হিন্দুস নিউজ

সংগঠন

বাংলাদেশ সনাতন পার্টি - বিএসপি চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে রাষ্ট্রের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ সনাতন পার্টি - বিএসপি চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে রাষ্ট্রের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

গত  ০২ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি., শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি) চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে "বাংলাদেশে বসবাসরত সনাতনী সম্প্রদায়ের সার্বিক ঐক্য, জান-মালের নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক অধিকার বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রের করণীয়" শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী নারায়ণ মজুমদার এবং সঞ্চালনা করেন জেলা কমিটির অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক শ্রী নয়ন বিশ্বাংগ্রী।উক্ত মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -সু,মহান অতিথি: মেঘনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি শ্রী সজিব সিংহ (রুবেল)মান্যবর অতিথি: জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি শ্রী মিলন শর্মাপ্রধান বক্তা বিএসপি কেন্দ্রীয়  কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুমন কুমার রায় বিশেষ অতিথি:বিএসপি আন্তর্জাতিক শাখার সহ-সভাপতি শ্রী টমাস দেবনাথ,  সাধারণ সম্পাদক শ্রী জুয়েল দাশ জিতু, ফেনী জেলা সভাপতি শ্রী সুশান্ত শর্মা, কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা শ্রী প্রণবানন্দ মহারাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী সন্তোষ চন্দ্র দাশ, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী টনি মল্লিক, লক্ষ্মীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক শ্রী পিটন কর্মকার।মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রী মিঠুন নিলয় দাশ। চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সভাপতি শ্রী গৌরাঙ্গ প্রসাদ দে, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শ্রী সঞ্জয় চক্রবর্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী অজয় ভট্টাচার্য, সাংগঠনিক সম্পাদক পন্ডিত শ্রী শুভ ভট্টাচার্য তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাগর দাশ সহ চান্দগাঁও, চকবাজার, সদরঘাট, বন্দর, বাকলিয়া, কোতোয়ালী, আকবরশাহ সহ বিভিন্ন থানা ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সনাতনী সম্প্রদায় এদেশের মাটি ও সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সনাতনীদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সকল প্রকার সাম্প্রদায়িক হামলা ও বৈষম্য রোধ করা এবং সংবিধানে প্রদত্ত সম-অধিকার বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। বক্তারা সনাতনী সমাজের সার্বিক ঐক্য সুদৃঢ় করার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নিম্নোক্ত দাবি উত্থাপন করেন:   ১.সনাতন জাগরণ   জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মাচারীর দ্রুত মুক্তি ২. সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।৩. দুর্গাপূজা সহ সকল ধর্মীয় উৎসবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জোরদার করা।৪. সনাতনী সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন।পরিশেষে সভাপতি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সনাতনী ঐক্য গড়ে তুলতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের অভিষেক ও ধর্ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের শুভ অভিষেক, গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ এবং ধর্ম সম্মোলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) হল প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাগীশিকের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অতিথি ও গীতানুরাগীরা অংশ নেন।সকালে পার্থসারথি পূজার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমস্বরে গীতাপাঠ ও সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। অতিথিদের বরণ শেষে হয় শুভ উদ্বোধন। এরপর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালন করেন তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ ও চন্দনাইশ লোকনাথ-রামঠাকুর সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রী অজপানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা ও শিল্পপতি বাবুল ঘোষ বাবুন। আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা লায়ন দিলীপ কুমার শীল ও অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী।অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও নবগঠিত কমিটির সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি শ্রী ঝুন্টু চৌধুরী। সংবর্ধেয় অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক অরুণ মল্লিক। সত্য সনাতন টিভিপ্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শুভাশিস শর্মা। বিশেষ বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি দেশপ্রিয় চৌধুরী বিনয়। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি শ্রী প্রীতম চৌধুরী ও নির্বাহী সদস্য দেবাশীষ দত্ত ক্রেডিট।এ ছাড়া সমাজসেবক ও গীতানুরাগী ডা. রিটন নাথ, শ্রী উৎপল দত্ত, বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের সহসভাপতি শিবু প্রসাদ দাশ ও সাধারণ সম্পাদক বাসু চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের সভাপতি শ্রী পুলক কান্তি চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুজন মজুমদার।দুপুরে ধর্ম সম্মোলন ও গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষার বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে মধ্যাহ্নভোজ শেষে ক ও গ বিভাগের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিকেলে ভক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।অনুষ্ঠানে বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের নবগঠিত কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সিনিয়র সহসভাপতি সজল দাশ, শ্যামল বৈদ্য সবুজ ও প্রদীপ কান্তি চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিধান মিত্র, সহসাধারণ সম্পাদক শিমুল দাশ ও রুপক কান্তি ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিশন দত্ত সপু, অ্যাডভোকেট উৎপল দাশ ও সৌরভ দাশ বিজয়, অর্থ সম্পাদক বাবলু কুমার ঘোষ, সহঅর্থ সম্পাদক উৎপল চৌধুরী, হিসাব নিরীক্ষণ সম্পাদক অসীম বিশ্বাস টুটুল, দপ্তর সম্পাদক অভিজিৎ চৌধুরী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনিক দে, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নিমাই সিংহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুধামা দাশ সুজন, প্রচার সম্পাদক রুবেল দাশ, প্রকাশনা সম্পাদক বাবুল ধর, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব কুমার দাশ, মহিলা সম্পাদিকা লিপি তালুকদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন আইচ অমিত, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক রিটন নাথ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রানু মজুমদার এবং গীতা প্রশিক্ষণ সম্পাদক বিকাশ দত্তসহ অনেকে ছিলেন।এ ছাড়া লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, বাঁশখালী, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলা সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন সংসদের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।বক্তারা বলেন, গীতা ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষার চর্চা বাড়াতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নিয়মিত গীতাপাঠ ও নৈতিক শিক্ষার কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপরও তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।

বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের অভিষেক ও ধর্ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে মাতৃসম্মেলন সেমিনার অনুষ্ঠিত

রাউজানের উত্তর গুজরা হাড্ডিয়া পাড়া শ্রীশ্রী জ্বালাকুমারী মাতৃমন্দির প্রাঙ্গণে উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে সার্বজনীন শ্রীশ্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ‘মাতৃ আরাধনায় মাতৃ বরণ’ ও নারী সুরক্ষা বিষয়ক বিশেষ ধর্মীয় সেমিনার মাতৃসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব ও অন্যান্য দায়িত্বশীলদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেমিনার পরিচালনা করেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত।সেমিনারে বক্তারা বলেন, আদ্যাশক্তি মহামায়া দেবী দুর্গা যেমন দশ হাতে সৃষ্টিকে রক্ষা ও অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক, তেমনি নারীরাও পরিবার, সমাজ ও আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষা ও আলোর পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন মা তাঁর সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধের মাধ্যমে গড়ে তুললে সেই সন্তান ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও দেশকে আলোকিত করতে পারে।আলোচনায় শিক্ষা ও সুশিক্ষার পার্থক্য তুলে ধরে বলা হয়—শিক্ষা মানুষকে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করে। অন্যদিকে, সুশিক্ষা জ্ঞানের পাশাপাশি মানুষকে নৈতিকতা, সততা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়।বক্তারা বলেন, শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানী করে, আর সুশিক্ষা সেই জ্ঞানকে সঠিক পথে কাজে লাগিয়ে একজন ভালো, নৈতিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। নারী ও মায়েদের সুশিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও আলোচনায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে মাতৃসম্মেলন সেমিনার অনুষ্ঠিত

শিপা রানীর মৃত্যুতে গুজব ও অপপ্রচারে ইসকনের বিবৃতি

যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাঘুটপাড়া এলাকার শিপা রানী ঘোষের মর্মান্তিক মৃত্যু সংক্রান্ত ঘটনায় সমাজে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত গুজব ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ইসকন বাংলাদেশ স্পষ্ট করেছে যে, শিপা রানীর আত্মহত্যাজনিত এই হৃদয়বিদারক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অসাধু মহল থেকে নানা ধরনের অনুমানভিত্তিক বক্তব্য, ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং গুজব সোশ্যাল মিডিয়াসহ নানা মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, যার অধিকাংশেরই নিরপেক্ষ ও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সত্যতা যাচাই না করেই মনগড়া অভিযোগ উত্থাপন করা এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়বদ্ধ করার চেষ্টা অত্যন্ত হতাশাজনক যা কেবল সামাজিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় উত্তেজনা বৃদ্ধি করতেই ভূমিকা রাখে।​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সমাজ ও গণমাধ্যমে নিজস্ব অনুমানকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা কিংবা উসকানিমূলক মতামত ব্যক্ত করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। ইসকন বাংলাদেশ দেশের প্রচলিত আইনের শাসন, সঠিক বিচারব্যবস্থা এবং প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ নিরপেক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে যে, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যদি কোনো অপরাধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হয়, তবে প্রকৃত অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।​এর পাশাপাশি সংগঠনটি অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছে যে, অশুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা, দেশে সামাজিক ও সম্প্রদায়গত উত্তেজনা তৈরি করা এবং বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বানে ইসকন জানিয়েছে, যেকোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে অত্যন্ত ধৈর্য, সংযম এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো তথ্য, অডিও, ভিডিও কিংবা ছবি শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা, মনগড়া মন্তব্য না করা এবং কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অযাচিত ও প্রমাণহীন বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক তথ্য পাওয়া গেলে তা গণমাধ্যমে না ছড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানোর আহ্বান করা হয়েছে। মানুষের জীবনহানির এই ট্র্যাজেডিতে অহেতুক উত্তেজনা না ছড়িয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তে সর্বাত্মক সহায়তা করাই এখন সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজের প্রধান কর্তব্য।

