হিন্দুস নিউজ

বিনোদন

প্রথমবার ভারতের মাটিতে গাইবে বাংলাদেশের সনাতনী ব্যান্ড ‘প্রণাম’

প্রথমবার ভারতের মাটিতে গাইবে বাংলাদেশের সনাতনী ব্যান্ড ‘প্রণাম’

বাংলাদেশের সনাতনী সংগীতাঙ্গনে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে সনাতনী মিউজিক ব্যান্ড ‘প্রণাম’ (Pranam)। প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে সংগীত পরিবেশন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সনাতনী ব্যান্ড হিসেবে পরিচিত এই দলটি। আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়িতে মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবে ব্যান্ডটি।শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে বঙ্গীয় হিন্দু মহামঞ্চ। আয়োজকদের প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, মহালয়ার এই বিশেষ অনুষ্ঠানে সনাতনী সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতাদের সামনে নিজেদের সংগীতচর্চা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরবে ‘প্রণাম’।সনাতন ধর্মীয় ভাবধারা, ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা এবং ঐতিহ্যবাহী সংগীতকে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র ও ব্যান্ডসংগীতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ‘প্রণাম’। ২০১৫ সাল থেকে পথচলা শুরু করা এই ব্যান্ডটি সনাতনী সংগীতকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপনের মাধ্যমে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।এবার দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগীত পরিবেশনের সুযোগ পাওয়াকে ব্যান্ডটির সাংস্কৃতিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।মহালয়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ধর্মীয় উপলক্ষ। দেবীপক্ষের সূচনা এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের আবহকে কেন্দ্র করে দুই বাংলাতেই বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এমন একটি উপলক্ষকে সামনে রেখে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের সনাতনী ব্যান্ডের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।বাংলাদেশের সনাতনী সংগীতকে দেশের বাইরের শ্রোতাদের কাছে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি ভক্তিমূলক সংগীতের মাধ্যমে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরিরও একটি সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে।ব্যান্ডটির ভারত সফরকে শুধু একটি সংগীত পরিবেশনা হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের সনাতনী সংস্কৃতি, ভক্তি ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে।আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে সনাতনী মিউজিক ব্যান্ড ‘প্রণাম’।বাংলাদেশের সনাতনী সংগীতচর্চার এই আন্তর্জাতিক যাত্রা আগামী দিনে আরও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংগীতপ্রেমীদের।

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ার ডোনা পাওলায় নিজের বাড়িতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।জানা গেছে, ভোরে গোয়ার বাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় নানা পাটেকরকে। পরে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। মণিপাল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শেখর সালকার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানান, দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা চললেও তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হয়নি।প্রাথমিকভাবে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মেডিকো-লিগ্যাল কেস বা এমএলসি করা হয়েছে এবং তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে চিকিৎসক সূত্রে জানানো হয়েছে।নানা পাটেকর ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র অভিনয়শিল্পী। হিন্দি ও মারাঠি—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি নিজের অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭৮ সালে মুজফফর আলির ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর অভিনয়জীবনের সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে ‘অঙ্কুশ’, ‘পারিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘প্রহার’, ‘তিরঙ্গা’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘ওয়েলকাম’সহ বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তিনি।অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে নানা পাটেকর একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ‘ক্রান্তিবীর’। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনাতেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। তাঁর পরিচালিত ‘প্রহার’ চলচ্চিত্রটি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল।ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে নানা পাটেকরকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর অভিনয়ের ধরন, সংলাপ উপস্থাপন এবং শক্তিশালী পর্দা উপস্থিতি তাঁকে সমসাময়িক অভিনেতাদের মধ্যে আলাদা অবস্থান তৈরি করে দিয়েছিল। জীবনের শেষ সময় পর্যন্তও চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় অভিনেতাকে হারিয়ে শোকাহত তাঁর অসংখ্য ভক্ত ও সহকর্মীরা। ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন ও স্মরণীয় অভিনয় আগামী দিনেও দর্শকদের কাছে তাঁকে স্মরণীয় করে রাখবে।

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

‘বড়লোকের বেটি লো’ গান বিকৃতি: এবার সাইবার ক্রাইমে পদ্মশ্রী রতন

​বাংলার লোকসংগীত ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ওপর ক্রমাগত সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বিকৃতি রোধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত প্রবীণ লোকশিল্পী রতন কাহার। বহুশ্রুত ও কালজয়ী লোকসংগীত ‘বড়লোকের বেটি লো’ গানটি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার এবং মূল স্রষ্টার নাম বাদ দিয়ে কৃতিত্ব চুরির অভিযোগে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বীরভূমের সিউড়ির এই গুণী শিল্পী তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মের সুরক্ষা ও নিজের অধিকার রক্ষায় সাইবার ক্রাইম সেলের দ্বারে উপস্থিত হয়েছেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে ভাদু গানের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু করা এই শিল্পী ১৯৭২ সালে গানটি রচনা ও সুরারোপ করেন, যা পরবর্তীতে স্বপ্না চৌধুরীর কণ্ঠে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি বিশেষ পেজ থেকে গানটির সুর ও কথা বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে, যেখানে মূল রচয়িতা হিসেবে রতন কাহারের নামটি সম্পূর্ণ গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিল্পীর ছেলে দেবাশিস কাহার জানান যে, লোকশিল্পীদের বছরের পর বছর ধরে সৃষ্টিশীল কাজের সঠিক মর্যাদা না দেওয়া এবং তাঁদের অবমূল্যায়ন করার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি। ইতিপূর্বেও ২০২০ সালে বলিউডের এক র‍্যাপারের মাধ্যমে গানটির অপব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তৈরি হলে তীব্র প্রতিবাদ উঠেছিল, যা পরবর্তীকালে সেই র‍্যাপারের প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে নিষ্পত্তি পায়। তবে বারবার ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প ও প্রান্তিক শিল্পীদের অধিকার হরণের এই অপচেষ্টা কেবল একজন শিল্পীর ওপর আঘাত নয়, বরং সমগ্র বাংলা ও সনাতনী লোকসংস্কৃতির ওপর অন্যায্য হস্তক্ষেপ। সম্মান ও পদ্মশ্রী স্বীকৃতি পাওয়ার পরও আর্থিক অনটনের সঙ্গে লড়াই করা এই প্রবীণ শিল্পীর আইনি লড়াই এখন দেশের সর্বস্তরের অধিকার সচেতন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

‘বড়লোকের বেটি লো’ গান বিকৃতি: এবার সাইবার ক্রাইমে পদ্মশ্রী রতন

হিন্দু পাত্র কৃষের সঙ্গে বাগদান সারলেন ইমতিয়াজ-কন্যা ইদা

বলিউডের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা ইমতিয়াজ আলির পরিবারে এখন উৎসবের আমেজ। কন্যা ইদা আলির জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর সুসংবাদে অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে বইছে আনন্দের ধারা। নরওয়ের নির্জন ও মনোরম সমুদ্রসৈকতে আংটি বদলের পর এবার ভারতের মুম্বইয়ে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ পরিজনদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান পর্ব সম্পন্ন করেছেন ইদা আলি। বর ভারতীয় বংশোদ্ভূত কৃষ আগরওয়াল। সম্প্রীতি ও উদার সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু পরিবারের বউমা হতে যাচ্ছেন মুসলিম পরিবারের এই কন্যা।​বাগদানের বিশেষ দিনটিতে নবদম্পতির রূপ ছিল চোখে পড়ার মতো। বেবি পিঙ্ক রঙের ঐতিহ্যবাহী শাড়িতে ইদা যেমন রূপসী হয়ে উঠেছিলেন, তেমনই কালো শেরওয়ানিতে কৃষের উপস্থিতি কেড়ে নিয়েছে সবার দৃষ্টি। বিদেশি পরিবেশ থেকে এসে একেবারে দেশি পোশাকে ধরা দিয়ে যেন পূর্ণাঙ্গ 'দেশি মুণ্ডা' রূপে আত্মপ্রকাশ করেছেন কৃষ। হাস্যোজ্জ্বল মুখে একে অপরকে আংটি পরিয়ে উপস্থিত বড়দের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন এই যুগল। গত জুলাই মাসে পাহাড় ও সমুদ্রে ঘেরা প্রাকৃতিকভাবে রূপময় পরিবেশে হাঁটুমুড়ে বসে ইদাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন কৃষ। সেই আবেগঘন মুহূর্তে প্রিয়তমার হাত ধরে নিজের কপালে ছোঁয়ানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া ফেলেছিল। (News copied from- 'হিন্দুস NEWS') দীর্ঘদিনের ভালোবাসাকে এবার পরিণতি দিয়ে মুম্বইয়ের আয়োজনে শুভ পরিণয়ের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করলেন তারা।​মেয়ের জীবনের এই বিশেষ ও সুখকর মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নিয়েছেন স্বয়ং ইমতিয়াজ আলি। ২২ সেপ্টেম্বর বাগদানের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি সকল অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে নবদম্পতির জন্য আশীর্বাদ ও শুভকামনা প্রার্থনা করেছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক সীমানা পেরিয়ে দুই তরুণ-তরুণীর এই মেলবন্ধনকে বিনোদন জগত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ইতিবাচক ও আনন্দঘন দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করেছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ভালোবাসার এই সুন্দর জয়গানকে ভক্তরা হৃদয় দিয়ে অভিবাদন জানাচ্ছেন।

হিন্দু পাত্র কৃষের সঙ্গে বাগদান সারলেন ইমতিয়াজ-কন্যা ইদা

রাশমিকা মান্দানার নতুন চ্যালেঞ্জ

রাশমিকা মান্দানার অভিনয় ক্যারিয়ারে যুক্ত হতে চলেছে আরেকটি ভিন্ন রকম সিনেমা। যেটি নির্মিত হচ্ছে ভারতের কর্ণাটকের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী, ভারতরত্ন মাদুরাই শানমুখবাদিভু (এম.এস.) সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন নিয়ে। পরিচালক গৌতম তিন্নানুরির বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিকে এম.এস. সুব্বুলক্ষ্মীর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পীর ১১০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চেন্নাইয়ের দ্য মিউজিক একাডেমিতে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে নেটিজেন ও রাশমিকার ভক্তদের মাঝে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। এর কারণ একটাই, রাশমিকা যখন যে সিনেমায় কাজ করেছেন, তা নিয়ে দর্শকের কৌতূহল থাকে চোখে পড়ার মতো। সিনেমার দর্শকের কাছে এই অভিনেত্রী রীতিমতো হয়ে উঠেছেন ভারতের জাতীয় ক্রাশ। যদিও সালমান খানের বিপরীতে ‘সিকান্দার’ সিনেমায় অভিনয় করে খুব একটা সাফল্য পাননি। তবু আলোচনা থেমে থাকেনি দক্ষিণ ভারতীয় এ অভিনেত্রীকে নিয়ে। কিছুদিন আগে তাঁর ‘ককটেল-২’ সিনেমাটিও বলিউড বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। এরপরও রাশমিকার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি ভক্তরা। বরং অভিনেত্রীর মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলো বড় রকমের সাফল্য পাবে, সমাজ মাধ্যমে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে চলেছেন অনুরাগীরা। তাই রাশমিকা তাঁর নতুন সিনেমার একটি পোস্টার সমাজমাধ্যমে শেয়ার করতে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। এই সময়সহ ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, সুব্বুলক্ষ্মীর বায়োপিক নিয়ে রাশমিকা ছাড়াও নির্মাতারাও দারুণ আশাবাদী। কারণ প্যান-ইন্ডিয়া স্কেলে তৈরি হতে চলা এই প্রজেক্টটিতে ভারতীয় সিনেমার প্রথম সারির বহু কলাকুশলী রয়েছেন। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন গৌতম তিন্নানুরি। সংগীত পরিচালনায় থাকছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।  গীতা আর্টস-এর ব্যানার থেকে অল্লু অরবিন্দ, রকলাইন ভেঙ্কটেশ এবং বান্নি ভাস যৌথভাবে এটি প্রযোজনা করছেন। এম.এস. সুব্বুলক্ষ্মীর জন্মবার্ষিকীর বিশেষ ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ‘উলগনায়গন’ কমল হাসান। এই বায়োপিক নিয়ে সমাজমাধ্যমে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাশমিকা লিখেছেন, ‘কিছু কিংবদন্তি সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে বেঁচে থাকেন। কিছু সুর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিধ্বনি তোলে। আর কিছু গল্প সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায় থাকে। আজ সেই যাত্রার সূচনা হলো, যা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।’ প্রসঙ্গত, ভারতের শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে এম.এস. সুব্বুলক্ষ্মী এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৯৮ সালে ভারতরত্ন সম্মানে তাঁকে ভূষিত করা হয়। ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পারফর্ম করা প্রথম ভারতীয় সংগীতশিল্পী ছিলেন তিনি। এ ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আরও নানা সম্মান ছিল তাঁর ঝুলিতে।

রাশমিকা মান্দানার নতুন চ্যালেঞ্জ

তরুণীকে নিয়ে মন্দিরে গোবিন্দ, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন তুঙ্গে

মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় লালবাগচা রাজা মণ্ডপে গণেশ দর্শনে গিয়ে ফের আলোচনায় বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। এবার তার সঙ্গে ছিলেন নবাগত অভিনেত্রী কোমল রানী স্বর্ণকার। স্ত্রী সুনীতা আহুজাকে ছাড়াই কোমলের হাত ধরে মণ্ডপে উপস্থিত হওয়ায় নতুন করে ছড়িয়েছে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন।হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা যায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) লালবাগচা রাজা মণ্ডপে গোবিন্দ ও কোমলকে একসঙ্গে দেখা যায়। সাদা কুর্তা-পায়জামায় ছিলেন অভিনেতা। অন্যদিকে কোমলের পরনে ছিল লাল-হলুদ রঙের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা দেখে গোবিন্দ ‘গণপতি বাপ্পা মোরিয়া’ স্লোগান দেন। পাশে থাকা কোমলও হাত নেড়ে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।তবে তাদের এই উপস্থিতির বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে অন্য একটি কারণে। গোবিন্দ মণ্ডপে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই সেখানে একা গিয়ে পূজা দিয়ে বেরিয়ে যান তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা। ফলে দুজনের আলাদা সময়ে একই স্থানে উপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কিছুদিন ধরেই গোবিন্দ ও কোমলের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বলিউডে নানা আলোচনা চলছে। গত আগস্টে মুম্বাই বিমানবন্দরে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। যদিও প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি গোবিন্দ বা কোমল কেউই প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি।এর মধ্যে সুনীতার কিছু মন্তব্যও বিতর্ক বাড়িয়েছে। তিনি গোবিন্দকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, অভিনেতা নাকি ‘মেয়ের বয়সী’ এক নারীর সঙ্গে ঘোরাফেরা করছেন। এমনকি তাকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। রাখী সাওয়ান্তের সঙ্গে কথোপকথনে সুনীতা দাবি করেন, গোবিন্দ ও কোমল বিয়ের পরিকল্পনাও করছেন। তবে গোবিন্দের ম্যানেজার শশী সিনহা এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তার বক্তব্য, দ্বিতীয় বিয়ের কোনো প্রশ্নই নেই। এদিকে ভুয়া খবর, মানহানিকর কনটেন্ট ও ডিপফেক ছড়ানোর অভিযোগে আইনি পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন গোবিন্দ।১৯৮৭ সালে সুনীতা আহুজাকে বিয়ে করেন গোবিন্দ। ২০২৫ সালে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়ালেও পরবর্তীতে তারা একসঙ্গে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করেন। ২০২৬ সালে সুনীতা তার বিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন বলেও জানা গেছে। 

তরুণীকে নিয়ে মন্দিরে গোবিন্দ, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন তুঙ্গে

যাই হয়ে যাক শুভশ্রী থাকবেন দেবের সাথে

টলিউড তথা বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত জুটি দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সময়ের বিবর্তনে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারের পথ আলাদা হয়ে গেলেও তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা এবং বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনও আগের মতোই অটুট রয়েছে। অতীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তিক্ততা কিংবা মান-অভিমানের অধ্যায় শেষ করে কেবল একটি ফোনেই সমস্ত দূরত্ব ঘুচে যাওয়ার নজির স্থাপন করেছেন এই দুই তারকা। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের বর্ষপূর্তির রাতে বিদেশের মাটিতে রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ছুটিতে থাকা অবস্থায় রাত দুটোয় দেবের একটি মিসড কল দেখতে পান শুভশ্রী। দেবের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা কথা না থাকা সত্ত্বেও মিসড কলটি দেখামাত্রই শুভশ্রী অনুধাবন করেছিলেন যে, কারণ যাই হোক না কেন, বন্ধু হিসেবে দেবের পাশে তার দাঁড়ানো প্রয়োজন। পরবর্তীতে দেব যখন সরাসরি ফোন করে চিত্রনাট্য, পরিচালক কিংবা বিষয়বস্তু প্রকাশ না করেই একটি ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব দেন, শুভশ্রী বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে তাতে সম্মতি জানান। এই সিদ্ধান্তটি নিছক পেশাদারিত্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে পারস্পরিক গভীর আস্থা, মানবিক সংহতি এবং পারস্পরিক সমর্থনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করে।​সিনেমার আঙিনায় নতুন পথচলায় শুভশ্রী জানান যে, কর্মজীবনের শুরুতে তাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হলেও নতুন পরিচালক হিসেবে দেবের স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও ভিশন তাকে মুগ্ধ করেছে। শুটিং সেটের প্রথম দিনে দেবের পেশাদারিত্ব এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে যে আস্থার সূচনা হয়েছিল, তা কাজের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বর্তমান সময়ে যেখানে বাণিজ্যিক স্বার্থ বা ব্যক্তিগত টানাপোড়েনে মানবিক সম্পর্কগুলো ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, সেখানে দেব এবং শুভশ্রীর এই পারস্পরিক সহমর্মিতা ও আস্থার গল্প বিনোদন জগতের সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের মাঝে এক ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। সকল ভেদাভেদ ও অতীতের ছায়া ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতিই মূলত একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। আগামী দিনে 'দেশু৭' শিরোনামের নতুন এই চলচ্চিত্রে দেব-শুভশ্রী জুটিকে পুনরায় বড়পর্দায় নতুন রসায়নে দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন হাজারো ভক্ত ও অনুরাগী।

যাই হয়ে যাক শুভশ্রী থাকবেন দেবের সাথে

বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য

বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী মানবিক মূল্যবোধ এবং সনাতনী সংস্কৃতিতে গৃহস্থাশ্রম ও দাম্পত্য জীবনের যে সুসংহত রূপ দেখা যায়, তার এক উজ্জ্বল নিদর্শন স্থাপন করলেন প্রতিভাবান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. শান্তা। সম্প্রতি এই দম্পতি তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের দুই দশক বা ২০ বছর অতিক্রম করেছেন। ২০০৭ সালে হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রীয় অনুশাসন ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংসার জীবন আজ সুদৃঢ় সামাজিক ও পারিবাRow অনুশাসনের এক সুন্দর প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে পরিবারকেন্দ্রিক এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে চঞ্চল চৌধুরী নিজেই এই মধুর অতীত ও শুভ পরিণয়ের স্মৃতি প্রকাশ করেছেন।​দুই দশকের এই সফল পথচলা কেবল একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনের অর্জনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আধুনিক সমাজের জন্য এক গভীর ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে, বাটন ফোনের যুগে। দেখা-সাক্ষাৎ ছাড়া কেবল গভীর অনুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে ফোনে আলাপচারিতার মাধ্যমে শুরু হয় তাঁদের সম্পর্ক। মাস খানেকের কথোপকথনেই তাঁরা অনুধাবন করেন একে অপরের প্রতি আন্তরিক নিষ্ঠা ও বিশ্বাস। তৎকালীন সময়ে পরিবারের সাময়িক দ্বিধাদ্বন্দ্ব সত্ত্বেও নিজেদের অটল সংকল্প এবং ধর্মীয় ও সামাজিক স্বীকৃতি গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা এক যৌথ জীবনের সূচনা করেছিলেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতন সনাতনী জীবনদর্শনে যে 'বিশ্বাস' ও 'পরস্পর শ্রদ্ধাবোধকে' মূল ভিত্তি ধরা হয়, তাঁদের এই দীর্ঘ সফর সেটাই প্রমাণ করে।​একমাত্র পুত্র সন্তান শুদ্ধকে নিয়ে তাঁদের এই শান্তিময় পরিবারে ভালোবাসা ও প্রার্থনার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন মানবাধিকারের রূপরেখাকে সমৃদ্ধ করে। যেকোনো সমাজের টেকসই কাঠামোর মূল স্তম্ভ হলো একটি সুস্থ ও সুখী পরিবার। চঞ্চল চৌধুরী বিনোদন জগতের তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং স্ত্রীর অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে যে সর্বজনীন উদাহরণ তুলে ধরেছেন, তা প্রতিটি মানুষের নিকট অনুপ্রেরণাদায়ক। বৈচিত্র্যময় ও মানবিক বাংলাদেশে এরকম সুন্দর পারিবারিক আদর্শ ও সুসংবাদ সকলের মনে ইতিবাচক সামাজিক القيم জাগ্রত করতে বিশেষ অবদান রাখে।

বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য

শ্রী চিন্ময়ের জন্মদিনে নিউইয়র্কে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সংগীত সন্ধ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার বিশেষ সংগীত সন্ধ্যা। শ্রী চিন্ময়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ছিল সংগীত পরিবেশনা। পাশাপাশি প্রকাশ করা হয় বন্যার নতুন সিডি। পাঁচটি শ্রী চিন্ময়ের গান ও পাঁচটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান নিয়ে সাজানো হয়েছে অ্যালবামটি। নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক সন্ধ্যায় সুরে সুরে মিলেমিশে গেল দুই ভিন্ন সৃষ্টিশীল জগত। শ্রী চিন্ময়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন করা হয় জনপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার বিশেষ সংগীত সন্ধ্যা।শ্রী চিন্ময়ের দর্শন, সংগীত ও মানবিকতার চেতনাকে স্মরণ করে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় বন্যা নির্বাচিত গান পরিবেশন করেন। উপস্থিত দর্শকরাও উপভোগ করেন তাঁর কণ্ঠের মাধুর্য ও রবীন্দ্রসংগীতের আবেশ।অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বন্যার নতুন সিডির প্রকাশনা। অ্যালবামটিতে রয়েছে মোট ১০টি গান। এর মধ্যে পাঁচটি শ্রী চিন্ময়ের রচনা এবং পাঁচটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে বাংলা গান ও সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যোগাযোগ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজন নিউইয়র্কে বাংলা সংস্কৃতির চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। শ্রী চিন্ময়ের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই সংগীত সন্ধ্যা শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং সংগীতের মাধ্যমে মানবিকতা, শান্তি ও বিশ্বজনীনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি প্রয়াস। পাঁচটি শ্রী চিন্ময়ের গান ও পাঁচটি রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে প্রকাশিত নতুন এই সিডি প্রবাসে বাংলা সংগীতের চর্চায় যোগ করেছে নতুন মাত্রা।গানের সুর, দর্শকদের করতালি আর শিল্পীর কণ্ঠে বাংলা সংস্কৃতির আবহে নিউইয়র্কের এই সংগীত সন্ধ্যা হয়ে উঠল স্মরণীয় এক আয়োজন।

শ্রী চিন্ময়ের জন্মদিনে নিউইয়র্কে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সংগীত সন্ধ্যা

সুরের সাধক ও আলোর পথের শিক্ষক শ্রী রাতুল বৈদ্যে ম‌হোদ‌য়ের শুভ জন্মদিন

রাঙ্গুনিয়া সরগম সঙ্গীত নিকেতনের সম্মানিত পরিচালক, প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী, সংগীতসাধক ও শিক্ষক শ্রী রাতুল বৈদ্য মহোদয়ের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।সংগীতের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দীর্ঘদিনের সাধনার মাধ্যমে রাতুল বৈদ্য রাঙ্গুনিয়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজস্ব একটি পরিচিতি তৈরি করেছেন। তাঁর কণ্ঠের সুর, সংগীতের প্রতি নিষ্ঠা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা স্থানীয় সংগীতপ্রেমী ও শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করে আসছে।সংগীতচর্চার পাশাপাশি তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গেও নিবিড়ভাবে যুক্ত। নিকটস্থ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। শিক্ষকতা ও সংগীত—দুটি ভিন্ন অঙ্গন হলেও মানুষের মাঝে জ্ঞান, মূল্যবোধ, সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দেওয়াই যেন তাঁর পথচলার অন্যতম উদ্দেশ্য।সনাতনী সমাজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সংগীতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ভক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা। সেই সাংস্কৃতিক ধারাকে ধারণ করে সংগীতচর্চা ও নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে রাতুল বৈদ্যের ভূমিকা প্রশংসনীয়।তাঁর পরিচালনায় রাঙ্গুনিয়া সরগম সঙ্গীত নিকেতন সংগীতের প্রতি আগ্রহী শিক্ষার্থী ও নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। সুরের সাধনার পাশাপাশি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এই পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা সবার।শুভ জন্মদিনে পরমেশ্বরের চরণে প্রার্থনা—রাতুল বৈদ্য মহোদয়ের জীবন হোক শান্তি, সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ। তাঁর কণ্ঠে সুরের মাধুর্য আরও বহুদূর ছড়িয়ে পড়ুক, তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় আলোকিত হোক নতুন প্রজন্ম এবং সনাতনী সংস্কৃতি ও সংগীতের বিকাশে তাঁর অবদান আরও বিস্তৃত হোক।

সুরের সাধক ও আলোর পথের শিক্ষক শ্রী রাতুল বৈদ্যে ম‌হোদ‌য়ের শুভ জন্মদিন

চোখেতে চোখ' খ্যাত গায়িকা মিতালী দাস সিলেটের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবার আসছেন চট্টগ্রাম

এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিব্যানী দাস মিতালী প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম শহরে স্টেজ শোতে সংগীত পরিবেশন করতে যাচ্ছেন। মূলত সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা হলেও সুরের মূর্ছনা ছড়িয়ে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত কনসার্ট করে আসছেন এই গুণী শিল্পী। সিলেটের আশপাশের অঞ্চল ছাড়াও খাগড়াছড়ি ও ফটিকছড়িতে এর আগে স্টেজ শো করলেও চট্টগ্রাম মহানগরীর মাটিতে গান গাওয়ার সুযোগ তাঁর এবারই প্রথম। আগামী ২৭ আগস্ট রাতে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের একটি সামাজিক কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিজের নিজস্ব মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মঞ্চ মাতাবেন তিনি। এই প্রথমবার চট্টগ্রামের মাটিতে পারফর্ম করতে যাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে মিতালী জানান, আয়োজকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে এবং গান দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করতে তিনি পূর্ণ প্রস্তুত।​প্রথমবারের এই স্মরণীয় সফরে ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে থাকছেন তাঁর মা ছায়া দাস এবং সহ-শিল্পীবৃন্দ। এই চট্টগ্রাম যাত্রা কেবল পেশাগত পরিবেশনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি তাঁর জন্য এক গভীর আত্মিক অনুভূতির নাম। কারণ, এই সফরের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন পর দেখা করতে পারবেন তাঁর সংগীত গুরু শ্রদ্ধেয় ওস্তাদ সুমন বড়ুয়ার সঙ্গে, যিনি বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অসুস্থ গুরুর সেবা করা ও তাঁর আশীর্বাদ নেওয়ার মাধ্যমে সফরটি অত্যন্ত অর্থবহ হয়ে উঠবে বলে বিশ্বাস করেন এই শিল্পী। সর্বজনীন সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের অনন্য বার্তা বহন করে তিনি সুরের মাধ্যমে সব মানুষের হৃদয় ছোঁয়ার প্রত্যাশা রাখেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ওস্তাদ বিপ্রদাস ভট্টাচার্যের কাছে দীর্ঘ ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে উচ্চাঙ্গ সংগীতে সুগভীর তালিম নেওয়া মিতালী দাস ফোক, আধুনিক ও হিন্দি গানে সমান পারদর্শী। বৈচিত্র্যময় গায়কির অধিকারী হলেও এই সময়ে এসে তিনি নতুন মৌলিক গান প্রকাশের দিকেই বাড়তি মনোযোগ দিচ্ছেন। সম্প্রতি গীতিকার ও সুরকার অভি মঈনুদ্দীনের লেখা ও সুর করা মিতালীর ‘চোখেতে চোখ’ শিরোনামের মৌলিক গানটি শ্রোতামহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। সর্বজনীন সুরের সেতুবন্ধনে বিশ্বাসী এই শিল্পী চট্টগ্রামবাসীকে একটি অবিস্মরণীয় সংগীত সন্ধ্যা উপহার দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

চোখেতে চোখ' খ্যাত গায়িকা মিতালী দাস সিলেটের গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবার আসছেন চট্টগ্রাম

