হিন্দুস নিউজ
সর্বশেষ

পূজা-২০২৬

সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় টেরিয়াইল স্কুলের পাশের একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক হিন্দু নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে।জানা যায়, ওই নারীর হাত বাঁধা অবস্থায় রয়েছে এবং তাঁর গলায় গামছা প্যাঁচানো। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মরদেহটি দেখতে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমে বলে জানা গেছে।স্থানীয় এলাকাবাসীর কেউ কেউ ধারনা করছেন, ওই নারীকে নির্যাতনের পর হত্যা করে কলাবাগানে হাত বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, পরিচয় এবং কী পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একজন নারীর এমন রহস্যজনক মৃত্যুর খবর সামনে আসায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি উঠেছে।

উৎসবের আমেজে ধর্মান্ধতার থাবা / খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ আর প্রাক-প্রস্তুতির আবহ যখন সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে, ঠিক তখনই কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে স্থানীয় একটি মন্দির। সর্বজনীন ধর্মীয় উৎসবের ঠিক আগমুহূর্তে সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনে মধ্যরাতে এই প্রতিমা ভাঙচুরের তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতকারীরা।​সংবাদ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। রাতের গভীর অন্ধকারে অশুভ উদ্দেশ্যে মন্দিরের সীমানায় প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে নির্মিত নির্মাণাধীন ও প্রস্তুতকৃত তিনটি প্রতিমা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার এবং সকল জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই ধিক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে চরম ক্ষোভ, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বজনীন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের এমন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের সনাতনী ও মানবাধিকার সচেতন নাগরিকেরা।

আজকের রাশিফল: মহাদেবের কৃপায় খুলবে কি গোপন সত্যের দ্বার?

​♈ মেষ (Aries)আজ পুরনো কোনো পরিচিত মুখের হঠাৎ আগমন আপনাকে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু সেই স্মৃতির পেছনে কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে। কাজের জায়গায় বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণই আপনাকে আসন্ন ঝড়ের হাত থেকে রক্ষা করবে। দিনের শেষভাগে কোনো আর্থিক বা সামাজিক সুযোগ আপনার দরজায় কড়া নাড়তে পারে। অতি-উৎসাহে ভুল পা ফেলবেন না, মহাদেবের মতো ধৈর্য ধরে সময়ের সঠিক ব্যবহারের জন্য অপেক্ষা করুন।​♉ বৃষ (Taurus)যা আপনি খালি চোখে দেখছেন, পরিস্থিতি হয়তো ঠিক ততটা সহজ নাও হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আপনার সহকর্মীদের নীরবতা কোনো গভীর পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাই নিজের কোনো গোপনীয় তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। পারিবারিক জীবনে বাস্তবসম্মত চিন্তাভাবনা জটিল সমস্যার সমাধান এনে দেবে। সন্ধ্যার দিকে কোনো আধ্যাত্মিক বা নির্জন স্থানে কিছুক্ষণ সময় কাটালে মনের সমস্ত ধোঁয়াশা কেটে যেতে পারে।​♊ মিথুন (Gemini)আজকের নক্ষত্র আপনার চিন্তাধারায় নতুন কোনো আলো ফেলতে পারে, যা আপনাকে জীবনের গতিপথ বদলাতে বাধ্য করবে। অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আবেগের চেয়ে কঠোর বাস্তবকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া জরুরি। সম্পর্কের টানাপোড়েন মেটাতে আজ কোনো অপ্রত্যাশিত সূত্রের সাহায্য পেতে পারেন। মহাদেবের আশীর্বাদে অন্তরের ভয়কে জয় করার মতো এক অদ্ভুত শক্তি আজ আপনার ভেতর জাগ্রত হবে।​♋ কর্কট (Cancer)আজকের বাতাসে এক ধরনের অজানা রহস্য বিরাজ করছে, যা আপনার কাজের মনযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। যা কিছু এতকাল আপনার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল, তার একটি ছোট ইঙ্গিত আজ প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়িক বা পেশাগত দিক থেকে কোনো বড় পরিবর্তন আনার আগে সবটা ভালো করে যাচাই করে নিন। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর শুনুন, তা আপনাকে সঠিক ও বাস্তবসম্মত পথের দিশা দেখাবে।​♌ সিংহ (Leo)সামাজিক অবস্থান বজায় রাখতে গিয়ে নিজের প্রকৃত উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হবেন না। কাজের জায়গায় আপনার নেতৃত্বের ক্ষমতা পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে, যেখানে যুক্তিবাদী মনই আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। হঠাৎ পাওয়া কোনো অদ্ভুত বার্তা আপনার দিনের গতি বদলে দিতে পারে। বিষপান করে জগতকে রক্ষা করা নীলকণ্ঠের মতো আজ আপনাকেও নেতিবাচক পরিস্থিতি হজম করে এগিয়ে যেতে হবে।​♍ কন্যা (Virgo)ছোটখাটো খুঁটিনাটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করার যে অদ্ভুত ক্ষমতা আপনার আছে, তা আজ একটি জটিল ঘটনার সত্য উন্মোচন করবে। অর্থনৈতিক লেনদেনে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন না করলে বিভ্রান্তিতে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। কাছের মানুষের কোনো আচরণ আপনার কাছে রহস্যজনক মনে হলেও তাড়াহুড়ো করে মন্তব্য করবেন না। বাস্তব পরিস্থিতির গভীরতা বুঝে পদক্ষেপ নিলে দিনটি আপনার অনুকূলে আসবে।​♎ তুলা (Libra)আজকের দিনটিতে ভাগ্য ও বাস্তবতার এক চমৎকার ভারসাম্য তৈরি হবে, তবে তার আড়ালে থাকবে কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন। কোনো দীর্ঘদিনের সমস্যার এমন এক সমাধান সামনে আসবে, যা আপনি হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে মিষ্টি কথার চেয়ে সত্য ও স্পষ্ট কথা বলা অনেক বেশি কার্যকর হবে। মহাদেবের প্রজ্ঞাকে সামনে রেখে নিজের জীবনের অহেতুক বিশৃঙ্খলাগুলোকে দূর করার চেষ্টা করুন।​♏ বৃশ্চিক (Scorpio)গভীর জলে যেমন রহস্য লুকিয়ে থাকে, আজ আপনার মানসিক জগতের ভেতরেও তেমন কিছু তোলপাড় চলতে পারে। হঠাৎ কোনো অজানা ক্ষেত্র থেকে অর্থ বা সুযোগের সন্ধান পেলেও তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। কর্মক্ষেত্রে আপনার নীরবতাই হবে আপনার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা প্রতিযোগীদের বিভ্রান্ত করবে। বাস্তবমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও দৃঢ় মনোবল আজ আপনাকে যেকোনো বড় সংকট থেকে উদ্ধার করবে।​🏹 ধনুর্বান (Sagittarius)আজকের যাত্রাপথে কোনো অচেনা অভিজ্ঞতা আপনার চোখ খুলে দিতে পারে। কাজের ক্ষেত্রে নতুন কোনো চুক্তি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে কাগজের আড়ালের গোপন শর্তগুলো ভালো করে দেখে নিন। পরিবারের কারও রহস্যময় আচরণ আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। আধ্যাত্মিক চর্চা বা মহাদেবের স্মরণে মন দিলে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য ও বাস্তবতার সন্ধান পাওয়া সহজ হবে।​♑ মকর (Capricorn)পরিশ্রমের ফল আজ আপনি পাবেন, তবে তা হয়তো সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো রূপে আপনার সামনে আসবে। কাজের জায়গায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মনোযোগ আপনার দিকে থাকবে, যা একই সাথে সুযোগ ও সতর্কতার সংকেত। পুরনো কোনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ বাস্তবমুখী পদক্ষেপে এগোলে সাফল্য নিশ্চিত। দিনটির শেষভাগে কোনো গোপন তথ্য জানাজানি হওয়ার কারণে আপনার চিন্তার চিত্র বদলে যেতে পারে।​♒ কুম্ভ (Aquarius)আপনার চিন্তা ও ধারণার জগৎ আজ অত্যন্ত বাস্তব কিন্তু ভিন্ন ধাঁচের হবে। কাজের জায়গায় নতুন কোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করার আগে তার পেছনের ঝুঁকিগুলো হিসাব করে নিন। কোনো অচেনা ব্যক্তির পরামর্শে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। মহাদেব যেমন সমস্ত প্রপঞ্চের ঊর্ধ্বে থেকে সত্য দর্শন করেন, আজকেও পরিস্থিতিকে দূর থেকে বস্তুনিষ্ঠভাবে দেখার চেষ্টা করুন।​♓ মীন (Pisces)স্বপ্নের জগত থেকে বেরিয়ে বাস্তব জীবনের কঠিন মাটিতে পা রাখার সময় এসেছে আজ। আপনার অন্তর্দৃষ্টি আজ আপনাকে ভবিষ্যতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ইঙ্গিত দিতে পারে, তাকে অবহেলা করবেন না। আর্থিক সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো ধোঁয়াশা থাকলে আজই তা পরিষ্কার করে ফেলা শ্রেয়। দিনের শেষে কোনো নির্জন মুহূর্তে নিজেকে সময় দিলে জীবন ও ভাগ্যের গভীর রহস্যের উত্তর খুঁজে পাবেন।

দুই কমিটির মতপার্থক্যের অবসান, এক কমিটির অধীনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত / রাঙ্গুনিয়ায় পূজা পরিষদের মতবিনিময়: বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ দুর্গোৎসবের প্রত্যয়

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে উপজেলা সদরের ইছাখালী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী রূপন চক্রবর্তী। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক শ্রী অজয় চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শ্রী লিটন দে’র পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাঙ্গুনিয়া রাসবিহার ধামের প্রাক্তন সভাপতি শ্রী স্বপন সেন।সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, সাংগঠনিক বিষয় ও উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।সভায় জানানো হয়, অতীতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দুটি কমিটিকে কেন্দ্র করে যে দ্বন্দ্ব ও মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছিল, তা রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর মধ্যস্থতায় নিরসন হয়েছে। বর্তমানে বিভেদ ভুলে একটি কমিটির অধীনে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রেখে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।এছাড়া আসন্ন দুর্গাপূজায় ভোগ্যপণ্যের বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং পূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী নিক্সন সাহা, রনি দাস, সুব্রত চৌধুরী, সুধীর দাস, দিলীপ দাস, স্বপন মহাজন, ডা. নিপুন পাল, সুফল বসাক, জয় চক্রবর্তী ও বিকাশ সরকার।এ সময় সদস্য শ্রী বাবলু দে, রাজিব দে, সাজু দাস ও উজ্জ্বল দেসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আসন্ন দুর্গোৎসব ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় রাঙ্গুনিয়ায় এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

মাত্র পাওয়া

<span class='techtaranga_subtitle'>উৎসবের আমেজে ধর্মান্ধতার থাবা / </span>খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর

উৎসবের আমেজে ধর্মান্ধতার থাবা / খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে গভীর রাতে ৩ প্রতিমা ভাঙচুর

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ আর প্রাক-প্রস্তুতির আবহ যখন সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে, ঠিক তখনই কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে স্থানীয় একটি মন্দির। সর্বজনীন ধর্মীয় উৎসবের ঠিক আগমুহূর্তে সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনে মধ্যরাতে এই প্রতিমা ভাঙচুরের তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতকারীরা।​সংবাদ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়। রাতের গভীর অন্ধকারে অশুভ উদ্দেশ্যে মন্দিরের সীমানায় প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে নির্মিত নির্মাণাধীন ও প্রস্তুতকৃত তিনটি প্রতিমা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার এবং সকল জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই ধিক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে চরম ক্ষোভ, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বজনীন ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের এমন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের সনাতনী ও মানবাধিকার সচেতন নাগরিকেরা।

১৭ মিনিট আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেও মিলছে না বিচার / </span>রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেও মিলছে না বিচার / রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

নড়াইলে বোড়ামারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ বছর বয়সী সনাতনী স্কুলছাত্রী রূপা দাস নিখোঁজের ২৭ দিন পার হলেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যা সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও মানবাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদরের বোড়ামারা-তুলারামপুর সড়ক থেকে বোড়ামারা গ্রামের পল্লব দাসের নাবালিকা কন্যা রূপা দাস নিখোঁজ হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে যাওয়ার পথে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সহপাঠী মো. রবিউল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে। নিখোঁজের পর পরিবার নড়াইল সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে জোরপূর্বক অসত্য ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে একটি এজাহার (মামলা নং ১৭, তারিখ: ১৪-০৯-২০২৬) দায়ের করে, যা তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। পরিবারের দাবি, নড়াইল সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রধান আসামিদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ) এর মধ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রূপার হারিয়ে যাওয়া স্কুলব্যাগ লাইব্রেরিতে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার হলেও তাতে অন্য কারও লেখা নাম পাওয়া যায়, যা নিয়ে তদন্তে পুলিশের কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। উল্টো পুলিশের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী নাবালিকার চরিত্র হরণ এবং পরিবারের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এসআরবি-৬, জেলা প্রশাসক এবং সর্বশেষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে লিখিত আবেদন জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত রূপা দাসের কোনো সন্ধান মেলেনি। দেশের একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে সনাতনী পরিবারের প্রতি প্রশাসনের এই চরম অবহেলা ও আইনের অপপ্রয়োগ সার্বিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক স্পষ্ট দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>ঠাকুরগাঁও সীমান্তে / </span>২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে / ২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি। গত বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান, জি, আর্টিলারির নেতৃত্বে বিজিবির একটি চৌকস দল এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ডাবরী বিওপির সীমান্ত পিলার ৩৬৮/১-এস থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘মনিস কোয়ান’ নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত ও মালিকবিহীন অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী এই কষ্টি পাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাচীন ও ধর্মীয় গুরুত্ব বহনকারী এই মূর্তিটির আনুমানিক সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবেই এই সফলতা অর্জিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন স্পষ্ট জানিয়েছে যে মাদক, অবৈধ সম্পদ ও প্রত্নসম্পদ পাচার রুখতে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অটল রয়েছে এবং সার্বিক নিরাপত্তায় স্থানীয় সনাতনী ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে।

