দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে নিজের নাড়িছেঁড়া ধনকে বিক্রি করেন এই বাবা। পরে পরিবারের লোকজন মোবাইলে যোগাযোগ করলে মারুফ নির্দ্বিধায় স্বীকার করেন যে, সন্তান বিক্রির সেই টাকা দিয়ে তিনি সরাসরি ঢাকায় চলে যান এবং পুরোনো ফোন বদলে চকচকে একটি নতুন আইফোন কিনেছেন। মানুষের মানবিক মূল্যবোধ ও মৌলিক মানবাধিকারের অবক্ষয়ের এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') একজন অবুঝ শিশুর সুরক্ষা ও লালন-পালনের অধিকার হরণ করে এভাবে বিলাসী সামগ্রী কেনার মানসিকতা সমাজে চরম নৈতিক পতনেরই প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। ঘটনাটি এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে; এমনকি ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলোতেও বাংলাদেশের এই অমানবিক কাণ্ডের চিত্র গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি অবিলম্বে শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।
১ লাখ টাকায় বিক্রি হলো অবুঝ শিশু, সেই টাকায় কেনা হলো আইফোন
আইফোন কেনার তীব্র মোহে নিজের মাত্র কয়েক মাসের শিশুপুত্রকে বিক্রি করে দেওয়ার এক অমানবিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীতে। শনিবার সকালে জেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রাম থেকে পেশায় কাঠমিস্ত্রি মো. মারুফ মুন্সি তার শিশুপুত্র মুসাকে বাজারে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও বাবা-ছেলে ফিরে না আসায় স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এক নির্মম সত্য—মাত্র ১ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজ সন্তানকে অন্য একজনের হাতে তুলে দিয়েছেন মারুফ।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত