ধর্মীয় সংগঠন ইসকনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর একটি প্রচেষ্টা চিহ্নিত করেছে অনুসন্ধানী বিশ্লেষক দল। সম্প্রসারণবাদী হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসকন মন্দিরের ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে ১৭ জন তরুণীকে উদ্ধারের বানোয়াট দাবি ছড়িয়ে একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহল সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর বিদ্বেষ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। নির্ভরযোগ্য তথ্যের নিরপেক্ষ মূল্যায়নে উঠে এসেছে যে, ভিডিওটির সাথে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বা ইসকনের কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। প্রকৃতপক্ষে, এটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভারতের মুম্বাইয়ের আন্ধেরি এলাকার একটি ড্যান্সবারে পুলিশের পরিচালনা করা অভিযানের দৃশ্য। তদানীন্তন সময়ে ‘দীপা ড্যান্স বার’ নামের ওই বিনোদনকেন্দ্রের আয়নার পেছনে সুকৌশলে তৈরি করা গোপন স্থান থেকে ১৭ জন নারীকে উদ্ধার করেছিল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। পুরোনো ও সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ফৌজদারি ঘটনার দৃশ্য ধারণকৃত ভিডিও কৃত্রিমভাবে সম্পাদনা করে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হচ্ছে। (News copied from- 'hindus news') কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই ছাড়াই নির্দিষ্ট একটি ধর্মীয় সম্প্রদায় ও তাদের পরিচালিত পবিত্র উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া স্পষ্টতই একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ। সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সংবেদনশীল ইস্যুতে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মতামত