হিন্দুস নিউজ
Topic Ads 1
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ঐতিহাসিক দীপাবলি উৎসবে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ঐতিহাসিক দীপাবলি উৎসবে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষার বার্তা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব দীপাবলি বা দেওয়ালি। পাকিস্তানের মাটিতে আয়োজিত এই বিশেষ উৎসবে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সনাতন সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের সাজে বেশ কয়েকজনের উপস্থিতি সবার নজর কাড়ে এবং অনুষ্ঠানে এক ভিন্নমাত্রার আধ্যাত্মিক ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।​পাকিস্তানে বসবাসরত সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে (পিএম হাউস) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সম্প্রদায়ের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি ও বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিজে উপস্থিত থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং প্রদীপ প্রজ్వালামের মাধ্যমে দীপাবলির আনুষ্ঠানিকতায় শরিক হন।​News copied from- 'হিন্দুস নিউজ'​অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা গোত্র পরিচয় যা-ই হোক না কেন, পাকিস্তানের প্রতিটি নাগরিকের পূর্ণ শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ ভূমিতে বসবাস করার সমান অধিকার রয়েছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে প্রতিটি নাগরিকের মেধা ও শ্রম দেওয়ার সমান সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করা অত্যন্ত জরুরি।​সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে দীপাবলি কেবল প্রদীপের আলোয় চারপাশ আলোকিত করার উৎসব নয়; এটি অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে সত্য ও সুন্দরের জয়গান গাওয়ার এবং অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রার চিরন্তন প্রতীক। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজন সংখ্যালঘুদের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি একটি বৈচিত্র্যময় ও সহনশীল সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সনাতনীদের অধিকার এবং সব জাতির মানবাধিকার সমুন্নত রাখার লড়াইয়ে প্রতিটি রাষ্ট্রের এমন সহনশীল দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতনমহল।