মন্দির ভাঙার ঘটনায় নিষিদ্ধ কট্টরপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (TLP)-এর সদস্যরা জড়িত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভাঙচুরের পরে মন্দিরের চূড়ার ধাতব অংশ, ইট-সহ অন্যান্য সামগ্রীও দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। মন্দিরের পাশের জমিটি এভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড একটি মাদ্রাসা তৈরির জন্য লিজ দিয়েছিল। কিন্তু কয়েক বছর ভাড়া না দেওয়ায় লিজ বাতিল হয়ে যায়। তার পরেই মন্দিরের জমি হাতানোর চক্রান্ত শুরু হয় বলে অভিযোগ।
সংখ্যালঘু হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সরকার। ETPB-র সিনিয়র আধিকারিক রানা ইফতিখারের দাবি, প্রবল বৃষ্টির কারণেই মন্দিরটি ভেঙে পড়েছে। তিনি জানান, সরকারি নথিতে মন্দিরের কোনও উল্লেখ নেই। তবে সেটি ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরোনো বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। ইফতিখার জানিয়েছেন, মন্দিরটি আবার তৈরি করা হবে কি না, সে বিষয়ে ETPB-র শীর্ষ আধিকারিকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।
চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি শিয়ালকোটের ETPB-র ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মাদ্রাসার লিজ বাতিল করেছিলেন। বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ করে জায়গাটি সিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ আসলাম পারভেজ সাহোত্রার। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রতন লালও মন্দির ভাঙার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মন্দিরটি রক্ষা করতে জেলা প্রশাসন এবং ETPB কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি। তাঁর দাবি, এখন স্থানীয় হিন্দুদের অনেকেই নিরাপত্তার কারণে ওই জায়গায় যেতে ভয় পাচ্ছেন।
মতামত