পূজা-২০২৬
আগামীতে পূজায় পুলিশ পাহারার প্রয়োজন হবে না: এমপি নুরুল আমিন
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সচেতনতা বাড়লে আগামীতে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারার প্রয়োজন হবে না।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে মিরসরাই উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের আয়োজনে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।নুরুল আমিন বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মুসলমানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ একই সমাজ ও দেশে বসবাস করি। আমরা পরস্পরের প্রতিবেশী, ভাই ও বন্ধু। দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়ন, সংকট ও সংগ্রামে সব সম্প্রদায়ের মানুষের অবদান রয়েছে। কাউকে বাদ দিয়ে এ দেশ গঠন সম্ভব নয়।”তিনি বলেন, দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় একটি আনন্দের উৎসব। আনুষ্ঠানিকভাবে বড় পরিসরে এ উৎসব উদ্যাপন করা হয় বলে এর প্রস্তুতিও বেশি। প্রস্তুতি সভার মাধ্যমে অশুভ শক্তি ও দুর্বৃত্তদের জানিয়ে দেওয়া হয়, রাষ্ট্র ও দেশের ১৮ কোটি মানুষ পূজার নিরাপত্তায় সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ।তিনি আরও বলেন, আমরা ধীরে ধীরে এই প্রবণতা কমিয়ে আনতে চাই। আগামী পূজায় হয়তো প্রস্তুতি সভা করে কাউকে জানান দেওয়ারও প্রয়োজন হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারারও প্রয়োজন পড়বে না। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকব।উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অনির্বাণ চৌধুরী রাজীবের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহন দে।সভায় বক্তব্য দেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজি, চট্টগ্রাম পূজা উদ্যাপন পরিষদের সহসভাপতি বিপুল দত্ত, সদস্য সুভাষ সরকার এবং মিরসরাই উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সহসভাপতি জহরলাল নাথ অভি ও বিপুল দাশ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মাহমুদসহ বিভিন্ন মণ্ডপ কমিটির নেতারা।
উৎসবের আমেজে ধর্মান্ধতার থাবা / খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ আর প্রাক-প্রস্তুতির আবহ যখন সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে, ঠিক তখনই কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে স্থানীয় একটি মন্দির। সর্বজনীন ধর্মীয় উৎসবের ঠিক আগমুহূর্তে সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনে মধ্যরাতে এই প্রতিমা ভাঙচুরের তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতকারীরা।সংবাদ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। রাতের গভীর অন্ধকারে অশুভ উদ্দেশ্যে মন্দিরের সীমানায় প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে নির্মিত নির্মাণাধীন ও প্রস্তুতকৃত তিনটি প্রতিমা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার এবং সকল জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই ধিক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে চরম ক্ষোভ, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বজনীন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের এমন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের সনাতনী ও মানবাধিকার সচেতন নাগরিকেরা।
একের পর এক মন্দিরে চুরি! একই ব্যক্তিকে ঘিরে তোলপাড়
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দিরসহ দেশের একাধিক মন্দিরে চুরির অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ আখড়া এবং নরসিংদীর একটি কালীমন্দিরেও একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।সম্প্রতি রমনা কালীমন্দিরে চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকজন দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও দেশের বিভিন্ন মন্দির থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।ফেসবুকে লিখন দত্ত নামে একজন মন্তব্য করেন, কয়েক দিন আগে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ আখড়া থেকে চুরির সময় একজনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁর মন্তব্যের জবাবে অপু দেবনাথ নামে আরেক ব্যবহারকারী দাবি করেন, নরসিংদীর একটি মন্দির থেকেও চুরির ঘটনা ঘটেছে।এ ছাড়া মিঠুন চক্রবর্তী নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, মাধবদীর বিরামপুর কালীমন্দির থেকেও তিন ভরি স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।এসব মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকেই মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চুরির অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মন্দিরে চুরির অভিযোগ ওঠায় ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয়ে সংরক্ষিত স্বর্ণালংকার, প্রতিমার অলংকার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী।পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে কখনো পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন কি না এবং আটক হয়ে থাকলে পরবর্তী সময়ে কীভাবে মুক্তি পেয়েছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।মন্দিরে চুরির মতো ঘটনা শুধু সম্পদের ক্ষতিই নয়, ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা এবং ভক্তদের অনুভূতির সঙ্গেও জড়িত। তাই প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা এবং অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন উদ্বিগ্ন ভক্তরা।এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, মন্দির কর্তৃপক্ষ কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের তথ্য প্রয়োজন।Hindus News-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান, রমনা কালীমন্দির, নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ আখড়া এবং নরসিংদীর মন্দিরে চুরির অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করা হোক। একই সঙ্গে দেশের মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সবার প্রত্যাশা। তবে তদন্তের আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া থেকে বিরত থাকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
দুই কমিটির মতপার্থক্যের অবসান, এক কমিটির অধীনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত / রাঙ্গুনিয়ায় পূজা পরিষদের মতবিনিময়: বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ দুর্গোৎসবের প্রত্যয়
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলা সদরের ইছাখালী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী রূপন চক্রবর্তী। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক শ্রী অজয় চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শ্রী লিটন দে’র পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাঙ্গুনিয়া রাসবিহার ধামের প্রাক্তন সভাপতি শ্রী স্বপন সেন।সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, সাংগঠনিক বিষয় ও উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।সভায় জানানো হয়, অতীতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দুটি কমিটিকে কেন্দ্র করে যে দ্বন্দ্ব ও মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছিল, তা রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর মধ্যস্থতায় নিরসন হয়েছে। বর্তমানে বিভেদ ভুলে একটি কমিটির অধীনে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রেখে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।এছাড়া আসন্ন দুর্গাপূজায় ভোগ্যপণ্যের বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং পূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী নিক্সন সাহা, রনি দাস, সুব্রত চৌধুরী, সুধীর দাস, দিলীপ দাস, স্বপন মহাজন, ডা. নিপুন পাল, সুফল বসাক, জয় চক্রবর্তী ও বিকাশ সরকার।এ সময় সদস্য শ্রী বাবলু দে, রাজিব দে, সাজু দাস ও উজ্জ্বল দেসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আসন্ন দুর্গোৎসব ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় রাঙ্গুনিয়ায় এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলেন শোভা মল্লিক
মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলেন শোভা মল্লিক
স্বামী হারানোর শোক সইতে না পেরে রেললাইনে প্রাণ দিলেন স্ত্রী
পূজার ছুটি কি ৫ দিন?
৩১ বছর পর আলো দেখছে মুন্সীগঞ্জের একটি পরিবার
বিহারের ঘটনার বিকৃত উপস্থাপনায় বাংলাদেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ |
সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে বাড়ছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা
বৃদ্ধের ধর্ষণের ফলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী
এখানে রং নয় চিতার ছাই দিয়ে খেলা হয় হলি
পডকাস্ট
ফরিদপুরে সোমা দেবনাথের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা সভা
গীতার আলো ছড়িয়ে HCCC’র ব্যতিক্রমী আয়োজন
শেরপুরের মা ভবানী মন্দিরে পূজা ও পরিদর্শনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব
তিরোভাব উৎসবে মানবিক উদ্যোগ: ১০০ স্বেচ্ছাসেবকের সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
মির্জাগঞ্জে অসহায় হিন্দু পরিবারের পাশে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন