৫০ বছর ধরে আশ্রম আগলে রাখা আল্লেক শেখ পেলেন বিশেষ সম্মাননা
পাবনার হেমায়েতপুরে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে নিবেদিতপ্রাণ সেবক মো. আল্লেক আলী শেখ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং মানবতার এক অনন্য ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাকিতে এক লাখ ইট এনে প্রার্থনা মন্দির নির্মাণ করানো থেকে শুরু করে নিজের পৈতৃকসূত্রে পাওয়া এক বিঘা জমি নিঃশর্তভাবে আশ্রমের কল্যাণে উৎসর্গ করার মতো ঘটনা তাঁর অগাধ ত্যাগ, সততা ও বিশ্বস্ততার পরিচয় দেয়। তাঁর এই ত্যাগের কাহিনী গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়। News copied from- 'হিন্দুস নিউজ'সংবাদটি পাবনার জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আল্লেক আলীকে তাঁর কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান এবং ফুলেল সংবর্ধনা ও নগদ কুড়ি হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় এ সময় বলেন যে, আবহমানকাল থেকেই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য ক্ষেত্র, আর আল্লেক শেখের মতো মানুষেরা এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। অন্যদিকে, সৎসঙ্গ আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক তাপস চন্দ্র বর্মণ জানিয়েছেন যে আল্লেক চাচা আশ্রমের আত্মার আত্মীয় এবং তাঁর বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সর্বস্তরের মানুষের মানবাধিকার, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি এমন নিখাদ ভালোবাসা আমাদের সমাজে এক আলোর বার্তা ছড়িয়ে দেয়।