হিন্দুস নিউজ
Topic Ads 1
পলাশে সনাতনী গৃহবধূকে নির্যাতনের পর সন্তান জন্মদান: পিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্ত ভাতিজা

পলাশে সনাতনী গৃহবধূকে নির্যাতনের পর সন্তান জন্মদান: পিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্ত ভাতিজা

নরসিংদীর পলাশে এক প্রবাসী সনাতনী পরিবারের বধূকে স্বজাতীয় প্রতিবেশী ভাতিজা কর্তৃক নির্যাতন, জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং এর ফলে সন্তান জন্মদানের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে অসহায় নারীর সরলতার সুযোগ নিয়ে সংঘটিত এই জঘন্য অপরাধ এবং পরবর্তীতে নিরপরাধ ভিকটিমকে সমাজ ও পরিবারের অবহেলার মুখোমুখি করার ঘটনাটি স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার সুরক্ষা ও সকল মানুষের প্রতি সমান মানবিক মর্যাদা সুনিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সচেতন মহল।​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নরসিংদীর পলাশ থানার দুবাই প্রবাসী হরিদাসের সাথে গত ২০১৮ সালে ভিকটিম তিথি রানী দাসের বিবাহ সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন তারা নিঃসন্তান ছিলেন। বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে গৃহস্থালি ও বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিবেশী ভাতিজা অপূর্ব দাস ভিকটিমের পরিবারে আসা-যাওয়া করত এবং সহায়তার সুযোগ নিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে একটি নিষ্পাপ শিশুর জন্ম দেয়। প্রবাসী স্বামী দেশে ফিরে স্ত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।​(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে ভিকটিম তিথি রানী দাস বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ পেশ করলে আদালতের নির্দেশে পলাশ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়। উক্ত মামলায় নির্যাতনকারী অপূর্ব দাস এবং সাবেক স্বামী হরিদাসকে অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে পিবিআই নরসিংদী জেলা মামলাটির তদন্তভার স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে। পিবিআই-এর এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অভিযুক্ত অপূর্ব দাসকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। সনাতন সম্প্রদায়ের এক নারীর প্রতি এমন অন্যায়ের যথাযথ বিচার ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তদন্তকারী সংস্থা বর্তমানে প্রতিটি আসামীর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে নিবিড় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।