শিপা রানীর মৃত্যুতে গুজব ও অপপ্রচারে ইসকনের বিবৃতি

মীরসরাইয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে গীতার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ

 নতুন প্রজন্মের মাঝে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও সনাতন ধর্মীয় জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা দান ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ গীতা পরিষদ, মীরসরাই উপজেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গীতা শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষার্থীদের হাতে ধর্মগ্রন্থ তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার (২ অক্টোবর) মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ এলাকার গোপীনাথপুর শিশু কিশোর গীতা শিক্ষা নিকেতনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে গীতা পরিষদের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সনাতনী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ গীতা শিক্ষা নিকেতনের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় গ্রামবাসী অংশ নেন।আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ গীতা পরিষদ ও শারজাহ্ গীতা সংঘের সহযোগিতায় এ গীতা দান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের হাতে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা তুলে দেওয়া হয়। শিশু-কিশোরদের নিয়মিত গীতা পাঠে আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি গীতার শিক্ষা তাদের দৈনন্দিন জীবনে ধারণ করার বিষয়ে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।ছবি:সংগৃহীতআয়োজকদের মতে, বর্তমান প্রজন্মকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বর্ণিত কর্ম, কর্তব্য, আত্মসংযম, জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের পরিচিত করে তুলতে গীতা শিক্ষা কেন্দ্রগুলো ভূমিকা রাখছে। সেই ধারাবাহিকতায় গোপীনাথপুর শিশু কিশোর গীতা শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষার্থীদের হাতে গীতা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।ছবি:সংগৃহীত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মীরসরাই উপজেলার সাবেক সভাপতি সুভাষ সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন গোপীনাথপুর শিশু কিশোর গীতা শিক্ষা নিকেতনের সভাপতি সুজিত সরকার, সাধারণ সম্পাদক রনি রায়, গোপীনাথপুর সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের মহিলা সম্পাদিকা প্রিয়াংকা দাশ এবং বাংলাদেশ গীতা পরিষদ, চট্টগ্রাম জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল দাশ।বাংলাদেশ গীতা পরিষদ, মীরসরাই উপজেলা কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপজেলা সভাপতি অসীম সেন, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় দাশ, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সজীব নাথ, অন্তু বৈদ্য, সেতু বণিক ও পার্থ দাশ।এ সময় গীতা শিক্ষা নিকেতনের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক এবং আশপাশের এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী গ্রামবাসীরাও উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের হাতে গীতা তুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে পুরো আয়োজন ধর্মীয় ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।সংশ্লিষ্টরা জানান, শিশু বয়স থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব ও মূল্যবোধ গঠনে সহায়ক হতে পারে। গীতা শিক্ষা নিকেতনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ ও এর শিক্ষা সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে শুধু ধর্মগ্রন্থ পাঠ নয়, গীতার মানবিক ও নৈতিক শিক্ষাকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর বিষয়েও শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।বাংলাদেশ গীতা পরিষদ মীরসরাই উপজেলা কমিটির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপস্থিত অভিভাবক ও স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, মীরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকার গীতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সনাতনী শিশু-কিশোরদের মধ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মগ্রন্থ বিতরণ এবং ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।আয়োজকদের পক্ষ থেকেও নতুন প্রজন্মের কাছে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শিক্ষা পৌঁছে দিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে গীতা শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।ছবি:সংগৃহীত

মীরসরাইয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে গীতার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বিতরণ

মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে অংশ নিলেন শোভা মল্লিক

শিক্ষা অর্জনের যে কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই, তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ৭৬ বছর বয়সী শোভা মল্লিক। চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬’-এ অংশ নিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। শুধু শোভা মল্লিক নন, ষাটোর্ধ্ব আরও কয়েকজন প্রবীণ পরীক্ষার্থীও অংশ নিয়েছেন এ পরীক্ষায়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত এ বৃত্তি পরীক্ষায় আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ২ হাজার ৫৮৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজকবৃন্দসনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, মীরসরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ পরীক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেন। পরীক্ষার জন্য মীরসরাই উপজেলার ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। কেন্দ্রগুলো হলো মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়, মীরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারহাট নজরআলী রুপজান উচ্চ বিদ্যালয়, বারৈয়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়।আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘ক’ ও ‘খ’ বিভাগে অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী পরীক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয় ‘গ’ বিভাগ। এই বিভাগে প্রবীণদের অংশগ্রহণ এবারের বৃত্তি পরীক্ষাকে বিশেষভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। তাঁদের মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী শোভা মল্লিকের অংশগ্রহণ ছিল অন্যতম আকর্ষণ। আয়োজকদের দাবি, তিনি এবারের পরীক্ষায় দেশের সর্বোচ্চ বয়সী পরীক্ষার্থী।শোভা মল্লিক ছাড়াও প্রবীণ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৪ বছর বয়সী ঝুনু দত্ত ও মঞ্জু দাস, ৬২ বছর বয়সী চন্দনা দত্ত এবং ৬১ বছর বয়সী বুকুল দে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। জীবনের প্রবীণ পর্যায়েও তাঁদের এ ধরনের জ্ঞানচর্চামূলক আয়োজনে অংশগ্রহণ উপস্থিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করে। তাঁদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে বয়স যে কোনো বাধা নয়, সেই বার্তাই উঠে এসেছে।ছবি:মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়।৭৬ বছর বয়সী পরিক্ষার্থী শোভা মল্লিক কেন্দ্রভিত্তিক প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৯২ জন, মীরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৮১ জন, জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৮৩ জন, সরকারহাট নজরআলী রুপজান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৪১ জন, বারৈয়ারহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৩৭ জন এবং করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণের জন্য তালিকাভুক্ত ছিলেন। ছয়টি কেন্দ্রের প্রকাশিত সংখ্যার যোগফল দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৮৬ জন। তবে আয়োজকদের দেওয়া মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৫৮৭ জন হওয়ায় এ ক্ষেত্রে একজনের পার্থক্য রয়েছে।পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শন ও আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মীরসরাই পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি বাবু সুভাষ সরকার, মীরসরাই পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অনির্বাণ চৌধুরী রাজীব, মীরসরাই সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি সোহাগ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল চৌধুরী এবং সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-মানবাধিকার সম্পাদক মুন মহাজন। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রিপন গোপ পিন্টু। এ সময় আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও উপস্থিত থেকে পরীক্ষার কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ছয়টি কেন্দ্রেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে প্রবীণ পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল আলোচনার অন্যতম বিষয়। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রবীণদের অংশগ্রহণ প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞানচর্চার আগ্রহ, ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চাকে উৎসাহিত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।পরিক্ষার হল পরিদর্শনে SVS কেন্দ্রীয় কমিটিআয়োজকদের মতে, নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চায় আগ্রহ সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বয়সী মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ আয়োজনের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে।মীরসরাইয়ের ছয়টি কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণকে স্থানীয় সনাতনী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের ব্যাপক সম্পৃক্ততার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন আয়োজকেরা। বিশেষ করে ৭৬ বছর বয়সী শোভা মল্লিকসহ প্রবীণ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবারের ‘বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬’-কে একটি ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত করেছে।

মীরসরাইয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় ২,৫৮৭ পরীক্ষার্থী, ৭৬ বছর বয়সে অংশ নিলেন শোভা মল্লিক

ইব্রাহিমের ২২ বছরের কারাবাস: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হিন্দু মহাজোটের রিট, হাইকোর্টের রুল

