প্রিন্ট এর তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ভেঙে ফেলা হচ্ছে বাগেরহাটে ঐতিহ্যবাহী মঘিয়া জমিদার বাড়ি: মন্দির রক্ষার দাবিতে উত্তাল এলাকা
সবুজ দত্ত,(স্টাফ রিপোর্টার), স্টাফ রিপোর্টার ||
বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী ঐতিহ্যবাহী 'মঘিয়া জমিদার বাড়ি' ভেঙে ফেলার মহোৎসব শুরু হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বাড়িটি সংরক্ষণের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই চললেও, কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাড়িটির অন্তত মন্দির অংশটুকু রক্ষার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় ও সচেতন নাগরিক সমাজ।ভৈরব ও বলেশ্বর নদের মধ্যবর্তী জনপদ কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত এই জমিদার বাড়িটি ওই অঞ্চলের আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে থাকলেও এর স্থাপত্যশৈলী ও কারুকার্য আজও পথচারীদের মুগ্ধ করে। সম্প্রতি বাড়ির একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জমিদার বাড়ির এই প্রাঙ্গণে একটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে যেখানে বংশপরম্পরায় পূজা-অর্চনা হয়ে আসছে। বাড়ির মূল অংশ ভেঙে ফেলা হলেও মন্দিরটি রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের অভিযোগ, কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যক্তি মালিকানাধীন দোহাই দিয়ে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ধ্বংস করা হচ্ছে।
ইতিপূর্বে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সরেজমিনে বাড়িটি পরিদর্শন করে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব যাচাই করেছিল। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একটি প্রাচীন নিদর্শন যখন রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের প্রক্রিয়াধীন থাকে, তখন তা কীভাবে ভেঙে ফেলা হয়? বাগেরহাটের মতো জেলায় যেখানে ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য রয়েছে, সেখানে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি হারিয়ে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি।এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মঘিয়ার সাধারণ মানুষ।
প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news