এ ধরনের স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় অনুভূতি জড়িয়ে থাকা সংবেদনশীল বিষয়ে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য প্রকাশ করা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সামিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও যেকোনো ধর্মীয় বা সংবেদনশীল বিষয় শেয়ার করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও তথ্যের সঠিকতা যাচাই করার জোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া মুসলিম তরুণীর ধর্ম পরিবর্তনের খবর নিয়ে মুখ খুললেন চবি ছাত্রী
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাইমা আক্তারকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চরম অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি ফেসবুকে তাঁর একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে প্রচার শুরু হয়। অসত্য এই সংবাদের সত্যতা অনুসন্ধানে জানা যায়, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও একটি নাটকের দৃশ্য মাত্র। নিজের ধর্মীয় পরিচয় ও ব্যক্তিগত অবস্থান পরিষ্কার করে সাইমা আক্তার জানান, তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ছাত্রী এবং অনার্সের অংশ হিসেবে অভিনীত একটি নাটকের শেষ দৃশ্য থেকে ছবিটি নিয়ে অসত্য তথ্যসহ প্রচার করা হচ্ছে। তিনি কোনোভাবেই নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সনাতনী সম্প্রদায় ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার প্রতিনিয়ত ধর্মীয় অস্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পাঁয়তারা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত