বরিশালের বাউফল উপজেলার এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মনীষাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপহরণ ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগের বিপরীতে ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, ফুচকা খেতে যাওয়ার সময় মনীষাকে অপহরণ করা হয় এবং সোহান মোল্লা নামের এক অ-হিন্দু যুবক পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে তাকে তুলে নিয়ে যান।
তবে সোমবার রাতে প্রকাশিত একটি ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে মনীষা নিজেই এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। লাইভে সোহান মোল্লার অনুরোধে তিনি জানান, পরিবারের অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই এবং তিনি সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছা ও ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে স্বেচ্ছায় সোহান মোল্লার সঙ্গে গিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মনীষাকে সোহান মোল্লার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার মনীষার পরিবারকে সতর্ক করার চেষ্টা করলেও পরিবার এসব তথ্যকে গুরুত্ব দেয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মনীষা ও সোহান মোল্লার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল বলে জানা গেছে। মনীষার কয়েকজন বান্ধবী, এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু বান্ধবীও এই সম্পর্কের বিষয়ে অবগত ছিলেন।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি মনীষা নিজ বাসা থেকে পালিয়ে যান বলে জানা যায়। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অপহরণ ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সচেতন মহল মনে করছেন, এই ঘটনা কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পরিবারের অসচেতনতা, সন্তানের ওপর মাত্রাতিরিক্ত অন্ধ বিশ্বাস, বয়স অনুপযোগী স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও মূল্যবোধের দুর্বলতা। অনেকের মতে, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি এমন সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।-বাউফলে কিশোরীর ‘অপহরণ’ দাবির নেপথ্যে স্বেচ্ছায় পলায়ন, ফেসবুক লাইভে মুখ খুললেন মনীষা
বরিশালের বাউফল উপজেলার এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী মনীষাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপহরণ ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগের বিপরীতে ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, ফুচকা খেতে যাওয়ার সময় মনীষাকে অপহরণ করা হয় এবং সোহান মোল্লা নামের এক অ-হিন্দু যুবক পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে তাকে তুলে নিয়ে যান।
তবে সোমবার রাতে প্রকাশিত একটি ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে মনীষা নিজেই এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। লাইভে সোহান মোল্লার অনুরোধে তিনি জানান, পরিবারের অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই এবং তিনি সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছা ও ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে স্বেচ্ছায় সোহান মোল্লার সঙ্গে গিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মনীষাকে সোহান মোল্লার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার মনীষার পরিবারকে সতর্ক করার চেষ্টা করলেও পরিবার এসব তথ্যকে গুরুত্ব দেয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মনীষা ও সোহান মোল্লার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল বলে জানা গেছে। মনীষার কয়েকজন বান্ধবী, এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু বান্ধবীও এই সম্পর্কের বিষয়ে অবগত ছিলেন।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি মনীষা নিজ বাসা থেকে পালিয়ে যান বলে জানা যায়। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অপহরণ ও জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সচেতন মহল মনে করছেন, এই ঘটনা কেবল একটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নয়; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পরিবারের অসচেতনতা, সন্তানের ওপর মাত্রাতিরিক্ত অন্ধ বিশ্বাস, বয়স অনুপযোগী স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও মূল্যবোধের দুর্বলতা। অনেকের মতে, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি এমন সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
মতামত