বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রেইচা এলাকায় একটি শিশুকে অসদাচরণের শিকার করার অভিযোগে এক চিকিৎসককে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি আইনি মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান, মানবাধিকার ও আইনের বিধান সুনিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বান্দরবানে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগ: জনতার হাতে আটক অভিযুক্ত
বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা এলাকায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্বাদশ বর্ষীয় এক শিশু কন্যাকে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম ডা. মানিক কুমার নাথ। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, রেইচা এলাকার একটি স্থানীয় চেম্বারে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয় শিশুটি। এক ক্যানভাসারের মাধ্যমে ওই শিশুটি চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে পৌঁছালে, সেবাপ্রদানের অজুহাতে তার ওপর শারীরিক নিপীড়ন চালানো হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে শিশুটি তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়। যেকোনো সমাজেই শিশু নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার সুরক্ষা একটি মৌলিক বিষয়, যা লংঘিত হলে জনমনে তা গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
ঘটনাক্রম সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ডা. মানিক কুমার নাথকে ঘটনাস্থলেই অবরুদ্ধ করে ফেলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আগেই স্থানীয় রেইচা ক্যাম্প পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং অভিযুক্ত চিকিৎসককে নিজেদের হেফাজতে নেয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') ঘটনার সত্যতা ও মানবাধিকার হরণের এই বিষয়টি বর্তমানে পুরো বান্দরবান জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক সমাজ ঘটনাটির নিরপেক্ষ এবং সঠিক তদন্ত দাবি করছে।
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত