(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এদিকে নিখোঁজের পরদিনই রোববার রাতে অপহরণকারীদের কাছ থেকে একটি ফোনকল ও বার্তা আসে সেঁজুতির পরিবারের কাছে। সেখানে শিশুটিকে জীবিত ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। কিন্তু সেই টাকা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার আগেই আজ সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদের পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কন্যার এমন নির্মম পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন তার বাবা-মা। সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর বিচার চাই। অন্যদিকে মা শোভা চন্দ্র জানান, আমাদের অনেক শত্রু আছে, তারাই আমার বুক খালি করেছে। আমি আমার নিষ্পাপ সন্তানের হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান এমপি নিহত শিক্ষার্থীর মা-বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেন। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মতামত