তীব্র দাবদাহের কারণে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খোলা আকাশের নিচে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি ও তাপমাত্রার কারণে হঠাৎ অসুস্থতা বা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

বিস্ফোরক দ্রব্য বর্জন: গাড়ি থেকে গ্যাস লাইটার, পারফিউম বা স্প্রে-র বোতল এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যাটারি সরিয়ে ফেলুন।
জ্বালানি ও টায়ার: গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক কখনোই পুরোপুরি ভর্তি করবেন না। টায়ারে অতিরিক্ত বাতাস দেবেন না। সবসময় সন্ধ্যায় জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করুন।
বাতাস চলাচল: পার্কিংয়ে থাকা গাড়ির জানালার কাঁচ সামান্য নামিয়ে রাখুন যাতে ভেতরে গরম বাতাস জমে না থাকে।
ঘরোয়া পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা
ঠান্ডা পানীয়: শরীর সতেজ রাখতে প্রচুর জল, দইয়ের ঘোল, ডাব বা বেলের শরবত পান করুন। কার্বনেটেড পানীয় বা অতিরিক্ত চা-কফি পরিহার করুন।
বিদ্যুৎ ব্যবহার: এসির তাপমাত্রা ২৪-২৫° সেলসিয়াসে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেইন মিটারে অতিরিক্ত চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখুন।
মোবাইল ব্যবহার: দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত তাপে ব্যাটারি গরম হয়ে মোবাইল বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকে।
প্রাথমিক চিকিৎসা: শ্বাসকষ্ট বা হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করলে দেরি না করে নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বন্যপ্রাণী ও অন্যান্য সতর্কতা
তীব্র গরমে বিষধর সাপ এবং বিছা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে শীতল জায়গার সন্ধানে লোকালয়ে বা বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন এবং ঝোপঝাড় বা অন্ধকার কোণ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। গ্যাস সিলিন্ডার সরাসরি রোদে রাখবেন না।
বিশেষ অনুরোধ: এই তথ্যটি জনস্বার্থে আপনার পরিবার ও পরিচিতজনদের সাথে শেয়ার করুন। সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
মতামত