একই সঙ্গে দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব ও মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে 'সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন' প্রণয়ন, 'জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন' এবং পৃথক 'সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়' গঠনসহ জরুরি ৮ দফা দাবি পেশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সকল জাতির মানবাধিকার ও নাগরিক সমঅধিকার নিশ্চিতকরণ ছাড়া একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন অসম্ভব। রাষ্ট্র ও সরকার দ্রুততম সময়ে সনাতনীদের এসব ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না করলে আগামীতে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিনিয়ত নির্যাতন ও বিদ্বেষ: ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ৮ দফা জোরালো দাবি
রংপুরে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নারকীয়ভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছে সনাতনী অধিকার রক্ষা ও সামাজিক ধর্মীয় সংগঠনগুলো। সনাতনীদের পাশাপাশি দেশের সকল জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, পুরো একটি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো এই বর্বরোচক হত্যাকাণ্ড সমগ্র দেশবাসীকে মারাত্মকভাবে নাড়া দিয়েছে। তদন্তের নামে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মনে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই অবিলম্বে সকল ধোঁয়াশা দূর করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়। শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে সনাতনী সমাজের সুরক্ষা, অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সার্বিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বক্তারা বলেন, প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা পরিসরে ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ধর্মান্ধতা ছড়িয়ে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। বিগত জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত সহিংসতা সংখ্যালঘু নির্যাতনের কেবল আংশিক চিত্র মাত্র; বাস্তবে এর ভয়াবহতা বহু গুণ বেশি। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সরকার ও গণতান্ত্রিক দলগুলোকে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত