শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের উত্তর আবিরপাড়া গ্রামে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান—প্রতিমাটির মাথা ভাঙা, হাতের বীণা উল্টে মাটিতে পড়ে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভাঙচুর চালিয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা এটিকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানদীপ ঘোষ HindusNews -কে বলেন,
“এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও লজ্জাজনক। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং প্রশাসনকে অবহিত করি। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।”
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান জানান,
“খবর পাওয়ার পর আমি ও সার্কেল এসপি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
পূজা শেষ হলেও প্রতিমাটি প্যান্ডেলের নিচে অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি বা অন্য কেউ এই কাজ করে থাকতে পারে।
তবে এটি সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ঘটনা নয়। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
এদিকে, একের পর এক এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা ভবিষ্যতে পূজা-পরবর্তী সময়েও প্রতিমা ও মণ্ডপ এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মতামত