৩ ঘন্টা আগে
 সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় টেরিয়াইল স্কুলের পাশের একটি কলাবাগান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক হিন্দু নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে।জানা যায়, ওই নারীর হাত বাঁধা অবস্থায় রয়েছে এবং তাঁর গলায় গামছা প্যাঁচানো। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মরদেহটি দেখতে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজনের ভিড় জমে বলে জানা গেছে।স্থানীয় এলাকাবাসীর কেউ কেউ ধারনা করছেন, ওই নারীকে নির্যাতনের পর হত্যা করে কলাবাগানে হাত বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, পরিচয় এবং কী পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একজন নারীর এমন রহস্যজনক মৃত্যুর খবর সামনে আসায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি উঠেছে।

৪ ঘন্টা আগে
নদী ভাঙনের কারণে‘স্থায়ী ঠিকানা’ নেই, তাই নিয়োগপত্র পেলেন না ক্লীন্টন সাহা

নদী ভাঙনের কারণে‘স্থায়ী ঠিকানা’ নেই, তাই নিয়োগপত্র পেলেন না ক্লীন্টন সাহা

 নদী ভাঙনের পর অল্প যেটুকু পারিবারিক জমি ছিল, সেটা বিক্রি করে ২১ বছর আগে চট্টগ্রাম নগরীর ভাড়া বাসায় ঠাঁই নেয় পরিবারটি। পরিবারের একমাত্র ছেলেটির দিকেই তাকিয়ে বৃদ্ধ মা-বাবা ও ছোট বোন।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ডবলমুরিং থানার মেধাক্রমে দ্বিতীয় হয়েছিলেন তিনি। পেয়েছিলেন নিয়োগের জন্য সুপারিশও।কিন্তু চূড়ান্ত যাচাইয়ের সময় স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে জটিলতার কারণে নিয়োগ হয়নি।২১ বছর ধরে নগরীর ডবলমুরিং থানার মোগলটুলি এলাকার প্রফেসর গলিতে বসবাস করা ক্লীন্টন সাহা বলেন, “ডবলমুরিংয়ে ১২ জন নিয়োগের জন্য মনোনীত হন। এরমধ্যে এ বছর মার্চে ৫ জন এবং দ্বিতীয় দফায় গত মাসে আরো ছয়জন নিয়োগপত্র পান। শুধু আমিই নিয়োগপত্র পাইনি।“আবেদনে এখন যে বাসায় আছি, আবেদনে সেটির ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছিলাম। পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছিলেন, এটা যেহেতু আমার নিজের বাড়ি না, তাই নেগেটিভ রিপোর্ট হবে। উনারা পরামর্শ দিয়েছিলেন, বিকল্প একটা স্থায়ী ঠিকানা দিতে। পরে আমি সন্দ্বীপের মামা বাড়ির ঠিকানা দিই। কিন্তু তারপরও আমি নিয়োগ পাইনি।”পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন জানিয়ে ক্লীন্টন সাহা বলেন, “উনারা বলেছেন, এটা শিক্ষা থানাভিত্তিক চাকরি। এখানে স্থায়ী ঠিকানা না হলে নিয়োগ হবে না।”ক্লীন্টন সাহা জানান, তার দাদুর বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায়। কয়েকবার নদীভাঙনের কারণে তাদের বাড়ি ও দোকান বিলীন হয়ে গেছে। পরে পারিবারিক বসত ভিটার বাকি জমিও বিক্রি হয়ে যায়। এরপর ২১ বছর আগে তার বাবা নারায়ন সাহা স্ত্রী, তিন মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে চলে আসেন।সেই থেকে পরিবারটি সেখানেই ভাড়া বাসায় থাকছে।ক্লীন্টন সাহা বলেন, “যেহেতু আদি বাড়িতে ভিটা ও ঘর নেই, তাই এখন পর্যন্ত যত চাকরির আবেদন করেছি, সেগুলোতে এই বাসার ঠিকানাই দিয়েছি।“আমি মেধার ভিত্তিতে চাকরির জন্য চূড়ান্তভাবে মনোননীত হয়েছি। শুধু স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র পাইনি। আমার চাকরিটা পরিবারের জন্য খুব প্রয়োজন।”তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ক্লীন্টন সাহা। বড় দুই বোনের বিয়ে হয়েছে। ছোট বোনও লেখাপড়া শেষ করেছেন। বৃদ্ধ মা-বাবা ও এক বোন নিয়ে এখন ক্লীন্টনের সংসার চলছে ভাই-বোনের টিউশনের আয়ে।তিনি বলেন, “বাবার অনেক বয়স হয়েছে। সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চাকরি পেলে আমার সংসারটা চলবে। বোনটার বিয়ে দিতে পারব।”ক্লীন্টন সাহা ২০১৪ সালে নগরীর পাঠানটুলী সিটি করপোরেশন বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং দেওয়ানহাট সিটি করপোরেশন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য মনোনীত ৫৫১ জনের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় ২৪ জনকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি ৫২৭ জনের মধ্যে ৫২৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ  বলেন, “সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য আমাদের এখানে মোট ৫২৭ জন জন মনোনীত হয়। তারমধ্যে ৫২৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।“ক্লীন্টন সাহা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে নিয়োগের সুপারিশপত্র পেয়েছিল। উনিসহ দুজন কেন নিয়োগপত্র পাননি সেটা প্রতিবেদন আকারে আমরা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি। এর বাইরে কিছু বলা যাচ্ছে না।”এ বিষয়ে জানতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদায়ন বিষয়ক জেলা পদায়ন কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা  বলেন, “উনি (ক্লীন্টন সাহা) আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। আপনাদের কাছ থেকে আজ শুনলাম। যোগাযোগ করলে উনার বার্তাটি মন্ত্রণালয়ে জানাতে পারব।”ক্লীন্টন সাহা বলেন, “একটি লিখিত আবেদন নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম পরশু। উনারা বলেছেন, ঢাকায় যোগাযোগ করতে। সেখানে কার কাছে যাব আমি জানি না। মেধার ভিত্তিতে পাওয়া চাকরিটা আমার পরিবারের জন্য খুব প্রয়োজন।“সরকারি অন্যান্য পদেও চাকরির আবেদন করেছি। কিন্তু এখন আর পরীক্ষা দিয়ে কী হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তো স্থায়ী ঠিকানার এই জটিলতায় চাকরি পাব না।”

৫ ঘন্টা আগে
অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী চাকরি থেকে বরখাস্ত

অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী চাকরি থেকে বরখাস্ত

অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বরখাস্তের এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহীতে কর্মরত থাকার সময় গত বছরের ১৩ নভেম্বর প্রস্থান প্রতিবেদন দাখিল না করেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন টুটুল চক্রবর্তী। অথচ ওই বছরের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতিসহ ছুটি এবং ১৬, ১৭ ও ১৮ নভেম্বর নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছিল।অভিযোগে বলা হয়, ১৩ নভেম্বর তিনি নিজেকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের ডিআইজি পরিচয় দিয়ে শাহ মখদুম বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন। পরে সকাল সাড়ে ১০টার কিছু আগে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিএস-১৬২ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। এর আগেও একইভাবে পরিচয় দিয়ে একাধিকবার ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসেন তিনি। তাঁর এমন কর্মকাণ্ডে জনসমক্ষে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।পুলিশ অধিদপ্তরের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগনামাসহ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি নোটিশের জবাব দেননি। সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। পরে ২ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।গত ৭ মে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি গত ২৩ জানুয়ারি থেকে পলাতক রয়েছেন। এরপর গত ১৬ জুন তাঁকে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।এ অবস্থায় তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে গত ২৩ জুলাই সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে এ বিষয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর কমিশন তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার বিষয়ে সম্মতি দেয়। এরপর গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ গুরুদণ্ড অনুমোদন করেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টুটুল চক্রবর্তী সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাঁকে ‘চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ’ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

৫ ঘন্টা আগে
নিজের ঘরেও পূজায় বাধা, হতাশা প্রকাশ করে নিরিহ হিন্দু ব্যক্তির পোস্ট

নিজের ঘরেও পূজায় বাধা, হতাশা প্রকাশ করে নিরিহ হিন্দু ব্যক্তির পোস্ট

নিজের বাসায় নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী নীরবে পূজা করার ক্ষেত্রেও বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন শরদ চৌধুরী। ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাসায় পূজা করা যাবে না—এমন কথা বলা হয়েছে বলে নিজের এক পোস্টে দাবি করেন তিনি।শরদ চৌধুরী তার পোস্টে লেখেন, নিজের ঘরে নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী নীরবে পূজা করতেও যদি বাধার মুখে পড়তে হয়, তাহলে সেই ঘরটিও সত্যিই নিজের কি না—এমন প্রশ্ন তৈরি হয়। তিনি জানান, এর আগে যে ভবনে ছিলেন সেখানে প্রায় ১৪ বছর ধরে পূজা করেছেন। ওই সময় ভবনে আলো লাগাতে দেওয়া না হলেও বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন। তবে বাড়িওয়ালা কখনো ঘরের ভেতরে পূজা করা নিয়ে আপত্তি করেননি।শরদ চৌধুরীর দাবি, বর্তমানে যে ফ্ল্যাটে থাকছেন সেখানে ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাসায় পূজা করা যাবে না। এ ঘটনায় নিজের হতাশা ও কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, তাদের পূজা কোনো সর্বজনীন আয়োজন নয়। সেখানে মাইক বাজানো হয় না, মানুষের ভিড় হয় না কিংবা অন্য বাসিন্দাদের চলাচলেও কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হয় না। নিজেদের ঘরের মধ্যে নীরবে নিজেদের মতো করেই তারা পূজা করেন।এমন পরিস্থিতিতে আপত্তির কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শরদ চৌধুরী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যদি ঘরের মধ্যে নীরবে পূজা করাতেও কারও অসুবিধা হয়, তাহলে সেই আপত্তি তাদের কোনো কাজের কারণে, নাকি তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে—তা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়।নিজের পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূজা তাদের কাছে কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়। এর সঙ্গে শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের ভালোবাসা এবং বছরের বিশেষ কিছু দিনের আনন্দ জড়িয়ে রয়েছে। সেই আনন্দটুকুও যখন নিজের ঘরের মধ্যে লুকিয়ে করতে হয়, তখন তার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।শরদ চৌধুরী বলেন, তারা কারও কাছ থেকে বিশেষ কোনো সুবিধা চাননি। শুধু নিজের ঘরে শান্তিপূর্ণভাবে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস পালন করার সুযোগ চেয়েছেন। নিজের ঘরের মধ্যেও সেই সামান্য জায়গাটুকু তাদের জন্য রাখা যায় কি না—এমন প্রশ্নও তুলে ধরেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তার প্রশ্ন, মানুষের মনে এমন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ কীভাবে তৈরি হয় যে পাশের ঘরের নীরব প্রার্থনাও সহ্য করা যায় না। একই ছাদের নিচে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে বসবাসের আহ্বান জানান তিনি।পোস্টের শেষদিকে শরদ চৌধুরী প্রশ্ন তোলেন, নিজের ঘরেও যদি নিজের বিশ্বাস নিয়ে ভয় পেতে হয়, তাহলে একজন মানুষ নিশ্চিন্ত হয়ে কোথায় দাঁড়াবেন। তার এই বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় স্বাধীনতা, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং ব্যক্তিগত পরিসরে ধর্ম পালনের অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
একই মন্ডপে ১৬০ প্রতিমায় রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনি

একই মন্ডপে ১৬০ প্রতিমায় রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনি

মণ্ডপে ঢুকলেই যেন খুলে যায় পৌরাণিক কাহিনির একেকটি পাতা। কোথাও পৌরাণিক যুদ্ধ, কোথাও বীরত্বের কাহিনি, আবার কোথাও তুলে ধরা হয়েছে দেব-দেবীর নানা গল্প। মণ্ডপজুড়ে এমন অসংখ্য কাহিনির সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে ১৬০টি প্রতিমা। ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি শিল্প ও পৌরাণিক গল্পের এই ব্যতিক্রমী মেলবন্ধন ঘটেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কবুতরখালী গ্রামের রাজমন্দিরে।ব্যতিক্রমী এই আয়োজন ঘিরে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কবুতরখালী গ্রামের রাজমন্দিরে চলছে দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আয়োজকদের দাবি, বরিশাল বিভাগের অন্যতম বড় দুর্গাপূজার আয়োজন হতে যাচ্ছে এবার রাজমন্দিরে। বিশাল প্রাঙ্গণজুড়ে তৈরি হচ্ছে প্যান্ডেল। সেখানে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হচ্ছে ১৬০টি প্রতিমা। এবারের মূল আকর্ষণ টেরাকোটা শিল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রামায়ণ এবং মহাভারতের অসংখ্য কাহিনি।টেরাকোটা মূলত পোড়ামাটির শিল্পকর্ম। বাংলার প্রাচীন মন্দির ও স্থাপত্যে পোড়ামাটির ফলক ও নকশার মাধ্যমে পৌরাণিক কাহিনি, লোকজ জীবন ও ঐতিহাসিক নানা ঘটনা তুলে ধরার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সেই শিল্পরীতির ভাবনাকেই এবারের দুর্গোৎসবের মূল থিম হিসেবে নিয়েছেন আয়োজকরা।মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালী ইউনিয়নের কবুতরখালী গ্রামের হালদার বাড়িতে এই আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে প্রায় ছয় মাস ধরে। প্রতিমা নির্মাণের কাজে যুক্ত ছিলেন প্রায় ২০ জন কারিগর ও শ্রমিক। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি চলছে প্যান্ডেল, আলপনা, আলোকসজ্জা ও মণ্ডপের অন্যান্য সাজসজ্জার কাজ।২০১০ সালে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই আয়োজন ২০১৬ সালে ৪৪টি প্রতিমা দিয়ে আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। ২০১৮ সালে প্রতিমার সংখ্যা বেড়ে ৪৫০-এ পৌঁছায়। এরপর প্রতিমার সংখ্যা কমিয়ে আনা হলেও প্রতিবছরই আয়োজনের সঙ্গে নতুন কোনো না কোনো বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। ১৬ বছর যাবৎ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই আয়োজন করে যাচ্ছে ডা. সুদীপ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী ডা. স্নিগ্ধা চক্রবর্তী নিজস্ব উদ্যোগে। ডা. সুদীপ কুমার হালদারের বাবার ইচ্ছে ছিল তার ছেলে এবং ছেলের স্ত্রী ডাক্তার হলে পূজার আয়োজন করবেন। বাবার ইচ্ছা থেকেই এই মহা আয়োজন।রাজমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা অর্থোপেডিকস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সুদীপ কুমার হালদার বলেন, বাবার ইচ্ছা থেকেই এই পূজার আয়োজন শুরু হয়। বাবা চেয়েছিলেন, ছেলের বউ চিকিৎসক হলে বাড়িতে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হবে। সেই ইচ্ছাকে কেন্দ্র করেই পূজার সূচনা। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এই পূজা চলে আসছে। শুরুতে পারিবারিক পরিসরে আয়োজন করা হলেও মানুষের ভালোবাসা ও আগ্রহে ধীরে ধীরে এর পরিসর বাড়তে থাকে।ডা. সুদীপ কুমার হালদার বলেন, এবারের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ টেরাকোটার কাজ। রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন কাহিনি ও চরিত্রকে এই শিল্পরীতির মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আমরা প্রতিবছরই নতুনত্ব আনার চেষ্টা করি। পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক নানা কার্যক্রমও থাকবে। আমরা দর্শনার্থীদের জন্য রেখেছি বুক কর্নার ও ব্রেস্টফিডিং কর্নার।পাশাপাশি রয়েছে ‘মানবতার দেওয়াল’, চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা, স্যানিটারি প্যাড বিতরণ এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার উদ্যোগ। মন্দির প্রাঙ্গণ ও আশপাশে দেশের গুণীজনদের ছবি এবং বিভিন্ন উপদেশমূলক বাণীও প্রদর্শন করা হচ্ছে।আয়োজকদের মতে, পূজাকে শুধু ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। পূজার পাঁচ দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়া বিদেশ থেকে দর্শনার্থীরা এই আয়োজন দেখতে আসেন বলে জানান আয়োজকরা। প্রতিবছর তিন থেকে চার লাখ মানুষ এই পূজায় আসে। এ বছরও চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ আগমনের প্রত্যাশা তাদের।রাজমন্দির কর্তৃপক্ষ ও সৈয়দ ফজলুল হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র গাইন বলেন, আমাদের এ বছর ব্যতিক্রম ধর্মীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে একটি মহা মিলনের স্থান হচ্ছে এই রাজমন্দির। এখানে লাখো লাখো ভক্তের উপস্থিতি হয় এবং মহা প্রসাদের ব্যবস্থা থাকে। গত বছরে নয়া দিল্লি, কোলকাতা, জাপান, চায়না, অ্যামেরিকা ও ইংল্যান্ড থেকে পর্যটকরা এখানে এসে এ মন্দির সম্পর্কে নোট বুকে মন্তব্য করে গেছেন। এজন্য আমরা ধন্য। আয়োজক আমার দাদা এবং বৌদির প্রতি কৃতার্থ।পূজা শুরুর প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছে মণ্ডপের প্রস্তুতির কাজ। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ২০ জন কারিগর ও শ্রমিক প্রতিমা তৈরি, মণ্ডপসজ্জা, আলপনা ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। এখন চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্ত। প্রতিমা ও মণ্ডপসজ্জার কাজ প্রায় শেষ করে উৎসবের অপেক্ষায় রয়েছেন আয়োজক ও কারিগররা।প্রতিমা নির্মাণশিল্পী উজ্জ্বল বিশ্বাস গুরু জানান, কয়েক মাস ধরে কাজ করে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শেষ করেছেন তারা। তার জানা মতে, এত বড় পরিসরে প্রতিমা ও পৌরাণিক কাহিনি উপস্থাপনের আয়োজন খুব কম জায়গাতেই হয়। তিনি বলেন, মন্দিরে দুই বছর ধরে কাজ করি। চার থেকে পাঁচ মাসের পরিশ্রমে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করেছি। এত বড় আয়োজন তার জানা মতে আর কোথাও হচ্ছে না। বড় এই আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত।পূজা শুরুর আগেই রাজমন্দিরের আয়োজন দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। শুধু পিরোজপুর নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও মানুষ ছুটে আসছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখতে। মণ্ডপজুড়ে প্রতিমা, টেরাকোটা শিল্পকর্ম ও সাজসজ্জার কাজ দেখতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের আগ্রহ।পাশের জেলা ঘুরতে আসা বরগুনা থেকে আসা তন্ময় মিত্র বলেন, পরিবার নিয়ে প্রতিবারই আসা হয়। এখন আসলাম আয়োজনটা ঘুরে দেখতে। এবারে এসে দেখলাম নতুন থিম। প্রতিবারের নতুনত্ব থাকে এখানে আয়োজনে। এবার টেরাকোটা শিল্পের মাধ্যমে মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনা সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এবারও পূজা শুরু হলে পরিবারকে নিয়ে আসব।এদিকে পিরোজপুরের সাত উপজেলায় এবার ৪৬২টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। পূজাকে ঘিরে জেলার প্রতিটি মণ্ডপে পৃথক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে জেলা পুলিশ। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান।আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এর আগেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজমন্দিরের কারিগর ও আয়োজকরা। ১৬০টি প্রতিমায় রামায়ণ-মহাভারতের পৌরাণিক কাহিনি, টেরাকোটা শিল্পরীতির নান্দনিক উপস্থাপন এবং নানা সামাজিক উদ্যোগ—সব মিলিয়ে মঠবাড়িয়ার রাজমন্দিরে এবারও তৈরি হচ্ছে ব্যতিক্রমী এক দুর্গোৎসবের আয়োজন।

