখ টাকা দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওবাইদুল ইসলাম ও হরিদাস চন্দ্র তরণী মিলে মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে মোট ৭৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা নেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও তাঁকে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news