হিন্দু ধর্মের নিজস্ব আচার-অনুষ্ঠান ও ভক্তির ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীরাজ নাইর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নবরাত্রি কেবল কোনো বিনোদনমূলক নাচ-গানের অনুষ্ঠান নয়, এটি মূলত পরম শক্তি দেবী মহামায়ার আরাধনা ও পূজার একটি পবিত্র সময়। যে সকল দর্শনের ভিত্তি মূর্তি পূজার বিরোধী, সনাতনী ধর্মীয় ভাবাবেগ ও আচার-অনুষ্ঠানের সাথে তাদের কোনো সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকে না। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ফলে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা বজায় রাখার স্বার্থেই এই ধরনের ঐতিহ্যগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষমূলক পদক্ষেপ নয়, বরং সনাতন ধর্মের সুপ্রাচীন ঐতিহ্য, ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার অধিকার সংরক্ষণের একটি স্বাভাবিক উদ্যোগ। সব ধরনের ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে নিজ নিজ ধর্ম ও ঐতিহ্য সুরক্ষায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
নবরাত্রিতে মুসলিমদের প্রবেশ ঠেকানোর তাগিদ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের: তিলক ও পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক
ভারতের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব নবরাত্রিকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সনাতনী রীতি-নীতির পবিত্রতা বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আগামী অক্টোবর মাসে শুরু হতে যাওয়া এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং উৎসবের সার্বজনীন সনাতনী ঐতিহ্য রক্ষায় আয়োজকদের বিশেষ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। মহারাষ্ট্রে আসন্ন নবরাত্রির জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী ঐতিহ্য গার্বা ও দান্দিয়া নৃত্য আয়োজনে অন্য ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। আয়োজক পক্ষকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, উৎসবে অংশ নিতে আসা প্রতিটি ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা আধার কার্ড সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য মেনে কপালে তিলক পরা নিশ্চিত করতে হবে।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত