শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
হিন্দুস নিউজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য


| প্রিন্ট সংস্করণ

বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী মানবিক মূল্যবোধ এবং সনাতনী সংস্কৃতিতে গৃহস্থাশ্রম ও দাম্পত্য জীবনের যে সুসংহত রূপ দেখা যায়, তার এক উজ্জ্বল নিদর্শন স্থাপন করলেন প্রতিভাবান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. শান্তা। সম্প্রতি এই দম্পতি তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের দুই দশক বা ২০ বছর অতিক্রম করেছেন। ২০০৭ সালে হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রীয় অনুশাসন ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংসার জীবন আজ সুদৃঢ় সামাজিক ও পারিবাRow অনুশাসনের এক সুন্দর প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে পরিবারকেন্দ্রিক এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে চঞ্চল চৌধুরী নিজেই এই মধুর অতীত ও শুভ পরিণয়ের স্মৃতি প্রকাশ করেছেন।


​দুই দশকের এই সফল পথচলা কেবল একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনের অর্জনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আধুনিক সমাজের জন্য এক গভীর ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে, বাটন ফোনের যুগে। দেখা-সাক্ষাৎ ছাড়া কেবল গভীর অনুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে ফোনে আলাপচারিতার মাধ্যমে শুরু হয় তাঁদের সম্পর্ক। মাস খানেকের কথোপকথনেই তাঁরা অনুধাবন করেন একে অপরের প্রতি আন্তরিক নিষ্ঠা ও বিশ্বাস। তৎকালীন সময়ে পরিবারের সাময়িক দ্বিধাদ্বন্দ্ব সত্ত্বেও নিজেদের অটল সংকল্প এবং ধর্মীয় ও সামাজিক স্বীকৃতি গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা এক যৌথ জীবনের সূচনা করেছিলেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতন সনাতনী জীবনদর্শনে যে 'বিশ্বাস' ও 'পরস্পর শ্রদ্ধাবোধকে' মূল ভিত্তি ধরা হয়, তাঁদের এই দীর্ঘ সফর সেটাই প্রমাণ করে।

​একমাত্র পুত্র সন্তান শুদ্ধকে নিয়ে তাঁদের এই শান্তিময় পরিবারে ভালোবাসা ও প্রার্থনার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন মানবাধিকারের রূপরেখাকে সমৃদ্ধ করে। যেকোনো সমাজের টেকসই কাঠামোর মূল স্তম্ভ হলো একটি সুস্থ ও সুখী পরিবার। চঞ্চল চৌধুরী বিনোদন জগতের তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং স্ত্রীর অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে যে সর্বজনীন উদাহরণ তুলে ধরেছেন, তা প্রতিটি মানুষের নিকট অনুপ্রেরণাদায়ক। বৈচিত্র্যময় ও মানবিক বাংলাদেশে এরকম সুন্দর পারিবারিক আদর্শ ও সুসংবাদ সকলের মনে ইতিবাচক সামাজিক القيم জাগ্রত করতে বিশেষ অবদান রাখে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী মানবিক মূল্যবোধ এবং সনাতনী সংস্কৃতিতে গৃহস্থাশ্রম ও দাম্পত্য জীবনের যে সুসংহত রূপ দেখা যায়, তার এক উজ্জ্বল নিদর্শন স্থাপন করলেন প্রতিভাবান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. শান্তা। সম্প্রতি এই দম্পতি তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের দুই দশক বা ২০ বছর অতিক্রম করেছেন। ২০০৭ সালে হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রীয় অনুশাসন ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংসার জীবন আজ সুদৃঢ় সামাজিক ও পারিবাRow অনুশাসনের এক সুন্দর প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে পরিবারকেন্দ্রিক এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে চঞ্চল চৌধুরী নিজেই এই মধুর অতীত ও শুভ পরিণয়ের স্মৃতি প্রকাশ করেছেন।


​দুই দশকের এই সফল পথচলা কেবল একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনের অর্জনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আধুনিক সমাজের জন্য এক গভীর ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে, বাটন ফোনের যুগে। দেখা-সাক্ষাৎ ছাড়া কেবল গভীর অনুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গা থেকে ফোনে আলাপচারিতার মাধ্যমে শুরু হয় তাঁদের সম্পর্ক। মাস খানেকের কথোপকথনেই তাঁরা অনুধাবন করেন একে অপরের প্রতি আন্তরিক নিষ্ঠা ও বিশ্বাস। তৎকালীন সময়ে পরিবারের সাময়িক দ্বিধাদ্বন্দ্ব সত্ত্বেও নিজেদের অটল সংকল্প এবং ধর্মীয় ও সামাজিক স্বীকৃতি গ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা এক যৌথ জীবনের সূচনা করেছিলেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সনাতন সনাতনী জীবনদর্শনে যে 'বিশ্বাস' ও 'পরস্পর শ্রদ্ধাবোধকে' মূল ভিত্তি ধরা হয়, তাঁদের এই দীর্ঘ সফর সেটাই প্রমাণ করে।

​একমাত্র পুত্র সন্তান শুদ্ধকে নিয়ে তাঁদের এই শান্তিময় পরিবারে ভালোবাসা ও প্রার্থনার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা সামাজিক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন মানবাধিকারের রূপরেখাকে সমৃদ্ধ করে। যেকোনো সমাজের টেকসই কাঠামোর মূল স্তম্ভ হলো একটি সুস্থ ও সুখী পরিবার। চঞ্চল চৌধুরী বিনোদন জগতের তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং স্ত্রীর অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে যে সর্বজনীন উদাহরণ তুলে ধরেছেন, তা প্রতিটি মানুষের নিকট অনুপ্রেরণাদায়ক। বৈচিত্র্যময় ও মানবিক বাংলাদেশে এরকম সুন্দর পারিবারিক আদর্শ ও সুসংবাদ সকলের মনে ইতিবাচক সামাজিক القيم জাগ্রত করতে বিশেষ অবদান রাখে।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
বাটন ফোনের প্রেম থেকে আইনি ও ধর্মীয় পরিণয়: চঞ্চল-শান্তার ২০ বছরের ভালোবাসার সাফল্য
0:00 0:00
1.0x