শ্রুতিঅঙ্গনের ১৫তম বর্ষের নিয়মিত শাস্ত্রীয়-উপশাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান

শ্রুতিঅঙ্গনের ১৫তম বর্ষের নিয়মিত শাস্ত্রীয় ও উপশাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস স্মরণে এক মনোজ্ঞ শাস্ত্রীয়-উপশাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রামের থিয়েটার ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পার্থ প্রতিম বিশ্বাস ও প্রণিতা দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও শিশুসাহিত্যিক রাশেদ রউফ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ রউফ বলেন, বাংলা সাহিত্যে কাজী নজরুল ইসলামের মতো অসাম্প্রদায়িক, বিস্ময়কর প্রতিভাবান ও দুর্সাহসিক কবি আর নেই। তিনি নজরুলের সাম্য ও মানবতার চেতনা তুলে ধরে বলেন, “গাহি সাম্যের গান—মানুষের চেয়ে কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।” ধর্ম-বর্ণ, জাতি ও দেশ-কালের বিভেদ ভুলে মানবতার জয়গানই ছিল নজরুলের সৃষ্টির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।তিনি আরও বলেন, “রবীন্দ্রনাথ হল বাঙালির মাথার উপর ছাতা আর নজরুল হল অন্তরাত্মা।” প্রায় শত বছর আগে নজরুল তাঁর গান, কবিতা, নাটক ও উপন্যাসে দেশাত্মবোধ, নারী জাগরণ, ইসলামী গান, শ্যামাসংগীত, বিদ্রোহ, গজল, প্রেম, প্রকৃতি, রাগপ্রধান গান, ভাটিয়ালি ও পল্লীগীতিসহ বিভিন্ন ধারার অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি রেখে গেছেন। নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলের এই সৃষ্টিকর্ম ও মানবতাবাদী চেতনা ছড়িয়ে দিতে পারলে আকাশ সংস্কৃতির যুগে সমাজের অস্থিরতা, হিংসা ও হানাহানি অনেকাংশে কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শ্রুতিঅঙ্গনের সভাপতি সুজিত কুমার ভট্টাচার্য সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সকলের অবদানের কথা তুলে ধরেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস, অরুণ রায়, প্রণব দে, সঞ্জয় দে প্রমুখ।অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে মঙ্গলদ্বীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয়। অনিল কুমার ঘোষের কথায়, উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়ার সুরে এবং লিটন দাশের সংগীতায়োজনে ভৈরবী রাগপ্রধান গান ‘বাজে মোহন বেণু কদম কাননে সখী’ পরিবেশিত হয়। এরপর নজরুলের পটদীপ রাগে ‘হে প্রিয়, আমারে দিব না ভুলিতে’ এবং প্রার্থনা সংগীত ‘অনাদি কাল হতে অনন্ত লোক গাহে তোমারি জয়’সহ ‘মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম’ ও ‘চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি’ পরিবেশন করেন শ্রুতিঅঙ্গনের শিল্পীবৃন্দ।একক সংগীত পরিবেশনায় রাগ মেঘমল্লার ও দাদরা ‘বরষন লাগী সাবন বোধিয়া রাজা’ পরিবেশন করেন শ্রুতিঅঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রশিক্ষক লিটন দাশ। তবলায় ছিলেন তিষাণ ঘোষ, হারমোনিয়ামে অনির্বাণ দত্ত এবং তানপুরায় নিপা দত্ত ও নীলকান্ত ভৌমিক।পরবর্তীতে শিল্পীদের একক পরিবেশনায় একের পর এক মনোমুগ্ধকর গান পরিবেশিত হয়। অনির্বাণ দত্ত পরিবেশন করেন ‘রঞ্জসী শাহী দিলহি দোকান’—গজল, মিশ্র ইমন রাগে। মনস্বিতা চৌধুরী পরিবেশন করেন ‘রঙ্গী সারি গোলাবি চুনেরিয়া’—মিশ্র পাহাড়ি রাগের ঠুমরী। সৃজিতা দে পরিবেশন করেন ‘আয়েনা বালমা কা করু সজনী’—ভৈরবী রাগে।প্রণিতা দেব পরিবেশন করেন নজরুলসংগীত ‘চাঁদের মত নিরবে এসো প্রিয়’—শিবরঞ্জনীতে। পুষ্পিতা শীল পরিবেশন করেন ‘এ কেমন রাত্রি এলো ভোর’—রাগপ্রধান গান, দাদরা ও শিবরঞ্জনীতে। নিলয় দত্ত পরিবেশন করেন নজরুলসংগীত ‘এলো ঐ পূর্ণ শশী’। এছাড়া পাপড়ি দাশের কণ্ঠে ‘সাচি বলো শ্যাম’, মেঘলিনা ঘোষের কণ্ঠে ‘আমার দেয়া ব্যথা ভোলো’, নিপা দত্তের কণ্ঠে ‘দাঁড়ালে দুয়ারে মোর’ এবং দরবারী রাগে গজল ‘মেরে হাম না ফাস মেরে হাম নাবা’, বিনয় দাশের কণ্ঠে নজরুলসংগীত ‘আমার বিফল পূজাঞ্জলি’ পরিবেশিত হয়।যন্ত্রসংগীতে বাঁশিতে রাহুল সরকার, কিবোর্ডে নিখিলেশ বড়ুয়া, বেহালায় শ্যামল চন্দ্র দাশ, অক্টোপ্যাডে নন্দন নন্দী এবং তবলায় তিষাণ ঘোষ ও শ্রীয়ম দে প্রমুখ শিল্পী সহযোগিতা করেন।নজরুলের গান ও শাস্ত্রীয় সংগীতের সুরে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে সংগীতপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দর্শক-শ্রোতাদের উপস্থিতিতে থিয়েটার ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এক মনোরম সাংস্কৃতিক আবহ সৃষ্টি হয়।

শ্রুতিঅঙ্গনের ১৫তম বর্ষের নিয়মিত শাস্ত্রীয়-উপশাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান

মাথায় ওড়না ও জোড়হাতে শ্রীকৃষ্ণের চরণে সানি লিওন

মুম্বইয়ের বিখ্যাত জুহু ইসকন মন্দিরে স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সাথে ভক্তিভরে প্রার্থনা করতে দেখা গেল জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানি লিওনকে। রঙিন পর্দার চাকচিক্য এবং ব্যস্ত জীবনের আড়ালে সনাতন সংস্কৃতির আধ্যাত্মিক আবহ ও ঐশ্বরিক শক্তির টানেই ইসকন মন্দিরে হাজির হয়েছিলেন এই তারকা। মাথায় সুন্দর ওড়না জড়িয়ে এবং হালকা রঙের মার্জিত এমব্রয়ডারি সালোয়ার স্যুট পরিধান করে অত্যন্ত সাধারণ লুকে ভক্তদের নজর কাড়েন সানি। তাঁর পাশে ক্রিম রঙের প্যান্ট ও সাদা টি-শার্টে প্রার্থনারত অবস্থায় দেখা যায় তাঁর স্বামী ড্যানিয়েলকে। চশমা পরা অবস্থায় হাত জোড় করে শ্রীকৃষ্ণের চরণে সানির এই শ্রদ্ধানিবেদনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।​আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতীয় সাংস্কৃতিক স্থানগুলোর গ্রহণযোগ্যতা এবং সনাতন ধর্মের বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক হিসেবে ইসকন মন্দিরের গুরুত্ব চিরকালই অপরিসীম। সাম্প্রতিক সময়ে সানি লিওন তাঁর বিশ্বব্যাপী ‘ডিজে ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভারত, কানাডা, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে সফল পরিবেশনা শেষে তাঁর পরবর্তী গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এর মাঝেই হরর-কমেডি সিনেমা ‘চুরাইল’-এর মতো নতুন কাজের সাফল্য কামনায় ও কৃপা লাভের উদ্দেশ্যে তিনি ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়েছেন। আধুনিক জীবনের হাজারও ব্যস্ততা ও গ্ল্যামারের মাঝেও একজন শিল্পীর এভাবে দেবালয়ে এসে ভক্তি প্রকাশ করা সনাতনী চেতনা ও সকল মানুষের আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার এক সুন্দর নিদর্শন।

মাথায় ওড়না ও জোড়হাতে শ্রীকৃষ্ণের চরণে সানি লিওন

দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী প্রদীপ কুমার দাশের পরলোকগমন

 সনাতন সংস্কৃতি ও রবীন্দ্রসংগীতের জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শান্তিনিকেতন গ্রামের কৃতী সন্তান, দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী এবং আর্য্য সংগীতের স্বনামধন্য রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষক প্রদীপ কুমার দাশ পর‌লোক গমন ক‌রে‌ছেন ।সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে তিনি পরলোকগমন করেন। তাঁর প্রয়াণে রাঙ্গুনিয়ার সনাতন সমাজ, সাংস্কৃতিক অঙ্গন, সংগীতপ্রেমী মানুষ, সহপাঠী, শিক্ষার্থী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।প্রদীপ কুমার দাশ ছিলেন রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় নিবেদিতপ্রাণ এক গুণী শিল্পী। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি বেতার ও টেলিভিশনে নিয়মিত রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেছেন। পাশাপাশি আর্য্য সংগীতের স্বনামধন্য শিক্ষক হিসেবে বহু শিক্ষার্থীকে রবীন্দ্রসংগীতের তালিম দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান সনাতন বাঙালি সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য আবহ সৃষ্টি করত।সংগীতকে সাধনা হিসেবে গ্রহণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্রসংগীতের চর্চা ও প্রসারে কাজ করেছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের শিল্পী ও সংগীত শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।প্রয়াত প্রদীপ কুমার দাশ রাঙ্গুনিয়া খিল মোগল রসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৭৫ ব্যাচের প্রাক্তন কৃতী ছাত্র ছিলেন। তাঁর প্রয়াণের সংবাদে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সহপাঠী ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।শিক্ষাজীবন শেষে সংগীত সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত করে তিনি জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি অর্জন করেন। তাঁর এই সাফল্যে রাঙ্গুনিয়ার মানুষও গর্বিত ছিলেন।রবীন্দ্রসংগীত বাঙালির সংস্কৃতি, চেতনা ও মানবিকতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এই সংগীতের চর্চা ও শিক্ষাদানের মাধ্যমে প্রদীপ কুমার দাশ বাংলা সংস্কৃতির সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে ধারণ করেছেন। তাঁর দীর্ঘদিনের সাধনা ও শিক্ষাদানের মাধ্যমে বহু শিক্ষার্থী সংগীতের জগতে পথচলার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।তাঁর চলে যাওয়া তাই শুধু একটি পরিবারের জন্য নয়, রাঙ্গুনিয়ার সনাতন সমাজ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি।পরমেশ্বরের কাছে প্রার্থনা—তিনি যেন প্রয়াত গুণী শিল্পীর আত্মাকে চিরশান্তি দান করেন এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীকে এই শোক সহ্য করার শক্তি প্রদান করেন।“ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।”গুণী এই শিল্পীর স্মৃতি ও সংগীতসাধনা চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী প্রদীপ কুমার দাশের পরলোকগমন

অভিনেত্রী থেকে সাংসদ: কঙ্গনার হাতের ছাতা ও অনুষঙ্গের দাম জেনে চমকে যাবেন

ভারতীয় লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে বলিউড অভিনেত্রী ও হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াতের উপস্থিতি নতুন করে বেশ চর্চার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ অথচ মার্জিত নীল রঙের রেশমি শাড়ি, সাদা ব্লাউজ এবং হালকা রঙের জুতো পরা কঙ্গনাকে দেখতে বেশ বিনম্র লাগলেও, নজর কেড়েছে তাঁর ব্যবহৃাত বিলাসী ফ্যাশন অনুষঙ্গসমূহ। বিশেষ করে তাঁর হাতের ব্যাগ, অভিজাত ঘড়ি এবং বিশেষ নকশার ছাতা নিয়ে বিনোদন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, তাঁর ব্যবহৃত এসব অনুষঙ্গের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৬ লাখ ভারতীয় রুপিতে।​সংসদ চত্বরে কঙ্গনার সাজের সবচেয়ে আলোচিত অনুষঙ্গ ছিল বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড হার্মেসের 'বারকিন' ব্যাগ। টোগো চামড়া দিয়ে তৈরি অত্যন্ত বিরল ও বিলাসবহুল এই ব্যাগটির আনুমানিক মূল্য ৩৫ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকার সমপরিমাণ। কচি বাছুরের চামড়া থেকে প্রক্রিয়াজাত করা এই টোগো চামড়া অত্যন্ত নরম, স্থায়িত্বশীল এবং আঁচড়-প্রতিরোধী হওয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এর পাশাপাশি তাঁর কবজিতে জ্বলজ্বল করছিল ঐতিহাসিক রোলেক্স কোম্পানির 'লেডি-ডেটজাস্ট' মডেলের একটি ঘড়ি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বাদামি ডায়ালের এই স্বয়ংক্রিয় ও পানিনিরোধী ঘড়িটির আনুমানিক দাম ২১ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ২১ হাজার টাকা। ১৯৪৫ সালে প্রথম চালু হওয়া এই বিশেষ সিরিজের ঘড়িটি চমৎকার কারুকাজ ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।​একই সাথে কঙ্গনার হাতে দেখা গেছে প্রাকৃতিক উপাদানে নির্মিত 'গুড আর্থ' ব্র্যান্ডের একটি ছাপানো ছাতা। ভারত মহাসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত এই ছাতাটির বাজারমূল্য প্রায় ৬ হাজার ১০০ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৯০৪ টাকা। সংসদ প্রাঙ্গণে অতি সাধারণ পোশাকের সাথে এসব আন্তর্জাতিক ও বহুমূল্য অনুষঙ্গের এই চমৎকার সমন্বয় যেমন তাঁর অভিজাত রুচির পরিচয় তুলে ধরেছে, তেমনি তা উপস্থিত সবার নজর কেড়ে আলোচনাকে তুঙ্গে তুলেছে।

অভিনেত্রী থেকে সাংসদ: কঙ্গনার হাতের ছাতা ও অনুষঙ্গের দাম জেনে চমকে যাবেন

অপারেশন টেবিলেও শারীরিক যন্ত্রণাকে তুচ্ছ করে গান গাইলেন সোনু নিগম

শরীরজুড়ে তীব্র যন্ত্রণা ও অস্ত্রোপচারের মানসিক চাপ—সাধারণত যেকোনো মানুষের জন্যই এই সময়টা চরম অস্বস্তিকর। কিন্তু যিনি সুরকে নিজের জীবনজ্ঞান করেছেন, তাকে কি আর শারীরিক যন্ত্রণা থমকে দিতে পারে? অপারেশন টেবিলে শুয়েও সংগীতের আঙিনা থেকে বিচ্যুত হলেন না ওপার বাংলার জনপ্রিয় ভারতীয় সংগীতশিল্পী সোনু নিগম। সম্প্রতি এক অস্ত্রোপচার চলাকালীন অপারেশনের টেবিলে শুয়েই চিকিৎসকদের গান শুনিয়ে এক অভূতপূর্ব মুহূর্তের সৃষ্টি করেছেন এই গুণী শিল্পী। শারীরিক যন্ত্রণাকে তুচ্ছ করে তিনি কণ্ঠ ছেড়ে গেয়ে ওঠেন কিংবদন্তি শিল্পী মহম্মদ রফির কালজয়ী জনপ্রিয় গান ‘সুহানি রাত ঢল চুকি’।​রোববার নিজের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই রোমাঞ্চকর মুহূর্তের একটি ভিডিও সোনু নিগম নিজেই ভক্তদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করেন। ভিডিওটিতে অত্যন্ত স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে, চারদিকে আধুনিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, তাকে ঘিরে চিকিৎসা সেবায় ব্যস্ত চিকিৎসক ও মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা এবং এর মাঝেই সোনু নিগম তন্ময় হয়ে গান গেয়ে চলেছেন। পরবর্তীতে শিল্পী নিজেই জানান যে, অস্ত্রোপচারের মতো স্পর্শকাতর সময়ে তাকে নিরবচ্ছিন্ন মানসিক সেবা দেওয়া প্রিয় চিকিৎসক ও তাদের পুরো টিমকে ভালোবাসার এক আকস্মিক উপহার হিসেবেই তিনি এই পরিবেশনা করেছেন।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিশেষ মুহূর্তটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই সারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তার লাখ লাখ ভক্ত ও অনুরাগী শিল্পীর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। একইসাথে তারা ঈশ্বর ও সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাসে শিল্পীর দ্রুত পূর্ণ আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট প্রার্থনা জানিয়েছেন। এর আগে গত জুন মাসে এক মারাত্মক স্নায়ুজনিত শারীরিক সমস্যা ও তীব্র যন্ত্রণার কথা প্রকাশ করেছিলেন সোনু নিগম। তবে সাম্প্রতিক এই বিশেষ অস্ত্রোপচারটি ঠিক কী কারণে করা হয়েছে কিংবা শরীরের কোন অংশে করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত আর কিছু তিনি জানাননি। সুর ও সঙ্গীতের প্রতি এমন অমর নিষ্ঠা এবং জীবনের সংকটে সঙ্গীতের এই আশ্রয় আবারো প্রমাণ করল শিল্পীর কোনো সীমানা বা যন্ত্রণার বাঁধন হয় না।

অপারেশন টেবিলেও শারীরিক যন্ত্রণাকে তুচ্ছ করে গান গাইলেন সোনু নিগম