নিহত প্রীতিলতার ছোট বোন পূজা চক্রবর্তী ও গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, হত্যার পর বা পূর্বে অপরাধীরা দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে মুখমণ্ডল বিকৃত করে দেয়, যা অত্যন্ত পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্পষ্ট প্রমাণ। স্থানীয় সনাতনী সমাজ ও এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্বরা এই বর্বর ঘটনাকে সাধারণ কোনো ঘটনা হিসেবে না দেখে অতি দ্রুত ও গভীরভাবে সঠিক তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও নিখোঁজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিপুল অর্থ, সুপরিকল্পিতভাবে দাহ্য পদার্থ ব্যবহারের মোটিফ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর এমন নৃশংসতায় গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। একজন প্রবীণ শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী ও অবোধ শিশুদের ওপর এই ধরনের পৈশাচিক বর্বরতা সকল মানবিক মূল্যবোধের ওপর এক চরম আঘাত। সনাতনী জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবিতে ক্ষোভে ফুসে উঠছে সর্বস্তরের অধিকারসচেতন মানুষ।
নিহত গণপতিসহ পরিবারের সকলের মুখমন্ডল ছিলো ঝলসানো, নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশ
মতামত