প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের আমলে এটি মার্কিন প্রশাসনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের সফর।
বিমানবন্দরে মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পল কাপুরকে স্বাগত জানান। সফরের প্রথম দিন অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার তার কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নেই। তবে বুধবার থেকে তার সরকারি কার্যক্রম শুরু হবে।
খসড়া সূচি অনুযায়ী, বুধবার সকালে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে তার দিনের কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন তার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। এছাড়া বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সফরের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি। একই দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন পল কাপুর এবং বৃহস্পতিবার রাতেই তার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।

জানা যায়, এরপর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন। পরে সচিবালয়ে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। দুপুর ও বিকেলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যৌথ স্বার্থ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যায় পল কাপুর ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় ও নৈশভোজে অংশ নেবেন। সফরের শেষ দিন তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
মার্কিন কূটনীতিক গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় পৌঁছান। কূটনৈতিক সূত্রের মতে, নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (আর্ট)’ চুক্তি কার্যকর রাখার বিষয়ে বার্তাও তিনি দেবেন। সফরে বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা প্রধান এজেন্ডা।
মতামত