হিন্দুস নিউজ

হিন্দু ফাউন্ডেশন

হিন্দুস নিউজের সংবাদ প্রকাশের পর শ্রাবণীর পাশে বিএম হাসপাতাল

হিন্দুস নিউজের সংবাদ প্রকাশের পর শ্রাবণীর পাশে বিএম হাসপাতাল

মিরসরাইয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত শ্রাবণী ভৌমিকের চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বারইয়ারহাট বিএম হাসপাতাল। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে হিন্দুস নিউজে সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি বিভিন্ন মহলের নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শ্রাবণীর বাড়িতে গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রাবণীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিএম হাসপাতালে ভর্তি-সংক্রান্ত খরচ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তাঁর চিকিৎসায় সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার শ্রাবণীর বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন বিএম হাসপাতালের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম মিয়াজী, ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ওসমান গনি, নির্বাহী পরিচালক আব্দুল গফুর, ফিন্যান্স ডিরেক্টর শিহাব হাজারী এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মো. মোশারফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।মিরসরাই উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পশ্চিম হিঙ্গুলী গ্রামের দত্ত বাড়ির শ্রাবণী ভৌমিক প্রায় দেড় বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে তাঁকে প্রায় ১৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা, ওষুধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়ে।শ্রাবণীর বাবা ১১ বছর আগে মারা গেছেন। তিন বোনের পরিবারে উপার্জনক্ষম সদস্যের সংকট থাকায় তাঁর চিকিৎসার ব্যয় বহন করা ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসার ধারাবাহিকতা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।এই পরিস্থিতিতে শ্রাবণীর চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে হিন্দুস নিউজে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর তাঁর অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সংকটের বিষয়টি আরও মানুষের নজরে আসে। এরপর বারইয়ারহাট বিএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরাসরি শ্রাবণীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতার ঘোষণা দেয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগে শ্রাবণীর পরিবারের চিকিৎসা ব্যয়ের একটি অংশের চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।শ্রাবণীর পরিবার সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষদের তাঁর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।সহযোগিতার তথ্য: শ্রাবণী ভৌমিক — বিকাশ: ০১৮৫৩-৯৩৬৩২৪, নগদ: ০১৮৮০-৩৯১৪০০।

ফরিদপুরে সোমা দেবনাথের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা সভা

ফরিদপুরে সোমা দেবনাথের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা সভাবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি জীবন দেবনাথ (সিআইপি)-এর সহধর্মিনী মরহুমা সোমা দেবনাথের স্মরণে ফরিদপুরে বিশেষ প্রার্থনা সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ফরিদপুর জেলা, শহর ও সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শ্রীধাম শ্রী অঙ্গনের সাধারণ সম্পাদক ড. নিকুঞ্জ বন্ধু ব্রহ্মচারী। এ সময় শ্রী অঙ্গনের সাধকবৃন্দ ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরে ফরিদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিধান কুমার সাহার সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি তাপস কুমার সাহা, অধ্যাপক সুব্রত মিত্র, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অজয় রায়, দপ্তর সম্পাদক উৎপল কুমার দত্ত, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চিরঞ্জীব মিত্র, কোষাধ্যক্ষ শংকর সাহা ও রুমা সাহা।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তুষার দত্ত। অনুষ্ঠানে জেলা, শহর ও সদর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।বক্তারা মরহুমা সোমা দেবনাথের জীবনাদর্শ, মানবিকতা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন।

ফরিদপুরে সোমা দেবনাথের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা সভা

গীতার আলো ছড়িয়ে HCCC’র ব্যতিক্রমী আয়োজন

গীতার আলো ছড়িয়ে HCCC’র ব্যতিক্রমী আয়োজনচট্টগ্রাম প্রবর্তক ইসকন মন্দিরে সম্পন্ন হলো গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।পরম করুণাময় শ্রীশ্রী ভগবানের অশেষ কৃপা এবং সনাতনী ধর্মপ্রাণ মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে Hindu Crash & Care Community (HCCC) আয়োজিত “অনলাইন ভিত্তিক গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬ (Season 2)” এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।চট্টগ্রামের প্রবর্তক ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সী প্রতিযোগী, অভিভাবক ও সনাতনী ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকরা জানান, এই অনলাইন ভিত্তিক গীতা পাঠ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন প্রজন্মের মাঝে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাণী, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং সনাতনী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া। প্রতিযোগিতায় ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী অংশগ্রহণকারীরা ভক্তি, আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের সম্মানিত সিনিয়র মডারেটর অপূর্ব চন্দ্র নাথ। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও গৌরবময় ও স্মরণীয় করে তোলে।Hindu Crash & Care Community (HCCC)-এর এডমিন আকাশ কুমার মহন্ত বলেন,“আমরা হয়তো খুব বড় বা মূল্যবান কোনো উপহার সামগ্রী দিতে পারিনি। কিন্তু আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আন্তরিকতা, ভালোবাসা এবং ধর্মীয় অনুভূতি দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যেন বিজয়ীদের হাতে সম্মানের ছোট্ট স্মারক তুলে দিতে পারি। আমাদের কাছে এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি ছিল গীতার বাণীকে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস এবং সনাতনী ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার একটি মাধ্যম।”তিনি আরও বলেন,“যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও আশীর্বাদ রইলো। আর যারা বিজয়ী হতে পারেননি, তাদের মন খারাপ করার কিছু নেই। আপনাদের অংশগ্রহণ, সাহস এবং গীতার প্রতি ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় অর্জন। আগামী দিনে আপনারাই আরও সুন্দরভাবে নিজেদের প্রমাণ করবেন।”আয়োজকরা আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে, আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ আয়োজন নিয়ে সনাতনী সমাজের মাঝে উপস্থিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।অনুষ্ঠানের শেষে সকল প্রতিযোগী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

গীতার আলো ছড়িয়ে HCCC’র ব্যতিক্রমী আয়োজন

শেরপুরের মা ভবানী মন্দিরে পূজা ও পরিদর্শনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মহাপীঠ মা ভবানী মন্দিরে পূজা অর্চনা ও পরিদর্শন করেছেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব শ্রী দেবেন্দ্রনাথ উরাও।শুক্রবার (০১ মে) সকালে তিনি মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে মা ভবানীর শ্রীচরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ সময় তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন।পূজা অর্চনা শেষে ট্রাস্ট সচিব মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি মন্দিরে আগত ভক্তদের সুবিধা-অসুবিধা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম নিয়ে মন্দির কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় করেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি বাবু ইন্দ্রজিৎ কুমার সাহাসহ অন্যান্য ট্রাস্টিবৃন্দ। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সচিব মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং মায়ের প্রসাদ প্রদান করা হয়।সংক্ষিপ্ত আলোচনায় শ্রী দেবেন্দ্রনাথ উরাও বলেন, “মহাপীঠ মা ভবানী মন্দির সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এর ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও ভক্তদের সেবার মান উন্নয়নে ট্রাস্ট সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।”তার এ সফরকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্ত ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তারা ট্রাস্ট সচিবের আগমনকে স্বাগত জানান এবং মন্দির উন্নয়নে উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

শেরপুরের মা ভবানী মন্দিরে পূজা ও পরিদর্শনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব

তিরোভাব উৎসবে মানবিক উদ্যোগ: ১০০ স্বেচ্ছাসেবকের সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

অক্ষয় তৃতীয়া তিথি ও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামচন্দ্র দেবের ৭৭তম তিরোভাব উৎসবকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর চৌমুহনীস্থ সমাধিক্ষেত্র ধামে শুরু হয়েছে নানা মানবিক উদ্যোগ। ভক্ত ও তীর্থযাত্রীদের সেবায় এগিয়ে এসেছে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন, নোয়াখালী জেলা টিম।সংগঠনটির উদ্যোগে ১৯ ও ২০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়েছে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিশুদ্ধ পানি বিতরণ এবং শরবত বিতরণ কর্মসূচি। এতে উৎসবে আগত হাজারো ভক্ত উপকৃত হচ্ছেন।নোয়াখালী জেলা টিমের টিম লিডার উৎপল চন্দ্র শীল বলেন,“শ্রী শ্রী ঠাকুর রামচন্দ্র দেবের তিরোভাব উৎসব উপলক্ষে আমরা ভক্তদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিশুদ্ধ পানি ও শরবত বিতরণের মাধ্যমে আমরা ধামে আগত ভক্ত ও তীর্থযাত্রীদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। মানবতার সেবাই আমাদের মূল অঙ্গীকার।”উৎসবস্থলে স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। তারা ভক্তদের চিকিৎসাসেবা প্রদান, পানীয় জল ও শরবত বিতরণ এবং সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।উল্লেখ্য, প্রতি বছর শ্রী শ্রী ঠাকুর রামচন্দ্র দেবের তিরোভাব উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত সমাধিক্ষেত্র ধামে সমবেত হন। এবছরও ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। 

তিরোভাব উৎসবে মানবিক উদ্যোগ: ১০০ স্বেচ্ছাসেবকের সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

মির্জাগঞ্জে অসহায় হিন্দু পরিবারের পাশে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২ নং মির্জাগঞ্জ হিন্দু পাড়ায় অসহায় কিছু হিন্দু পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন (আরব আমিরাত শাখা)। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) মানবিক এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।জানা যায়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর কথা বিবেচনায় নিয়ে এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রবাসে অবস্থানরত সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে সংগৃহীত সহায়তা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।এ সময় এলাকার সনাতনী তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন পলাশ হাওলাদার, মহাদেব সিকদার, শ্রী জয় চন্দ্র দাস, শাওন অধিকারীসহ আরও অনেকে। বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। সহায়তা পেয়ে স্থানীয় পরিবারগুলো সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ অসহায় মানুষের জন্য বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়ায় এবং সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।উল্লেখ্য, সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, যা ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

মির্জাগঞ্জে অসহায় হিন্দু পরিবারের পাশে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন

বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘ ফেনী শাখার সেচ্ছাসেবকদের কাজে মনোমুগ্ধ সনাতনীরা

বিশ্বশান্তি ও মানব কল্যাণের ব্রত নিয়ে ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার তালতলীর দাসবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ৮প্রহর ব্যাপী সার্বজনীন শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও মহোৎসব। বৃহত্তর নোয়াখালীর ও ফেনীর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি শ্রী শ্রী তারকনাথ মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিকভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করে বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘ ফেনী জেলার শাখা।বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘের ফেনী জেলা শাখার আহ্বায়ক  হিন্দু নিউজকে জানাই সনাতনীদের সকল ধর্মীয় কাজে তারা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাবে।সে আরো বলে সনাতনীদের যে কোন বিপদে বা যে কোন সময় বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘ তাদের পাশে থাকবে।

বাংলাদেশ  হিন্দু মহাসংঘ ফেনী শাখার সেচ্ছাসেবকদের কাজে মনোমুগ্ধ সনাতনীরা

তরুণদের মাঝে গীতার জ্ঞান ছড়াতে অনলাইন গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬ শুরু করছে Hindu Crash & Care Community- HCCC

তরুণদের মাঝে গীতার জ্ঞান ছড়াতে অনলাইন গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬ শুরু করছে Hindu Crash & Care Community- HCCC ধর্মীয় শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আবারও আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা–২০২৬ (Season 2)। সনাতন ধর্মভিত্তিক সামাজিক সংগঠন Hindu Crash & Care Community (HCCC)-এর উদ্যোগে এই অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।আয়োজকরা জানান, সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মগ্রন্থ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-এর অমৃত বাণী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তরুণ প্রজন্মকে ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হচ্ছে। গীতার শিক্ষা মানুষকে সত্য, ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও আত্মশুদ্ধির পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে—এই বিশ্বাস থেকেই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়েছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিযোগিতাটি ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীরা তাদের গীতা পাঠের ভিডিও বা পোস্ট নির্ধারিত গ্রুপে শেয়ার করবেন। পরবর্তীতে বিচারকমণ্ডলী সেগুলো মূল্যায়ন করে সেরা প্রতিযোগীদের নির্বাচন করবেন।প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে গ্রুপে শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত পোস্টই অনুমোদন করা হবে, যাতে কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা যায়।আয়োজক সংগঠন জানায়, এই প্রতিযোগিতা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়-বরং এটি একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, যার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে গীতার শিক্ষা ও সনাতন ধর্মের আদর্শের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করানো সম্ভব হবে। ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আয়োজনকে ঘিরে সনাতনী তরুণ-তরুণীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন,“গীতা শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি মানবজীবনের পথপ্রদর্শক। গীতার শিক্ষা মানুষকে সৎ জীবনযাপন, নৈতিকতা ও মানবতার পথে পরিচালিত করে। নতুন প্রজন্মের মাঝে এই শিক্ষা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।”তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও সনাতন ধর্মের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।আয়োজকরা সকল সনাতনী ভাই-বোনদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করার জন্য আন্তরিকভাবে আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই আয়োজনের মাধ্যমে গীতার বাণী আরও বিস্তৃতভাবে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে এবং ধর্মীয় ও নৈতিক চেতনা আরও শক্তিশালী হবে।