১৬ ঘন্টা আগে
গণপতি চক্রবর্তী হত্যা মামলায় দুই আসামির ডিএনএ মিলল

গণপতি চক্রবর্তী হত্যা মামলায় দুই আসামির ডিএনএ মিলল

রংপুর মহানগরীর মাছুয়া পাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা কামড় দেওয়া খেজুর, শসা, সিগারেট ও খেজুরের বিচির নমুনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএর সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিআইডির পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী।রংপুর মহানগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুয়া পাড়ায় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে গত ২২ আগস্ট রাতে তাঁর পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুই দিন যোগাযোগ না হওয়া এবং বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর স্বজনেরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পুলিশ গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিপুলসংখ্যক আলামত সংগ্রহ করে। এর মধ্যে ছিল সিগারেটের অংশ, খেজুর, শসা, ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, বেসিনের দাগসহ অন্তত ৩৫ ধরনের আলামত। এসব আলামতের একটি অংশ ঢাকার সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়।তদন্তে উঠে আসে, হত্যাকাণ্ডের পরও মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস কিছু সময় গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে অবস্থান করেছিলেন। তারা সেখানে গোসল করেন এবং ঘরের ফ্রিজ থেকে খেজুর ও শসা বের করে খান। পরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও তদন্তে সামনে আসে।ঘটনাস্থলে পাওয়া কামড় দেওয়া শসা, খেজুর ও খেজুরের বিচি শুরু থেকেই তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আলামত ছিল। পাশাপাশি সেখানে পাওয়া সিগারেটের অংশসহ বিভিন্ন জৈব ও বস্তুগত নমুনাও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এসব আলামতের সঙ্গে তুলনা করা হয়।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় নেওয়া হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা হবে। পরীক্ষার ফলাফলে এখন ঘটনাস্থলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আলামতের সঙ্গে তাদের ডিএনএর মিল পাওয়ার তথ্য সামনে এসেছে।এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। পরে তদন্তকারীরা আসামিদের বক্তব্যের সঙ্গে ঘটনাস্থলের আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য ফরেনসিক তথ্য মিলিয়ে দেখার কাজ শুরু করেন।তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের আগে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের অবস্থান এবং সেখানে ইয়াবা সেবন নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পরে হত্যার পর বাড়ির ভেতরে তাদের অবস্থান, বিভিন্ন কক্ষ তছনছ এবং স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে যাওয়ার তথ্যও তদন্তে যুক্ত হয়।নতুন এই ডিএনএ মিল তদন্তকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ঘটনাস্থলে পাওয়া ও ব্যবহৃত খাদ্যদ্রব্য এবং ধূমপানের আলামতে দুই আসামির ডিএনএ পাওয়া যাওয়ায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্ভাব্য যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সূত্র পাওয়া গেছে।তবে তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু ডিএনএ পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না। আদালতে অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে ডিএনএ ফলাফলের পাশাপাশি আসামিদের জবানবন্দি, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের অন্যান্য আলামত, লুট হওয়া সম্পদ উদ্ধারের তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া অন্যান্য প্রমাণও বিবেচনা করা হবে।চারজনকে সপরিবারে হত্যার ঘটনায় শুরু থেকেই রংপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দেয়। হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবিও ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। নতুন ফরেনসিক তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এখন আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

১৬ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>শারদীয় দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির অনন্য বার্তা / </span>পাহাড়ে প্রতিটি দুর্গা মণ্ডপে পাহারায় থাকবে বিএনপি: সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রী জেরী'র

শারদীয় দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির অনন্য বার্তা / পাহাড়ে প্রতিটি দুর্গা মণ্ডপে পাহারায় থাকবে বিএনপি: সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রী জেরী'র

​সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে বান্দরবানের সকল পূজামণ্ডপে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরী জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকেরা যেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলা এবং দুটি পৌরসভার বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সনাতনীদের নিরাপত্তা রক্ষা ও উৎসবের সার্বিক সহযোগিতায় যেকোনো প্রয়োজনে বিএনপি নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে বলে জানান তিনি। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবাধিকার রক্ষায় বান্দরবানের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ধরনের প্রস্তুতি স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মাঝে আত্মবিশ্বাস ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে। সাচিং প্রু জেরীর এই আহ্বানের ফলে জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে পাহাড়ি-বাঙালি ও সকল জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতির এক চমৎকার পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে, যা পার্বত্য অঞ্চলের আবহমান সামাজিক সৌহার্দ্য ও সকল মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

১৭ ঘন্টা আগে
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপনি কি একাদশী থাকতে ভালোবাসেন।

আপনি কি একাদশী থাকতে ভালোবাসেন।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন
 সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

‘মোদি যেন ধরণীতে ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠার কল্কি অবতার’ / নরেন্দ্র মোদিকে 'বড় ভাই' ও 'বিষ্ণুর অবতার' আখ্যা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বরাজনীতির আঙিনায় নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে এবার এক অভূতপূর্ব ও শ্রদ্ধাপূর্ণ মন্তব্য ভেসে এলো প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটানের দরবার থেকে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে ভারত তথা সনাতন মূল্যবোধ ও প্রজ্ঞার যে অনন্য বিকাশ ঘটছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ভারতের রাষ্ট্রনেতাকে নিজের 'বড় ভাই' হিসেবে সম্বোধন করার পাশাপাশি তিনি মোদিকে হিন্দু শাস্ত্রীয় ভাবধারায় বিষ্ণুর শেষ অবতার 'কল্কি'-র সাথে তুলনা করেছেন। ধরণীতে বিশৃঙ্খলা দূর করে ধর্ম ও ন্যায়নীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার নিরিখে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই দূরদর্শী নেতৃত্বকে তিনি এক পবিত্র ঐশ্বরিক ভূমিকার মতো বলে মনে করেন।​রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির টানা ২৫ বছরের নিরবচ্ছিন্ন এবং বলিষ্ঠ সেবার প্রশংসা করতে গিয়ে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোদির নেতৃত্বে 'বিকশিত ভারত'-এর গুরুত্ব কেবল ভারতের ভৌগোলিক সীমানায় আবদ্ধ নয়, বরং তা বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ভ্রাতৃত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে মোদি সর্বদা এক সুদৃঢ় অগ্রাধিকার নীতি বজায় রেখেছেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেতাদের তালিকায় স্থান পাওয়া নরেন্দ্র মোদি যেভাবে 'গ্লোবাল সাউথ'-এর কণ্ঠস্বরকে বিশ্বমঞ্চে জোরালো করেছেন এবং আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি-২০ জোটের স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন, তারও বিশেষ উল্লেখ করেন শেরিং তোবগে। মোদির সাহস, প্রজ্ঞা ও গভীর মানবিক সহমর্মিতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন যে, বৈশ্বিক জটিলতার মাঝে মোদির গৃহীত পদক্ষেপ দক্ষিণ এশিয়াসহ সমগ্র বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক কল্যাণের পথকে সুগম করছে। ভারত-ভুটানের এই সুগভীর আত্মিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আগামী দিনেও গোটা অঞ্চলের সৌহার্দ্য রক্ষা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

পডকাস্ট

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

Minority Lawyers Unite Against Violence: Here's What They're Demanding

Minority Lawyers Unite Against Violence: Here's What They're Demanding

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || Hindus News || 12 ডিসেম্বর ২০২৬ ইং

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || Hindus News || 12 ডিসেম্বর ২০২৬ ইং

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || BRAKING || HINDU

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || BRAKING || HINDU

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || Hindus News || 18 জানুয়ারি ২০২৬ ইং

HindusNews এর দিনের প্রধান প্রধান অডিও সংবাদ || Hindus News || 18 জানুয়ারি ২০২৬ ইং

 সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

হিন্দুস নিউজের সংবাদ প্রকাশের পর শ্রাবণীর পাশে বিএম হাসপাতাল

মিরসরাইয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত শ্রাবণী ভৌমিকের চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বারইয়ারহাট বিএম হাসপাতাল। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে হিন্দুস নিউজে সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি বিভিন্ন মহলের নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শ্রাবণীর বাড়িতে গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রাবণীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিএম হাসপাতালে ভর্তি-সংক্রান্ত খরচ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাঁর চিকিৎসায় সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার শ্রাবণীর বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন বিএম হাসপাতালের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম মিয়াজী, ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ওসমান গনি, নির্বাহী পরিচালক আব্দুল গফুর, ফিন্যান্স ডিরেক্টর শিহাব হাজারী এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মো. মোশারফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।মিরসরাই উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পশ্চিম হিঙ্গুলী গ্রামের দত্ত বাড়ির শ্রাবণী ভৌমিক প্রায় দেড় বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে তাঁকে প্রায় ১৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা, ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়ে।শ্রাবণীর বাবা ১১ বছর আগে মারা গেছেন। তিন বোনের পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্যের সংকট থাকায় তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসার ধারাবাহিকতা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।এই পরিস্থিতিতে শ্রাবণীর চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে হিন্দুস নিউজে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর তাঁর অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সংকটের বিষয়টি আরও মানুষের নজরে আসে। এরপর বারইয়ারহাট বিএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি শ্রাবণীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতার ঘোষণা দেয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে শ্রাবণীর পরিবারের চিকিৎসা ব্যয়ের একটি অংশের চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।শ্রাবণীর পরিবার সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষদের তাঁর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।সহযোগিতার তথ্য: শ্রাবণী ভৌমিক — বিকাশ: ০১৮৫৩-৯৩৬৩২৪, নগদ: ০১৮৮০-৩৯১৪০০।

 সীতাকুণ্ডে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত হিন্দু নারীর হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার

পূজামণ্ডপ হোক ভক্তি,শৃঙ্খলা ও নিরাপদ আনন্দের স্থান। / দুর্গাপূজা:ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারায় শুদ্ধতার প্রত্যয়।

শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকঐতিহ্য, শিল্প-সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য সম্মিলন। দেবী দুর্গার মহিষাসুরবধের পৌরাণিক আখ্যানের মধ্য দিয়ে অশুভের ওপর শুভের বিজয়ের যে বার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে দুর্গাপূজা আজ কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি পরিণত হয়েছে মানুষের মিলন, সংস্কৃতিচর্চা, সৃজনশীলতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের বৃহৎ উৎসবে। বাংলার দুর্গোৎসবকে ধর্মীয় আচার, সামাজিক অনুশীলন, উৎসব ও পরিবেশনশিল্পের সমন্বিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।বাংলার দুর্গাপূজার ঐতিহ্য বহু শতাব্দীপ্রাচীন। একসময় জমিদার ও বনেদি পরিবারকেন্দ্রিক পূজার প্রচলন থাকলেও ক্রমে তা সর্বজনীন রূপ লাভ করে। আজ শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—বিভিন্ন অঞ্চলে সর্বজনীন দুর্গোৎসব মানুষের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এ উৎসব হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সম্প্রীতির অন্যতম মাধ্যম।দুর্গোৎসবের প্রতিটি পর্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের আবাহন, ষষ্ঠীর বোধন, সপ্তমীর নবপত্রিকা, অষ্টমীর অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা, নবমীর হোম-যজ্ঞ এবং দশমীর বিসর্জন—সব মিলিয়ে গড়ে উঠেছে একটি সুসংবদ্ধ আচারপরম্পরা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এসব আচার বাঙালির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শিল্প ও সংস্কৃতিদুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাংলার শিল্প-সংস্কৃতিরও বড় একটি ক্ষেত্র। মৃৎশিল্পীর হাতে খড়, মাটি, বাঁশ ও রঙের সমন্বয়ে প্রতিমা নির্মাণ থেকে শুরু করে মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জা, ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, আরতি, ধুনুচি নৃত্য, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবকিছু মিলেই পূর্ণতা পায় শারদীয় উৎসব।প্রতিমা নির্মাণ ও মণ্ডপসজ্জার সঙ্গে যুক্ত থাকেন অসংখ্য শিল্পী ও কারিগর। পাশাপাশি পরিবহন, আলোকসজ্জা, সাজসজ্জা, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দুর্গোৎসব স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলে। ফলে দুর্গাপূজা একদিকে যেমন ধর্মীয় উৎসব, অন্যদিকে তেমনি শিল্প, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।সময়ের সঙ্গে বদলেছে পূজার রূপসময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে দুর্গাপূজার আয়োজনেও এসেছে নানা পরিবর্তন। ঐতিহ্যবাহী পূজার পাশাপাশি এখন দেখা যায় থিমভিত্তিক মণ্ডপ, নান্দনিক আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব প্রতিমা, ডিজিটাল প্রচার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার এবং বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন।আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন চিন্তাধারা পূজাকে আরও বিস্তৃত মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তবে আধুনিকতার এই অগ্রযাত্রার সঙ্গে ঐতিহ্য, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সামাজিক দায়িত্ববোধের ভারসাম্য রক্ষা করাও জরুরি।পূজামণ্ডপ যেন কেবল বিনোদনের কেন্দ্র হয়ে না ওঠে; সেখানে ভক্তি, শালীনতা, নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধও সমানভাবে বজায় থাকতে হবে।‘মদ্যপান করে  মাতলামি’—উৎসবের সংস্কৃতি হতে পারে না ? দুর্গাপূজা আনন্দের উৎসব, কিন্তু সেই আনন্দ কখনোই উচ্ছৃঙ্খলতার পর্যায়ে যেতে পারে না। পূজামণ্ডপে মদ্যপান, মাতলামি, অশালীন আচরণ, মারামারি কিংবা উচ্চস্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি শারদীয় উৎসবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।পূজামণ্ডপে একই সঙ্গে নারী, শিশু, প্রবীণ, ভক্ত ও বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীর উপস্থিতি থাকে। সেখানে মদ্যপ অবস্থায় কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে শুধু পূজার পরিবেশই নষ্ট হয় না, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হতে পারে। তাই পূজামণ্ডপকে মাদক ও মদ্যপানমুক্ত রাখা এবং শালীন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।আনন্দ প্রকাশেরও একটি সংস্কৃতি রয়েছে। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, আরতি, ধুনুচি নৃত্য, ভক্তিগীতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা—এসবই হতে পারে উৎসবের নির্মল আনন্দের মাধ্যম। কিন্তু মদ্যপান করে মাতলামি, অশালীনতা কিংবা অন্যকে বিরক্ত করা কোনোভাবেই সেই আনন্দের অংশ হতে পারে না।নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।দুর্গাপূজার মতো বৃহৎ উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ দর্শনার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হয়।পূজামণ্ডপে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ নিরাপদ রাখা, শিশু ও নারীদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দেওয়া, অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা, বিদ্যুৎ সংযোগে সতর্কতা অবলম্বন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন।একই সঙ্গে শব্দদূষণ, অশালীন সাংস্কৃতিক আয়োজন, মাদক ও মদ্যপান, জুয়া কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে পূজা কমিটিগুলোকে কঠোর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।নিরাপদ পূজা নিশ্চিত করা কেবল প্রশাসনের দায়িত্ব নয়। পূজা কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক, ভক্ত, দর্শনার্থী এবং স্থানীয় জনগণ—সবার সম্মিলিত দায়িত্বেই একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব সম্ভব।পূজার মূল চেতনা ফিরে আসুক।দুর্গাপূজার প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু প্রতিমার উচ্চতা, মণ্ডপের চাকচিক্য কিংবা আলোকসজ্জার জৌলুসে নয়। এর প্রকৃত শক্তি নিহিত ভক্তি, মানবিকতা, সম্প্রীতি, সৌন্দর্যবোধ এবং অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধ জাগ্রত করার মধ্যে।দেবী দুর্গার আরাধনার মূল শিক্ষা—অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়। তাই পূজার আয়োজনেও সেই আদর্শের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। নিজের ভেতরের হিংসা, অহংকার, লোভ, অসহিষ্ণুতা ও অন্যায়কে পরাজিত করার মধ্য দিয়েই দুর্গোৎসবের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব।তাই পূজামণ্ডপ হোক প্রার্থনার স্থান, সংস্কৃতিচর্চার স্থান ও সামাজিক সম্প্রীতির স্থান। মদ্যপান ও মাতলামির পরিবর্তে থাকুক ঢাকের বাদ্য; অশালীনতার পরিবর্তে থাকুক শালীন সাংস্কৃতিক আয়োজন; বিশৃঙ্খলার পরিবর্তে থাকুক শৃঙ্খলা; বিভেদের পরিবর্তে থাকুক সম্প্রীতি।দুর্গাপূজা হোক শুধু দেবীর আরাধনা নয়—নিজের ভেতরের অসুরকে পরাজিত করারও অঙ্গীকার।সনাতন ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।পূজামণ্ডপ হোক পবিত্র, উৎসব হোক নিরাপদ, সমাজ হোক সম্প্রীতির।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
<span class='techtaranga_subtitle'>উদ্ধার হলো রেবন্ত, শিব ও চামুণ্ডার বিরল মূর্তি / </span>বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

উদ্ধার হলো রেবন্ত, শিব ও চামুণ্ডার বিরল মূর্তি / বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র অববাহিকা ও সীমান্ত অঞ্চলের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া হাজার বছরের প্রাচীন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অপরাপর সংস্কৃতির অমূল্য প্রত্নসম্পদ অবশেষে ঠাঁই পেল জাতীয় জাদুঘরের সুরক্ষিত হেফাজতে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১ বিজিবি, রাজশাহী ব্যাটালিয়ন)-এর দীর্ঘ প্রশাসনিক তৎপরতায় উদ্ধারকৃত একটি অতি দুর্লভ রেবন্ত মূর্তি, জৈন তীর্থংকর, অপরাজিতা, মহাকালী চামুণ্ডা, নটরাজ শিব ও বেশ কয়েকটি বিষ্ণুমূর্তিসহ মোট ২৬টি প্রাচীন ভাস্কর্য এবং ১ হাজার ৮১৮টি প্রাচীন ধাতব মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে জাতীয় জাদুঘরের ইতিহাস ও ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগে।​উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দিক থেকে সবচেয়ে বড় চমক বেলে পাথরের তৈরি সূর্যপুত্র 'রেবন্ত'-এর মূর্তিটি। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভাস্কর্যটি সপ্তম শতকের—যা এ অঞ্চলের প্রাচীন সনাতনী ভাস্কর্যশৈলী ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক বিরল দলিল। হিন্দু শাস্ত্র ও পৌরাণিক বর্ণনা মতে, রৈবত বা রেবন্ত হলেন সৌরদেবতা সূর্য ও তাঁর পত্নী সংজ্ঞার কনিষ্ঠ সন্তান। প্রাচীন বাংলা ও বিহারের মধ্যযুগীয় ধারায় ঘোড়ায় চড়া শিকারির বেশে তাঁর পূজার বিশেষ প্রচলন ছিল। সম্প্রতি হস্তান্তরিত এই সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনায় প্রত্ন-গবেষকরা জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের সনাতন ধর্মীয় ভাবধারা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত ছিল, তা এই ভাস্কর্যগুলোর মাধ্যমে আবারও দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে নবম-দশম শতকের জৈন তীর্থংকর, একাদশ-দ্বাদশ শতকের অপরাজিতা দেবী, বিক্রমশালী চামুণ্ডা, তাণ্ডবরূপী নটরাজ শিব, অক্ষত শিবলিঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রাচীন কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি রয়েছে। গোদাগাড়ী, বাঘা, চারঘাট ও কাটাখালীর মতো সীমান্তবর্তী নদীঘেঁষা এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় বিজিবির হাতে আটক হওয়া এসব নিদর্শন পাচারকারীদের হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে ব্যাটালিয়নে উপযুক্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় এবং জাতীয় সম্পদ বিনষ্টের ঝুঁকিতে পড়ায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত টানা ৯টি দাপ্তরিক চিঠি আদান-প্রদানের পর চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল পাঠায় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।​বিজিবি ও জাতীয় জাদুঘরের এই যৌথ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ঐতিহ্যপ্রেমীরা বলছেন, বাংলার প্রাচীন সনাতনী ও ধার্মিক ঐতিহ্যের এসব প্রত্নবস্তু রক্ষা করা শুধু ইতিহাস রক্ষা নয়, বরং এ দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের ভিত্তিকে সমৃদ্ধ করা। জাতীয় জাদুঘরের সংরক্ষণ রসায়নাগার বিভাগে প্রয়োজনীয় পরিচর্যা শেষ হলেই বিশেষ প্রদর্শনী ও গবেষণার জন্য এসব অমূল্য ঐতিহাসিক সম্পদ উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।