গ্রীষ্মের শুরুতেই রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বাজারগুলোতে দেখা মিলছে দেশি জাতের রসালো লিচুর। পাহাড়ি এলাকার বাগান থেকে সংগ্রহ করা এসব লিচু স্বাদ, গন্ধ ও সতেজতায় ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।
স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই লিচু নিয়ে বসছেন বিক্রেতারা। ছোট-বড় গুচ্ছ করে সাজানো লিচুতে লালচে আভা আর টাটকা ভাব সহজেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে, অনেকেই পরিবার-পরিজনের জন্য একসঙ্গে বেশি পরিমাণে লিচু কিনছেন।
বিক্রেতারা জানান, মৌসুমের শুরু হওয়ায় বর্তমানে দাম কিছুটা বেশি। তবে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন তারা।
চাষিরা বলছেন, এবছর আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে। যদিও কিছু এলাকায় অকাল বৃষ্টি ও তীব্র গরমের কারণে ফল ঝরে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবুও সামগ্রিকভাবে উৎপাদন সন্তোষজনক হওয়ায় কৃষকদের মুখে স্বস্তির হাসি।
পুষ্টিবিদদের মতে, লিচু একটি পুষ্টিকর ফল। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রচুর পানি, যা গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
সাধারণ ক্রেতারা জানান, গরমে লিচুর রসাল স্বাদ যেন এক ধরনের স্বস্তি এনে দেয়। তবে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, অতিরিক্ত লিচু না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।
সার্বিকভাবে, কাপ্তাইয়ের বাজারে দেশি লিচুর আগমন শুধু ক্রেতাদের আনন্দই বাড়াচ্ছে না, বরং স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্যও
মতামত