তরুণদের মাঝে গীতার জ্ঞান ছড়াতে অনলাইন গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬ শুরু করছে Hindu Crash & Care Community- HCCC

সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিশন কান্তি দত্তকে সংবর্ধনা।

সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তিত্ব শ্রী মিশন কান্তি দত্তকে সংবর্ধনা দিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জামালখান চন্দ্রিমা কমিউনিটি  সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংগঠনের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শ্রী মানিক হালদার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম লিডার প্রভাত মজুমদার। অনুষ্ঠানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী কালিয়াইশ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী চৈতন্য রুদ্রাক্ষ বাবাজি।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সবুজ দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, সমাজের মানবিক ও সেবামূলক কাজে শ্রী মিশন কান্তি দত্ত দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর এই অবদান সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।সংবর্ধিত অতিথি শ্রী মিশন কান্তি দত্ত তাঁর বক্তব্যে বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার মধ্যেই প্রকৃত তৃপ্তি পাওয়া যায়। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর জীবনের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সংগঠনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রকৌশলী বিন্দুনাথ, সাংবাদিক রুপন দত্ত, প্রকৌশলী রাজিব চৌধুরী, শিবলু কুমার দাশ, পলাশ কান্তি নাথ রণী, তপন কুমার দাশ, সুজন দেবনাথ, সুব্রত দত্ত, শুভ দাশ, বিকাশ শীল, তন্ময় দত্ত ও বিজয় সরকার প্রমুখ। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে সমাজসেবায় শ্রী মিশন কান্তি দত্তের অবদান তুলে ধরেন এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন।বক্তারা বলেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দানশীল ও মানবিক ব্যক্তিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রী মিশন কান্তি দত্তের মতো মানুষরা সমাজের অন্যদেরও মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করেন।শেষে সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে আরও বেগবান করবে।

সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিশন কান্তি দত্তকে সংবর্ধনা।

শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস

শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাসশ্রীমঙ্গলে অবস্থিত শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম পরিদর্শন ও কার্যকরী পরিষদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সেবশ্রম পরিদর্শন শেষে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম কার্যকরী পরিষদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি বলেন, রামকৃষ্ণ মিশন সেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে অসাম্প্রদায়িক চেতনা, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান সেতুবন্ধনের কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।শ্রীমঙ্গল শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম-এর কার্যকরী পরিষদের সভাপতি ডা. নিবাস চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে এবং শ্রীমঙ্গল সারদা সমিতি এর সহ সভাপতি দীপশিখা ধর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটে নিযুক্ত দ্বিতীয় সচিব (PIC&E) ভারতীয় সহকারী হাই-কমিশনার শ্রী রাজেশ ভাটিয়া।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম এর কার্যকরী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু ভট্টাচার্যসহ কার্ষকরী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা। বিশেষ অতিথি সিলেটে নিযুক্ত দ্বিতীয় সচিব (PIC&E) ভারতীয় সহকারী হাই-কমিশনার শ্রী রাজেশ ভাটিয়া তাঁর বক্তব্যে মিশনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি অনিরুদ্ধ দাস ও বিশেষ অতিথিকে শ্রী রাজেশ ভাটিয়াকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন সেবাশ্রমের সভাপতি ডা. নিবাস চন্দ্র পাল। এ সময় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।পরিদর্শনকালে সহকারী হাই-কমিশনার মিশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস

কিডনি রোগে ভুগছে আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু রনি পাহাড়ী, সাহায্যের আবেদন

দিনাজপুরে কিডনি রোগে ভুগছে আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু রনি পাহাড়ী, সাহায্যের আবেদনদিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট পৌরসভা এলাকার শহরগাছি হঠাৎপাড়া গ্রামে একটি জড়াজীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু রনি পাহাড়ী। তার পিতা মৃত্যু রতন পাহাড়ী, এবং বর্তমানে রনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগ ও প্রসাব সংক্রান্ত ইনফেকশন রোগে ভুগছেন।অর্থনৈতিক ত্রুটির কারণে তার মা চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না। ইতিমধ্যেই রনির রিপোর্ট তৈরিতে গ্রামে থাকা লোকজন সামান্য অর্থ দিয়ে—১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট ছোট দান—মোট ৩৫০০ টাকা জোগাড় করেছেন। তবে প্রায় এক মাস ধরে রনি নিয়মিত ওষুধ খেতে পারছেন না।চিকিৎসকরা জানান, রনিকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি ওয়াডে ভর্তি করলে তার জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে। তাই সমাজের বিত্তশালী ও হৃদয়বান মানুষদের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। কেউ ১০, ২০, ৩০ বা যতটুকু সম্ভব দান করলে রনির জীবন রক্ষা সম্ভব হবে।সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও মাধ্যম:প্রতিবেশী: কানু চন্দ্রবিকাশ/নগদ: 01772058380রকেট: 017720583807বিঃদ্রঃ: পরিবারের কাছে কোনো মোবাইল নেই।স্থানীয়রা জানান, “অনেক সময় আমরা অকারণে টাকা খরচ করি। যদি সামান্য অর্থ ভালো কাজে খরচ করা যায়, এতে কারও কোনো ক্ষতি হবে না।”সবার প্রতি আবেদন, রনির পাশে দাঁড়ানো এবং এই খবরটি শেয়ার করা যাতে আরও মানুষ সাহায্যের হাত বাড়াতে পারেন।

কিডনি রোগে ভুগছে আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু রনি পাহাড়ী, সাহায্যের আবেদন

রাউজানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশন, আর্থিক সহায়তা প্রদান

 চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশন। রাউজান পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলার বিভিন্ন নয়টি স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।সম্প্রতি রাউজানের একাধিক এলাকায় দুর্বৃত্তরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এতে অন্তত নয়টি স্থানে বসবাসরত পরিবারগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন শুরু করেন। এ পরিস্থিতিতে রাউজান পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের কাছে সহায়তার আবেদন জানায়।আবেদনের ভিত্তিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে আর্থিক অনুদান বিতরণ করেন। সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ কান্তি চৌধুরী, মহাসচিব অ্যাডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, প্রাক্তন মহাসচিব শ্যামল কুমার পালিত, সহ-মহাসচিব বিশ্বজিৎ পালিত, শিক্ষাসচিব অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সচিব সুভাষ দাশ, সদস্য অনুপ রক্ষিত ও রিমন মুহুরী। এ সময় রাউজান পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সদীপ দে (সজীব) ও সম্পাদক দীপ্ত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায়, এই সহায়তা তাদের দুর্দিনে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।

রাউজানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশন,  আর্থিক সহায়তা প্রদান

শ্রীমঙ্গলে শ্রী রামকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে চার শতাধিক রোগী পেল বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ

শ্রীমঙ্গলে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ম্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবশ্রম। শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের ১৯১তম জন্মতিথি উপলক্ষে আয়োজিত হলো বিনামূল্যের চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের সেবায় নিবেদিত এই মহতী উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন সাড়ে চার শতাধিক রোগী।বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল-এ অবস্থিত শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আনিসুর রহমান।সেবাশ্রমের সভাপতি ও বিশিষ্ট গাইনি চিকিৎসক ডা. নিবাস চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের উপ-পরিচালক প্রণয় কান্তি পাল, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন বর্ণালী দাশ, সাবেক সিভিল সার্জন সত্যকাম চক্রবর্তী ও ডা. নিশিত নন্দী মজুমদারসহ জেলার খ্যাতনামা চিকিৎসকরা।দিনব্যাপী সাতটি আলাদা বুথে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা করেন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা.নিবাস চন্দ্র পাল ও দীপাঞ্জলী পাল, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা.প্রদীপ লাল বণিক ও ডা.বিশ্বজিৎ দেব, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সুব্রত রায় ও ডা.আকাশ দেব, সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা.পম্পী বৈদ্য এবং দন্ত বিশেষজ্ঞ পুষ্পিতা খাস্তগীর।  অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তরিক সেবায় রোগীদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি। চিকিৎসার পাশাপাশি ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়। এছাড়া সান ফার্মাসিউটিক্যালস-এর সহায়তায় বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষার ব্যবস্থাও ছিল। ডা. নিবাস চন্দ্র পাল বলেন, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। সকাল থেকে প্রায় সাড়ে ৪০০ রোগী নিবন্ধনের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ গ্রহণ করেছেন এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।কেবল চিকিৎসাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না আয়োজন। বিকেলে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে সমাজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিও ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেয় সেবাশ্রম কর্তৃপক্ষ। মানবসেবাই যে প্রকৃত ধর্ম শ্রীমঙ্গলের এই আয়োজন যেন আবারও তা প্রমাণ করল।

শ্রীমঙ্গলে শ্রী রামকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে চার শতাধিক রোগী পেল বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ

শিবচতুর্দশী ও অমাবস্যায় শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানঘাট কালীবাড়িতে ভক্তদের ঢল, কিডনি রোগীকে আর্থিক সহায়তা

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার পবিত্র শিবচতুর্দশী ও অমাবস্যা তিথি উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানঘাট কালীবাড়িতে ব্যাপক ভক্তসমাগম ঘটে। সকাল থেকে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও ধর্মীয় নানা আনুষ্ঠানিকতায় মুখর ছিল মন্দির প্রাঙ্গণ। পুণ্যার্থীদের উপস্থিতিতে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ উপলক্ষে মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে কিডনি রোগে আক্রান্ত শ্রী সুভাষ কুর্মীকে ২১,৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন কানাডার Toronto প্রবাসী সর্বশ্রী মিহির রায়, আশিষ পাল, মৈনাক সেন, সুকমল রায় ও ঝুটন তরফদার। এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় করেন কানাডা প্রবাসী শ্রী খোকা পাল।শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানঘাট কালীবাড়ি এবং সুভাষ কুর্মীর পক্ষ থেকে সকল সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শুরুতে শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানঘাট কালীবাড়ির নবনির্বাচিত পরিষদ এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি রাইটস এলায়েন্স (বিএমআরএ)-এর পক্ষ থেকেও সুভাষ কুর্মীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল।ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানবিক সহায়তার এ উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে। জয় হোক মানবতার।

শিবচতুর্দশী ও অমাবস্যায় শ্রীমঙ্গল পৌর শ্মশানঘাট কালীবাড়িতে ভক্তদের ঢল, কিডনি রোগীকে আর্থিক সহায়তা

চন্দ্রনাথ ধামে অসুস্থ ভক্তকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ

চট্টগ্রামের পবিত্র মহাতীর্থ চন্দ্রনাথ ধাম-এ তীর্থদর্শনে এসে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এক ভক্ত। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশনের স্বয়ংসেবকেরা। হাজারো ভক্তের ভিড়ের মধ্যেও তাঁদের দ্রুত তৎপরতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়।প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ভক্ত হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে নিকটস্থ স্বয়ংসেবকেরা দ্রুত তাঁকে ঘিরে ধরেন এবং প্রাথমিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পরে তাঁকে মেলার ভেতরে স্থাপিত মেডিকেল ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং রোগীর অবস্থা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ভক্তকে জরুরি ভিত্তিতে সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ স্থানান্তর করা হয়।মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশনের স্বয়ংসেবকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, সমন্বিত প্রচেষ্টা ও মানবিক মনোভাবের ফলে অসুস্থ ভক্ত সময়মতো চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ধর্মীয় সেবার পাশাপাশি মানবসেবাই যে এই সংগঠনের মূল অঙ্গীকার—ঘটনাটি তারই বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।স্থানীয় ভক্ত ও তীর্থযাত্রীরা এই মানবিক উদ্যোগের জন্য মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশনের স্বয়ংসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, সংকটের মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবা, আর এই দৃষ্টান্ত ভবিষ্যতেও অন্যদের মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে।

চন্দ্রনাথ ধামে অসুস্থ ভক্তকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, মহাকাল স্বয়ংসেবক ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ

ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়িতে ভক্তদানের ছড়াছড়ি, নেই দৃশ্যমান উন্নয়ন—মতুয়া রাজনীতির বিভাজনে হিন্দু সমাজে উৎকণ্ঠা

“জয় হরিবোল” — “জয় হরি চাঁদ, জয় গুরু চাঁদ” এই ধ্বনিতেই মুখরিত থাকে শ্রীধাম ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক প্রাণকেন্দ্র। প্রতিবছর বার্ষিক বারুণীস্নান উপলক্ষে এখানে ২০ থেকে ৩০ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর–এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ ভক্তরা পাপমোচন ও মোক্ষলাভের আশায় পবিত্রস্নানে অংশ নেন। এই মহাসমাবেশে বিপুল পরিমাণ চাল, ডাল, অর্থ, ডাব-নারিকেলসহ নানা উপঢৌকন জমা হয়। ভক্তমহলের মতে, হিসাব করলে টনকে টন খাদ্যসামগ্রী এবং কোটি কোটি টাকার সমপরিমাণ অনুদান সংগ্রহ হয়।তবে এত বিপুল অনুদান সত্ত্বেও ঠাকুরবাড়ির অবকাঠামোগত উন্নয়ন দৃশ্যমান নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। যে পুকুরে লাখো ভক্ত বারুণীস্নান করেন, সেখানে এখনও পর্যাপ্ত ও নিরাপদ ঘাটের ব্যবস্থা নেই। ভক্তদের যাতায়াত, অবস্থান ও সেবার সুবিধার্থে স্থায়ী ও মজবুত ঘাট, ভক্ত নিবাস, আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জলের নিশ্চয়তা, উন্নত নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য আলাদা সুবিধার প্রয়োজনীয়তার কথা বারবার উঠে আসছে।এদিকে মতুয়া সমাজে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালিপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী এস এম জিলানীর পক্ষে এক নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ মতুয়া মিশন–এর সভাপতি শ্রীপদ্মনাভ ঠাকুর বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি বলেন, মতুয়াদের ধর্মীয় অধিকার দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভক্তের মতে, এ ধরনের প্রকাশ্য রাজনৈতিক অবস্থান মতুয়া সমাজের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করছে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐক্য ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অনেক ভক্তের অভিমত, আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে রেখে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালনা করা জরুরি। তাহলেই ধর্মীয় চেতনা অটুট থাকবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম হবে টেকসই ও ফলপ্রসূ।শুধু সাময়িক ভোগ বা খিচুড়ি গ্রহণে সীমাবদ্ধ না থেকে স্থায়ী উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। প্রত্যেকে যদি উপঢৌকনাদির পাশাপাশি অন্তত একটি করে ইট আশ্রম প্রাঙ্গণে নিজ হাতে প্রদান করেন, তবে ধীরে ধীরে তা শত-সহস্র ইটে এবং কোটি টাকার উন্নয়নে রূপ নেবে।সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ঐক্য ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি হয়ে উঠতে পারে আরও উন্নত, নিরাপদ ও বিশ্বমানের তীর্থস্থান—এই প্রত্যাশাই এখন কোটি ভক্তের।

ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়িতে ভক্তদানের ছড়াছড়ি, নেই দৃশ্যমান উন্নয়ন—মতুয়া রাজনীতির বিভাজনে হিন্দু সমাজে উৎকণ্ঠা