স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্বামী কর্মস্থলে যাওয়ার পর সংগীতা সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর বাড়িতে একা থাকার সুযোগে তিনি ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে স্কুল থেকে ফিরে মেয়ের ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়রা ঘরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে অবহিত করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটে তিনি জীবনে বড় ভুল করেছেন উল্লেখ করে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা লিখে গেছেন বলে জানা গেছে।
রাণীশংকৈল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মতামত