খালাসের আদেশ পাওয়ার পরও দীর্ঘ প্রায় আট বছর কারাগারে আটক থাকা খুলনার বটিয়াঘাটার ইব্রাহিম আলী শেখের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। তাঁর দীর্ঘ কারাবাসের জন্য পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, পূর্ণ পুনর্বাসন, বাসস্থান ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট করেছে সংগঠনটি। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ইব্রাহিমকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের পক্ষে রিটটি দায়ের করেন সংগঠনটির মহাসচিব ও আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুহাম্মদ হাসান শহীদ কামরুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।খালাসের পরও আট বছর কারাগারেরিটের তথ্য অনুযায়ী, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ইব্রাহিম আলী শেখ পেশায় একজন নৈশপ্রহরী ছিলেন। ২০০৩ সালে রাতের পাহারা শেষে সকালে বাড়ি ফেরার পথে হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় নিজের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করার সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। পরবর্তীতে একটি মামলায় বিচারিক আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য একটি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৭ সালের ২০ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগ ইব্রাহিম আলী শেখকে মৃত্যুদণ্ডের মামলা থেকে খালাস দেন। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অন্য মামলাতেও তাঁকে খালাস দেওয়া হয়।কিন্তু হাইকোর্টের খালাসের আদেশ যথাসময়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়নি। ফলে আদালতের আদেশে খালাস পাওয়ার পরও তাঁকে প্রায় আরও আট বছর কারাগারে থাকতে হয়।ইব্রাহিমের দুর্দশা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পাশে দাঁড়ায় হিন্দু মহাজোটদীর্ঘ ২২ বছর কারাবন্দি থাকার সময়ে ইব্রাহিম আলী শেখ হারিয়েছেন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারাগারে থাকাকালীন তাঁর মা মারা যান। তাঁর স্ত্রীও পরবর্তীতে অন্যত্র চলে যান। দীর্ঘ কারাবাসের প্রভাবে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।কারাগার থেকে মুক্তির পরও চরম দারিদ্র্য ও আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তাঁর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।ইব্রাহিম আলী শেখের এই করুণ পরিস্থিতির বিষয়টি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট বিষয়টি মানবিক ও জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। এরপর তাঁর অধিকার ও ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সংগঠনটি।গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের উদ্যোগে জনস্বার্থে রিটইব্রাহিমের দুর্ভোগের বিষয়টি আদালতের নজরে আনতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের পক্ষে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক জনস্বার্থে রিট আবেদন করেন।রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, হাইকোর্টের খালাসের আদেশের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে এবং তা কার্যকর করতে প্রায় আট বছর সময় লাগা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুতর অবহেলার ঘটনা। এর ফলে ইব্রাহিমকে তাঁর আইনগত মুক্তির অধিকার থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হয়েছে।গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের করা রিটে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এই ব্যর্থতাকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে ইব্রাহিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা নির্ধারণের জন্যও আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিরিটে বলা হয়েছে, দীর্ঘায়িত আটকাদেশের কারণে ইব্রাহিম আলী শেখ তাঁর স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত মর্যাদা ও জীবিকার যে ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তার জন্য তাঁকে পাঁচ কোটি টাকা অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করেন এমন দৃষ্টান্তমূলক পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চাওয়া হয়েছে।এ ছাড়া ইব্রাহিমের পূর্ণ পুনর্বাসন, স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।হাইকোর্টের রুলপ্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, আদালতের খালাসের আদেশ কার্যকর করতে ব্যর্থ হয়ে ইব্রাহিম আলী শেখকে দীর্ঘ সময় কারাগারে রাখার ঘটনাকে কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না এবং তাঁর মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের জন্য কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না।এ ঘটনায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবির পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের করা জনস্বার্থের রিটটি এখন আইনি প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।উল্লেখ্য, হাইকোর্টের রুল জারি করা চূড়ান্ত ক্ষতিপূরণের আদেশ নয়। রুলের জবাব ও পরবর্তী শুনানির পর আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

ইব্রাহিমের ২২ বছরের কারাবাস: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হিন্দু মহাজোটের রিট, হাইকোর্টের রুল

নবগঠিত এসএমসি’র পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজানে দক্ষিণ রাউজান পূর্ব নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি)’র পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত এসএমসি’র সভাপতি সমীর চন্দ্র দে। সভা সঞ্চালনা করেন সুজন দাশ।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সীমা রাণী সেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাউজান উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি লিটন মহাজন লিটু।স্বাগত বক্তব্য রাখেন পূর্ব নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুপ্তা বড়ুয়া।এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গরীবুল্লাহ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহজাহান, ১৪ নং বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি  সদস্য সঞ্চিতা দত্ত এবং বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা সুজিত দাশ।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিল্পী রাণী চৌধুরী, শিপ্রা আচার্য্য, এ্যানি চৌধুরী ও নার্গিস আকতার, গশ্চি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অজিত দে, শিক্ষক বাবলু দেব রায়, এবং অভিভাবক সদস্য মিজানুর রহমান।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় নবগঠিত এসএমসি’র সদস্যদের পরিচিতি, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবগঠিত এসএমসি’র পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

হাতিয়ায় জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের নোয়াখালী জেলা শাখার আওতাধীন হাতিয়া উপজেলা শাখার ৪৪ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদিত এ কমিটিতে বাসুদেব দাসকে সভাপতি এবং লিটন দাসকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবগঠিত কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে হাতিয়া উপজেলায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্ব।কমিটি অনুমোদনের পর বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে গৈরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের সফল নেতৃত্ব, সাংগঠনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়েছে।নবনির্বাচিত সভাপতি বাসুদেব দাস বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আমি সংগঠনের প্রতি দায়িত্ব ও আস্থার জায়গা থেকে পালন করতে চাই। হাতিয়া উপজেলায় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে সকল নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক লিটন দাস বলেন, “সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ। হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সমন্বয় করে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা থাকবে। তরুণদের সম্পৃক্ত করে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আমরা কাজ করতে চাই।”নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, সংগঠনের ঘোষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও ঐক্যের মাধ্যমে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদিত এ কমিটির মাধ্যমে হাতিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও সক্রিয় হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

হাতিয়ায় জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু

রাঙ্গামাটিতে জাগো হিন্দু পরিষদের অভিষেক ও বস্ত্র-শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

জাগো হিন্দু পরিষদ (JHP) রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে নবাগত কমিটির অভিষেক, পৌর কমিটির সম্মেলন এবং আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্ত ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানটি আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্সে অনুষ্ঠিত হবে।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব দীপন তালুকদার (দীপু)।আয়োজক সংগঠন থেকে জানানো হয়েছে, একটি কুচক্রকারি মহল অনুষ্ঠানকে ব্যর্থ করার করার জন্য উঠে পরে লেগেছে তারা অতীত ও করেছে সফল হয়নি, আশা করি এখনো সফল হবে না! "মানবসেবাই পরম ধর্ম - সনাতন সংস্কৃতির জন্য একত্রিত হই"— এই ভাবধারাকে সামনে রেখে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে রাঙ্গামাটি জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং সংগঠনের সর্বস্তরের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাঙ্গামাটিতে জাগো হিন্দু পরিষদের অভিষেক ও বস্ত্র-শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

ঋতস্বর কর্তৃক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে ঋতস্বর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্যোগে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সুবর্ণা গুপ্ত এবং ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী বিথি রায়। তাঁদের সাবলীল ও প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আরও আনন্দময় ও উপভোগ্য।অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঋতস্বরের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাকিল বিশ্বাস ও লিখন সরকার। তাঁরা নবীন শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য নবীন শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানান। তাঁদের প্রাণবন্ত ও আন্তরিক বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে এবং নবীনদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিন্দ্য শুভ্র। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরের সভাপতি হৃদয় দাস এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ঋতস্বরের সদস্যবৃন্দ।নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঋতস্বর কর্তৃক প্রকাশিত ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘অরিত্রিকা’ এবং ধর্মীয় গ্রন্থ। এর মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন পথচলায় জানানো হয় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।নবীনদের স্বাগত জানানো, মতবিনিময় ও প্রাণবন্ত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক-এই প্রত্যাশা।

ঋতস্বর কর্তৃক বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতনী শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান

অনন্তপুর হরি ঠাকুর দেব মন্দির দুর্গোৎসব কমিটিতে জয় শর্মা সাংগঠনিক সম্পাদক

অনন্তপুর শ্রী শ্রী হরি ঠাকুর দেব মন্দির দুর্গা উৎসব কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জয় শর্মা। তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে দুর্গোৎসব সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ, পরশুরাম উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।এ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ, পরশুরাম উপজেলা শাখার সভাপতি জিশু শর্মা বলেন, “জয় শর্মার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তিতে আমরা আনন্দিত। দুর্গোৎসব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে তাঁর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রশংসনীয়। আশা করি, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।”উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হৃদয় শর্মা বলেন, “ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে দক্ষ ও দায়িত্বশীল সংগঠকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জয় শর্মার নতুন দায়িত্ব তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা আরও বিকশিত করার সুযোগ তৈরি করবে। তাঁর আগামী দিনের সফলতা কামনা করছি।”অন্যদিকে, নবনিযুক্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জয় শর্মা বলেন, “আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দুর্গোৎসব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে যারা সহযোগিতা করেছেন, সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ। নতুন দায়িত্বে সবার সহযোগিতা নিয়ে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করব।”এ সময় বাংলাদেশ সনাতন ছাত্র মহাসংঘ, পরশুরাম উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে জয় শর্মার নতুন দায়িত্বের সফলতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি অনন্তপুর শ্রী শ্রী হরি ঠাকুর দেব মন্দির দুর্গোৎসব সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অনন্তপুর হরি ঠাকুর দেব মন্দির দুর্গোৎসব কমিটিতে জয় শর্মা সাংগঠনিক সম্পাদক

রাউজানে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

“জ্ঞান, শিক্ষা ও ধর্মীয় চেতনার নৈতিকতার আলোয় এগিয়ে যাক আমাদের আগামী প্রজন্ম”—এই প্রত্যয়ে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ (এসবিএস), চট্টগ্রাম উত্তর জেলার উদ্যোগে রাউজান শাখায় ‘বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাউজান সরকারি কলেজ ও নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় তৃতীয় শ্রেণি থেকে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, এবারের পরীক্ষায় শুধু হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষার সময় ছিল ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।রাউজানের দুটি কেন্দ্রে এ বছর মোট প্রায় ২ হাজারের অধিক  শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। প্রধান পরীক্ষক শিক্ষক সুজন দাশ ও শিখা রাণী দে-এর তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করেন।পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রাউজান সরকারি কলেজের প্রভাষক দীপেন দাশ ও নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মোহাম্মদ জানে আলম, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি শ্রীমান দাশ শুভ, শান্তু বণিক, শানু কুমার দে ও আকাশ মজুমদারসহ সংশ্লিষ্টরা।এ বিষয়ে বিদ্যার্থী বৃত্তি ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বলেন, “আমরা চাই মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন পাক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হবে।”পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসু পালিত ও সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত, পৌর কমিটির সভাপতি সুদীপ দে, দীপ্ত চৌধুরী, বিপ্লব চৌধুরী, টিটু দাশ, এসবিএস রাউজান শাখার সভাপতি রাখাশ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক পুষ্পক রায়।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাপ্পা কুমার দাশ, বিনায়ক দে, প্রসঞ্জিত দে, পার্থ দে, বিজয় দে, লিটন শর্মা, ভোমর দাশ, অমর কৃষ্ণ দাশ, নিলয় ভট্টাচার্য, হিমাদ্রি পাল ইমন ও পাভেল চৌধুরীসহ রাউজান উপজেলা শাখার উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের সকল সদস্য।আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করাই এ বৃত্তি পরীক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মকে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

রাউজানে বিদ্যার্থী বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

নার্সিং শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে ১১৭ সদস্যের সম্মিলিত নার্সিং ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন ও প্রকাশ করা হয়েছে।মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের কেন্দ্রীয় নার্সিং শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী এক (১) বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অভিজিৎ রায় প্রিতম এবং সাধারণ সম্পাদক রাজীব চন্দ্র সাহা’র স্বাক্ষরে।।প্রকাশিত কমিটিতে কল্যাণ বিশ্বাসকে সভাপতি, প্রিয়া হালদারকে নির্বাহী সভাপতি এবং হর্ষিত বড়ুয়াকে সিনিয়র সহ-সভাপতি করা হয়েছে। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে পায়েল হালদার, মিমি দত্ত, শান্ত বাড়ৈ, কবিতা রাণী দাস, রুদ্র সমাদ্দার ও পিংকি হালদারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নার্সিং শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।কমিটিতে কাব্য দাস জয়কে সাধারণ সম্পাদক, রিনতা ভট্টকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বন্যা হালদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সৌরভ হালদারকে সাংগঠনিক সম্পাদক, সজল বিশ্বাসকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তৃষ্ণা দাসকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নবগঠিত কমিটির সদস্যরা দেশের বিভিন্ন নার্সিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। এর ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত হিন্দু নার্সিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সাংগঠনিক সমন্বয়, নেতৃত্বের বিকাশ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জানান, নার্সিং শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা ও মানবসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাই তাদের শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সাংগঠনিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।তারা আরও বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে নার্সিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত ১১৭ সদস্যের কমিটি দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নার্সিং শিক্ষার্থীদের একটি সুসংগঠিত, মানবিক ও দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।

নার্সিং শিক্ষার্থীদের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের নতুন উদ্যোগ

জন্মাষ্টমী মিছিলে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ চিত্রায়ন: ৪র্থ স্থান অর্জন করায় ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘকে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সম্মাননা

মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব–২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলে মহাভারতের কালজয়ী ও তাৎপর্যপূর্ণ পর্ব ‘দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ’-এর অত্যন্ত জীবন্ত, দৃষ্টিনন্দন ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ চিত্রায়ন পরিবেশন করে ৪র্থ স্থান অধিকার করেছে ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন ‘ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘ’। ঐতিহাসিক এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় সংগঠনটির শিল্পীদের নিখুঁত অভিনয়, নান্দনিক সাজসজ্জা এবং সুনির্দিষ্ট নিয়মশৃঙ্খলার বিশেষ স্বীকৃতিস্বরূপ মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়েছে।এই স্মরণীয় সাফল্য উপলক্ষে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি-র পক্ষ থেকে ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ, উদযাপন কমিটির সদস্য, কলাকুশলী ও ভক্তবৃন্দের প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা। পূজা কমিটির প্রতিনিধিরা জানান, মিছিলে শাস্ত্রীয় ঘটনার এমন সুশৃঙ্খল ও জীবন্ত উপস্থাপন বৈদিক মূল্যবোধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভগবানের অভয়বাণীকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, যা উপস্থিত লাখো ভক্তকে মুগ্ধ ও ভাবালুত করেছে।সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ জানান, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অমূল্য আদর্শ, সনাতন ধর্মীয় মূল্যবোধ ও হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির চেতনাকে ধারণ করে সমাজকল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার পথচলায় এই অর্জন এক বিশাল প্রেরণা। মহাভারতের নীতিশিক্ষা ও ধর্মের জয়ের বার্তা হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই চিত্রায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।তাাঁরা আরও ব্যক্ত করেন যে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করে এবং ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বার্তাকে পাথেয় করে ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘ আগামী দিনগুলোতেও সনাতন সংস্কৃতির বিকাশ, মানবিক সেবা ও সামাজিক উন্নয়নে নিজেদের নিবেদিত রাখবে। কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী শোভাযাত্রার মতো বৃহৎ জাতীয় আয়োজনে ভবিষ্যতেও এমন দৃষ্টিনন্দন ও অর্থবহ অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন সংগঠনটির কর্মীরা।

জন্মাষ্টমী মিছিলে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ চিত্রায়ন: ৪র্থ স্থান অর্জন করায় ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘকে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সম্মাননা

কক্সবাজারের উখিয়ায় গীতা ক্লাস পরিদর্শন করেন বাগীশিক সভাপতি বেবী প্রভা দে

কক্সবাজারের উখিয়ায় মহাকাল ভৈরব মন্দির পরিচালিত গীতা শিক্ষা নিকেতনের নিয়মিত গীতা ক্লাস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)-এর উখিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট শিক্ষিকা শ্রীমতি বেবী প্রভা দে।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ পরিদর্শনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি শিক্ষার্থীদের গীতা পাঠ শোনেন এবং শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গীতা শিক্ষা, সনাতনী মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন শ্রীমতি বেবী প্রভা দে। তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের চর্চা গড়ে ওঠে। তাই নিয়মিত গীতা পাঠের পাশাপাশি এর শিক্ষা ও আদর্শ নিজেদের জীবনাচরণে ধারণ করতে হবে।তিনি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে পাঠ গ্রহণ এবং নিয়মিত গীতা ক্লাসে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গীতার শিক্ষাকে দৈনন্দিন জীবনে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া মহাকাল ভৈরব মন্দির গীতা শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষক সজিব কান্তি দে ও সৌরভ দাশ। তাঁদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ক্লাসে নিকেতনের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নেয় এবং গীতা পাঠ করে।পরিদর্শনকালে অতিথিবৃন্দ নিকেতনের পাঠদান কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থেকে গীতা পাঠ ও ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।পরিদর্শন শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও মনোযোগ সহকারে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সনাতনী মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার চর্চার মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সমৃদ্ধ করার পরামর্শ দেন।

কক্সবাজারের উখিয়ায় গীতা ক্লাস পরিদর্শন করেন  বাগীশিক সভাপতি বেবী প্রভা দে