প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সোমবার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ঘিরে ঢাকার অসন্তোষ এবং তার জবাবে উদ্ভূত কূটনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে পর পর দু’দিন এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা বেশ ইঙ্গিতবহ। সনাতনী সমাজসহ দেশি-বিদেশি মানবাধিকার রক্ষাকারীদের প্রত্যাশা, কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার হিসাব-নিকাশ নয়, বরং দুই দেশের এই সংলাপ যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে রুদ্ধদ্বার আলোচনার পর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারে ভারতীয় দূত
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সকল জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সনাতনী জনগোষ্ঠীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রেক্ষিত থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি দিল্লিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নতুন দিল্লির মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়, যা দুই দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মানবাধিকার সচেতন মহলকেও গভীরভাবে চিন্তিত করেছে। এ ধরনের ঘোলাটে দ্বিপাক্ষিক আবহ ও আঞ্চলিক উদ্বেগের মধ্যেই ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাথে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
রোববারের এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে কোন কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, সে বিষয়ে দুই পক্ষের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিশদ বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিরসন এবং সীমান্ত রক্ষা থেকে শুরু করে সব সম্প্রদায়ের মানবাধিকার সুরক্ষার আবহ বজায় রাখার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পায়। বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের কেবল এতটুকুই অবহিত করেন যে, আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠকে বসবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সাথে ওই আলোচনার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে পুরো বিষয়টি ব্রিফ করা হবে।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত