হিন্দুস নিউজ
Topic Ads 1
রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

রূপা নিখোঁজের ২৭ দিন: উদ্ধার না করে উল্টো 'অর্থ বাণিজ্য' ও চরিত্র হরণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

নড়াইলে বোড়ামারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫ বছর বয়সী সনাতনী স্কুলছাত্রী রূপা দাস নিখোঁজের ২৭ দিন পার হলেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যা সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও মানবাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদরের বোড়ামারা-তুলারামপুর সড়ক থেকে বোড়ামারা গ্রামের পল্লব দাসের নাবালিকা কন্যা রূপা দাস নিখোঁজ হয়। পরিবারের অভিযোগ, স্কুলে যাওয়ার পথে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সহপাঠী মো. রবিউল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে। নিখোঁজের পর পরিবার নড়াইল সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে জোরপূর্বক অসত্য ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে একটি এজাহার (মামলা নং ১৭, তারিখ: ১৪-০৯-২০২৬) দায়ের করে, যা তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। পরিবারের দাবি, নড়াইল সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রধান আসামিদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীকে উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ) এর মধ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রূপার হারিয়ে যাওয়া স্কুলব্যাগ লাইব্রেরিতে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার হলেও তাতে অন্য কারও লেখা নাম পাওয়া যায়, যা নিয়ে তদন্তে পুলিশের কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। উল্টো পুলিশের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী নাবালিকার চরিত্র হরণ এবং পরিবারের ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এসআরবি-৬, জেলা প্রশাসক এবং সর্বশেষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে লিখিত আবেদন জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত রূপা দাসের কোনো সন্ধান মেলেনি। দেশের একজন করদাতা নাগরিক হিসেবে সনাতনী পরিবারের প্রতি প্রশাসনের এই চরম অবহেলা ও আইনের অপপ্রয়োগ সার্বিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক স্পষ্ট দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর একটি বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান কষ্টি পাথরের মূর্তি। গত বুধবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান, জি, আর্টিলারির নেতৃত্বে বিজিবির একটি চৌকস দল এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ডাবরী বিওপির সীমান্ত পিলার ৩৬৮/১-এস থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘মনিস কোয়ান’ নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত ও মালিকবিহীন অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী এই কষ্টি পাথরের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাচীন ও ধর্মীয় গুরুত্ব বহনকারী এই মূর্তিটির আনুমানিক সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবেই এই সফলতা অর্জিত হয়েছে। ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন স্পষ্ট জানিয়েছে যে মাদক, অবৈধ সম্পদ ও প্রত্নসম্পদ পাচার রুখতে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অটল রয়েছে এবং সার্বিক নিরাপত্তায় স্থানীয় সনাতনী ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে।

২৪ কেজি ওজনের অমূল্য কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

বগুড়ায় ৭৩১ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, মৃৎশিল্পীদের নিরলস সংগ্রাম

মহালয়ার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, আর এরই মধ্যে ঐতিহ্যবাহী শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়া। সনাতনী সংস্কৃতির সর্ববৃহৎ এই উৎসবকে ঘিরে জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরির কারখানায় এখন চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। মা দুর্গাকে বরণ করে নিতে মৃৎশিল্পীরা দিন-রাত এক করে নিপুণ হাতে মাটির প্রলেপ দিচ্ছেন, আবার কোথাও চলছে রং ও অলংকরণের কাজ। পঞ্জিকা মতে, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হবে এবং ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হবে মূল দুর্গোৎসব। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গার নৌকায় গমনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই শারদীয় মহা মিলনমেলা। সনাতনীদের আরাধনার এই মহা প্রহরে শহরের উত্তর চেলোপাড়াসহ বিভিন্ন কারখানায় গিয়ে দেখা যায় কারিগরদের নিরলস পরিশ্রমের চিত্র। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপসজ্জা, প্রবেশদ্বার নির্মাণ এবং আলোকসজ্জার কাজেও ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা।​উৎসবের এই আমেজ ছড়িয়ে পড়লেও কাঁচামাল ও কারিগরদের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছুটা চাপের মুখে পড়েছেন প্রতিমা শিল্পীরা। পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য মতে, গত বছরের চেয়ে এবার বগুড়ায় মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩১টিতে দাঁড়িয়েছে, যা সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উন্মাদনা ও ঐতিহ্য রক্ষার অদম্য প্রয়াসকেই তুলে ধরে। উৎসবকে শান্তিময় ও নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে সনাতনীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন মূল দাবি। জেলা প্রশাসন ও পূজা উদযাপন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে মণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন নিশ্চিত করা হচ্ছে। ভক্তদের সুবিধার্থে ও সার্বিক সহায়তায় সরকারি পর্যায় থেকে ৭৩০টি মণ্ডপের জন্য ৪৩৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সকল শঙ্কা কাটিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুষ্ঠু নজরদারি ও প্রশাসনের জোরালো ভূমিকার মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন তাদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিরাপদে উদযাপিত করতে পারেন, এখন বগুড়াজুড়ে শুধুই সেই প্রত্যাশা। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') সার্বিক প্রস্তুতি আর ভক্তদের আরাধনার অপেক্ষায় ঢাকের বাদ্যি ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হওয়ার প্রহর গুনছে বগুড়ার পূজামণ্ডপগুলো।

বগুড়ায় ৭৩১ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, মৃৎশিল্পীদের নিরলস সংগ্রাম

পাহাড়ে প্রতিটি দুর্গা মণ্ডপে পাহারায় থাকবে বিএনপি: সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রী জেরী'র

​সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে বান্দরবানের সকল পূজামণ্ডপে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরী জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকেরা যেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলা এবং দুটি পৌরসভার বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সনাতনীদের নিরাপত্তা রক্ষা ও উৎসবের সার্বিক সহযোগিতায় যেকোনো প্রয়োজনে বিএনপি নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে বলে জানান তিনি। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবাধিকার রক্ষায় বান্দরবানের এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ধরনের প্রস্তুতি স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের মাঝে আত্মবিশ্বাস ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে। সাচিং প্রু জেরীর এই আহ্বানের ফলে জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে পাহাড়ি-বাঙালি ও সকল জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতির এক চমৎকার পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে, যা পার্বত্য অঞ্চলের আবহমান সামাজিক সৌহার্দ্য ও সকল মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পাহাড়ে প্রতিটি দুর্গা মণ্ডপে পাহারায় থাকবে বিএনপি: সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রী জেরী'র

রাশেদ খান নিজেই পৌঁছে দিলেন মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র

ঝিনাইদহের বহুল আলোচিত ও সংগ্রামী যুবক মিশন আচার্যের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে হাতে পৌঁছেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগপত্র। বুধবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগানপাড়ার ভাড়া বাসায় গিয়ে মিশন আচার্য ও তার মা ময়না আচার্যের হাতে এই নিয়োগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আয়োজিত এ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।​প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অসামান্য সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েও শুধু নিজস্ব কোনো ভিটেমাটি বা স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের বেড়াজালে আটকে গিয়েছিল সনাতনী সম্প্রদায়ের এই মেধাবী যুবকের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে এক ভূমিহীন ও পিতৃহীন যুবকের স্বপ্নভঙ্গের এই হৃদয়বিদারক খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা মানবিক গণমানুষের নজর কাড়ে। পরবর্তীতে বিষয়টি অনুধাবন করে সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হলে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনায় সকল আইনি জটিলতা কেটে মিশন আচার্যের নিয়োগ সম্পন্ন হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​নিয়োগপত্র হস্তান্তরকালে এক সংক্ষিপ্ত ও আবেগঘন বক্তৃতায় রাশেদ খান পিতৃহীন মিশন ও অন্যের বাড়িতে কাজ করে ছেলেকে মানুষ করার মা ময়না আচার্যের অসীম সংগ্রামের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সমাজে পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতিটি মানুষের মানবিক অধিকার ও মৌলিক স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখাই নাগরিক দায়িত্ব। এমন এক প্রতিকূলতা জয় করা সনাতনী পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে অসহায় এই পরিবারের সার্বিক দায়িত্ব নেওয়া এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করা হয়। দীর্ঘ লড়াই শেষে নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে মিশণের চোখে-মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির ছাপ এবং অশ্রুসজল চোখে তারা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

রাশেদ খান নিজেই পৌঁছে দিলেন মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র

আজকের রাশিফল: দেবী লক্ষ্মীর বরদানে অণটনে মিলবে মুক্তি

​মেষ রাশি (♈): কর্মক্ষেত্রে আজ এমন কোনো গোপন সত্য আপনার সামনে আসবে, যা আপনার সিদ্ধান্তের দিক বদলে দিতে পারে। কাউকে অন্ধবিশ্বাস করার আগে বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করা জরুরি। আজ মা লক্ষ্মীর কৃপায় আচমকা কোনো আটকে থাকা অর্থ ফেরত পেতে পারেন। তবে সন্ধ্যাকালে কারো সাথে বিবাদে জড়ানো থেকে বিরত থাকুন।  ​বৃষ রাশি (♉): আজ আপনার কাছে পরিচিত কারো রহস্যময় আচরণ মনকে কিছুটা উদ্বিগ্ন রাখতে পারে। পারিবারিক দায়িত্বে অবহেলা করলে পরবর্তীতে বড় খেসারত দিতে হতে পারে। দেবী লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি আজ আপনার অর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত আজ আপনাকে বড় ধরণের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবে।  ​মিথুন রাশি (♊): সুযোগ আজ আপনার সামনে আসবে অলক্ষিতভাবে, কিন্তু তা চিনে নেওয়ার চাবিকাঠি আপনার বুদ্ধিতেই লুকিয়ে আছে। পুরনো কোনো ঋণ বা আর্থিক জটিলতা নিরসনে মা লক্ষ্মী আজ বিশেষ পথ দেখাবেন। আবেগের বশে কোনো চুক্তি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে দূরে থাকুন। দিনের শেষভাগে কোনো শুভ খবর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  ​কর্কট রাশি (♋): মনের গহীনে জমে থাকা অজানা ভয় আপনাকে আজ কাজের গতি থেকে পিছিয়ে রাখতে পারে। তবে বাস্তবকে মেনে নিয়ে এগিয়ে চললে দিনের দ্বিতীয়ভাগে অপ্রত্যাশিত সাফল্য পাবেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আজ দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে নতুন আয়ের উৎস খুলতে পারে। আপনার কোনো শুভাকাঙ্ক্ষীর উপদেশ আজ মন্ত্রের মতো কাজ করবে।  ​সিংহ রাশি (♌): আজ আপনার চারপাশে এক অদ্ভুত নেতিবাচক শক্তি কাজ করতে পারে, যা আপনাকে সিদ্ধান্তহীনতায় ফেলবে। আর্থিক বিষয়ে মা লক্ষ্মীর বিশেষ কৃপা আজ আপনাকে বড় কোনো বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দেবে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা না করলে লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে। আজ নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।  ​কন্যা রাশি (♍): আজ আপনার কঠোর পরিশ্রমে ভাগ্য কিছুটা সহায় হলেও কোনো অদৃশ্য বাধা আপনাকে মানসিক চাপে রাখতে পারে। তবে মায়ের সমতুল্য কারো পরামর্শে আজ কঠিন সমস্যার সমাধান মিলবে। লক্ষ্মী দেবীর কৃপায় অর্থ সঞ্চয়ের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। দিনের শেষভাগে অচেনা কারো থেকে পাওয়া তথ্য আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে।  ​তুলা রাশি (♎): আজ আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, কারণ আড়ালে থাকা কোনো শত্রু আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে আজ ভাগ্য আপনার সহায় থাকবে এবং আর্থিক বৃদ্ধি ঘটবে। বাস্তব আর কল্পনার মধ্যে পার্থক্য বুঝে কাজ না করলে বিভ্রান্তি বাড়বে। প্রেমে আজ কোনো রহস্যের জট খুলতে পারে।  ​বৃশ্চিক রাশি (♏): আজ আকস্মিক কোনো ঘটনা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিস্ময় এনে দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আজ আপনার দক্ষতা সকলের নজর কাড়বে, তবে গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রয়োজন। মা লক্ষ্মী আজ আপনার ঘরে ধন-সম্পদের নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে পারেন। শরীর ও স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো অবহেলা না করাই শ্রেয়।  ​ধনু রাশি (♐): আজ যা দেখছেন, বাস্তবতা তার চেয়ে অনেকটাই ভিন্ন হতে পারে। কোনো বড় আর্থিক বিনিয়োগের আগে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মা লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি থাকায় আজ আকস্মিক ধনলাভের একটি যোগ তৈরি হচ্ছে। পরিবারের কারো গোপন সিদ্ধান্ত আজ পুরো পরিবেশ বদলে দিতে পারে।  ​মকর রাশি (♑): কাজের চাপে নিজেকে কিছুটা হারিয়ে ফেলার অনুভূতি হতে পারে, কিন্তু অলৌকিক কোনো শক্তি আপনাকে সঠিক পথ দেখাবে। দেবী লক্ষ্মীর বরদানে আজ আপনার পারিবারিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আজ আপনাকে একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে দূরত্ব বাড়াবেন না।  ​কুম্ভ রাশি (♒): আপনার অবচেতন মনের কোনো পুরোনো পরিকল্পনা আজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। অহেতুক খরচ এড়িয়ে চললে মা লক্ষ্মীর স্থায়ী কৃপা আপনার ওপর বজায় থাকবে। বাস্তবসম্মত চিন্তা এবং সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত আজ আপনাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সন্দেহজনক কোনো আর্থিক প্রস্তাবে আজ হাত দেবেন না।  ​মীন রাশি (♓): আজ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো লুকিয়ে থাকা সত্য সামনে এলে আপনি কিছুটা স্তম্ভিত হতে পারেন। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজের বুদ্ধিমত্তা ও ধৈর্যের পরিচয় দিন। দেবী লক্ষ্মীর কৃপায় অর্থাভাব দূর হবে এবং কাজের নতুন দিশা পাবেন। সন্ধ্যার দিকে কোনো রহস্যময় শুভ ঘটনা আপনার মন ভালো করে দেবে।  

আজকের রাশিফল: দেবী লক্ষ্মীর বরদানে অণটনে মিলবে মুক্তি

হরিজন শিল্পী পতন বাঁসফোরের হাতে রূপ পাচ্ছেন দেবী দুর্গা

সমাজ ও জাতপাতের প্রচলিত গোঁড়ামি এবং শত বছরের অবহেলার শিকল ছিঁড়ে এক অনন্য ইতিহাস রচনা করছেন রংপুরের হরিজন সম্প্রদায়ের শিল্পী পতন বাঁসফোর। যুগের পর যুগ ধরে সমাজে প্রান্তিক ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেশা চাপিয়ে দেওয়ার যে সংকীর্ণ মানসিকতা লালন করা হয়েছে, তাকে পুরোপুরি বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন তিনি। শিল্পের নেই কোনো জাত, গোত্র বা সীমানা—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে ধারণ করে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলছেন শারদীয় দুর্গোৎসবের শ্রীশ্রী দেবী দুর্গার মৃণ্ময়ী প্রতিমা। তাঁর এই সৃজনশীল ও সাহসী কর্মপ্রয়াস কেবল শিল্পাঙ্গনেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং হিন্দু সমাজের অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নিরসন, সাম্য ও অন্তর্ভুক্তির এক শক্তিশালী বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।​খড়, বাঁশ, মাটি আর সুতলির নিখুঁত বুননে যখন পতন বাঁসফোরের হাতে একের পর এক প্রাণ পাচ্ছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের পবিত্র অবয়ব, তখন প্রতিমা তৈরির প্রতিটি তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠছে তাঁর জীবনসংগ্রাম, আত্মমর্যাদা ও বিজয়ের উপাখ্যান। হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের তৈরি প্রতিমায় দেবীর আবাহন সমাজে শতবর্ষ ধরে গেড়ে বসা মনস্তাত্ত্বিক বৈষম্যের মূলোৎপাটন ঘটাচ্ছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') স্থানীয় সচেতন মহল ও হিন্দু ধর্মীয় সংগঠকগণ তাঁর এই শৈল্পিক অবদানকে ব্যাপক সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সনাতন ধর্মের প্রকৃত মূলভাবই হলো সর্বজীবে ঈশ্বরের উপস্থিতি ও জাতিভেদহীন ভাতৃত্ববোধ; ফলে পতন বাঁসফোরের এই উদ্যোগ সনাতনী সমাজের অভ্যন্তরীণ রূপান্তর ও প্রগতিশীল ধারাকে আরও বেগবান করবে।​অধিকারকর্মী ও সমাজ বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল একটি সাধারণ পূজা বা প্রতিমা নির্মাণের কাজ নয়, বরং এটি প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক অকুতোভয় সামাজিক লড়াই। পেশাগত অবহেলা ও সামাজিক দূরত্বকে পেছনে ফেলে মূলধারার ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতিতে হরিজনদের এই উজ্জ্বল উপস্থিতি জাতিভিত্তিক বৈষম্য দূর করতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। রংপুরের এই শ্রমজীবী মৃৎশিল্পীর উদ্যোগ আজ আর কেবল আঞ্চলিক কোনো সংবাদে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সনাতন সমাজব্যবস্থায় জাতপাতের দেয়াল ভেঙে মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও হিন্দু ঐক্যের এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরিজন শিল্পী পতন বাঁসফোরের হাতে রূপ পাচ্ছেন দেবী দুর্গা

প্রেমানন্দের আশ্রমে শিষ্যের মৃত্যুতে তুঙ্গে প্রশ্ন ও জল্পনা

ভারতের মথুরায় প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে শিষ্য রাসিক দুলারির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নতুন ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর আশ্রমের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে রাসিকের মৃত্যু হয়, যা প্রথমদিকে পুলিশ আত্মহত্যা বলে ধরে নিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজে এক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে স্পষ্ট ফুটে ওঠে রাসিক রক্তমাখা পোশাক পরা অবস্থায় নিজ কক্ষ থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ছাদে যান এবং সেখানে কিছুক্ষণ শুয়ে-বসে থেকে নিচে পড়ে যান। এই ভয়াবহ ঘটনার আগে তার শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়ার বিষয়টি মৃত্যুর আসল কারণ নিয়ে গুরুতর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে এবং মানবসত্তা ও অধিকারের জায়গা থেকে ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলছে।​মথুরা পুলিশ বর্তমানে এই রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছে এবং ইতোমধ্যে পরিদর্শনের পাশাপাশি ৮৫ জনের বক্তব্য গ্রহণ করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশ্রমে নতুন কেউ যোগ দেওয়ার পর তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হতো এবং নতুন ফোন ও সিম কার্ড প্রদান করা হতো। শিষ্যদের মোবাইল ব্যবহারে এমন কঠোর বিধিনিষেধের পেছনে কোনো নজরদারি কিংবা কোনো মানসিক চাপ ছিল কি না, তা এখন গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবার এবং পুরোনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ প্রায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ তদন্তকারীদের বিশেষভাবে ভাবিয়ে তুলছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​রাসিক দুলারির পরিবার ও তার ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি তার মানসিক চাপ, পুরোনো ফোন, নতুন সিম ও ডিজিটাল কল রেকর্ডের তথ্য এখন পরীক্ষার টেবিলে। তার রক্তে কোনো মাদক কিংবা বিষাক্ত ওষুধের উপস্থিতি ছিল কি না, তা জানতেও নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। কোনো আশ্রম বা ধর্মীয় পরিমণ্ডলে শিষ্যদের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি আজ এক বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃত সত্য উন্মোচন করে রাসিক দুলারির অকাল ও রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার দিকেই আজ তীক্ষ্ণ নজর রাখছে সবাই।

প্রেমানন্দের আশ্রমে শিষ্যের মৃত্যুতে তুঙ্গে প্রশ্ন ও জল্পনা

আকাশে ডানা মেলল কার্বনমুক্ত বিমান, ইতিহাস গড়লেন চুয়েটের প্রাক্তন ছাত্রী দেবযানী

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের উজ্জ্বল নাম দেবযানী ঘোষ। বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় এবং প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন চট্টগ্রামের বীর সন্তান সনাতনী কন্যা দেবযানী ঘোষ। ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জার্মানির স্টুটগার্ট বিমানবন্দর থেকে সফলভাবে আকাশে ডানা মেলেছিল চার আসনের পরিবেশবান্ধব 'এইচওয়াই ৪' (HY4) বিমান। হাইড্রোজেন জ্বালানি কোষ ও ব্যাটারির সমন্বয়ে পরিচালিত এই উড়োজাহাজকে বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণমুক্ত বিমান তৈরির গবেষণায় এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মানবজাতির জন্য এই যুগান্তকারী প্রযুক্তি আবিষ্কারের নেপথ্যে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন বাংলাদেশি এই গবেষক।​চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম নেওয়া দেবযানী ঘোষের শিক্ষার হাতেখড়ি নিজ শহরেই। অপর্ণাচরণ উচ্চ বিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে কিছুদিন শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তিনি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান জার্মানিতে। সেখানে বিখ্যাত আরডব্লিউটিএইচ আচেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্ষমতা প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরবর্তীতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে উচ্চতর গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন।​জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টারের নেতৃত্বে এবং ইউনিভার্সিটি অব উলমের গবেষণা দলের অংশ হিসেবে 'এইচওয়াই ৪' প্রকল্পে পিএইচডি গবেষক হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন দেবযানী। এই ঐতিহাসিক প্রকল্পে তাঁর মূল দায়িত্ব ছিল ফুয়েল সেল ও ব্যাটারি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎকে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহারের জন্য নতুন 'সিলিকন কার্বাইডভিত্তিক পাওয়ার ইলেকট্রনিকস ব্যবস্থা' তৈরি করা। পাশাপাশি সম্পূর্ণ ব্যবস্থার বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ ও শক্তির প্রবাহ সফলভাবে ব্যবস্থাপনা করেন তিনি। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বিশ্বমঞ্চে একজন নারী ও সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির এই অনন্য সাফল্য সমগ্র মানবজাতি ও বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল গর্বের বিষয়। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে স্বমহিমায় ভাস্বর দেবযানীর এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক সুযোগ ও অধ্যবসায় থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বের উন্নতির ধারাকে পথ দেখাতে পারে আমাদের মেধাবী সন্তানরা।

আকাশে ডানা মেলল কার্বনমুক্ত বিমান, ইতিহাস গড়লেন চুয়েটের প্রাক্তন ছাত্রী দেবযানী

ধর্ম ও পরিচয় যেন না হয় বাধা, সম-অধিকারের নতুন প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

নাগরিকের ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতিগত পরিচয় যেন কোনো অবস্থাতেই অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শীর্ষ প্রতিনিধি দলের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।​শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের নানা দীর্ঘদিনের সমস্যা, অধিকার ও দাবি-দাওয়া সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে প্রতিনিধি দলের কথা শোনেন এবং জানান যে, কোনো ধরনের বৈষম্য না রেখে প্রতিটি সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিচ্ছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং সরকারের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা থাকবে।​মতবিনিময়কালে অসাম্প্রদায়িক চেতনা জোরদারকরণ এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বৃদ্ধি করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা মন্তব্য করেন, এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ফলে উৎসবের আনন্দ দেশজুড়ে আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শনের উদাত্ত আহ্বান জানান।​অনুষ্ঠানের শেষভাগে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের সুবিধার্থে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের হাতে বিশেষ অনুদানের অর্থ বরাদ্দ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রাথমিক আবেদন করা হলেও সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক কল্যাণ বিবেচনা করে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে চাওয়া অনুদানের চেয়ে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের চেক হস্তান্তর করা হয়। এই বরাদ্দের অর্থ জেলা প্রশাসন ও সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। সভায় বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতা, সংসদ সদস্য এবং হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবীণ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম ও পরিচয় যেন না হয় বাধা, সম-অধিকারের নতুন প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

দুর্গাপূজায় বান্দরবানের প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা ও অনুদান প্রদান

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বান্দরবান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং ভক্তদের নির্বিঘ্ন পূজা অর্চনার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলার প্রতিটি মণ্ডপে যাতে সনাতন ধর্মের অনুসারীরা কোনো প্রকার ভয়ভীতি বা বিঘ্ন ছাড়া তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সেজন্য বিশেষ নজরদারি ও সার্বিক সহযোগিতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী ও মানবাধিকার সচেতন জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সনাতনী সম্প্রদায়ের সুরক্ষাকে এবার সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।​সভা শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সনাতনী সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা ও ধর্মীয় আয়োজকদের উৎসাহিত করতে বেশ কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস উপস্থিত থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপের পরিচালকদের হাতে সরকারি অনুদান তুলে দেন। সেই সাথে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নম্বর সম্বলিত বিশেষ প্লেকার্ড এবং নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য একটি করে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিতরণ করা হয়। পূজা প্রাঙ্গণের পরিবেশ রক্ষায় ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে পৃথক ডাস্টবিনও হস্তান্তর করা হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') প্রশাসনের এই উদ্যোগকে বান্দরবানের স্থানীয় সনাতনী সমাজ অত্যন্ত ইতিবাচক ও মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি বলিষ্ঠ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার, আর তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভূমিকা পালন করবে।

দুর্গাপূজায় বান্দরবানের প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা ও অনুদান প্রদান

দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপে মণ্ডপে ডিএসসিসির অর্থ সহায়তা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় সাড়ম্বরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিশ্চিতের অংশ হিসেবে ১৬৮টি পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবারে নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মণ্ডপ প্রতিনিধিদের হাতে মোট ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার অনুদানের অর্থ তুলে দেন। ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকার সর্বজনীন পূজা মণ্ডপগুলোর বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধি অংশ নেন। বহু জাতির ও বহু ধর্মের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা বাংলাদেশে সকল নাগরিকের সমান সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগকে উপস্থিত সনাতনী সমাজের প্রতিনিধিরা সাধুবাদ জানান।​প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন যে দেশকে রক্ষা করতে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আমাদের সকলের এবং এ দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো আমরা সবাই বাংলাদেশি। শারদীয় দুর্গাপূজার আগে ও চলাকালীন সময়ে শহরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সীমানার ভেতরের সড়কবাতি সচল রাখা এবং ড্রেন-নর্দমা পরিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা দেওয়ার বিষয়ে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ছাড়াও পূজার সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য তিন দিন আগে থেকেই নগর ভবনে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অর্থের অংকের চেয়েও বড় কথা হলো সনাতনী পূজা মণ্ডপগুলোর প্রতিনিধিদের এভাবে মূল্যায়িত ও পুরস্কৃত করায় পূজার সার্বিক আনন্দ বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপে মণ্ডপে ডিএসসিসির অর্থ সহায়তা

আজকের রাশিফল: বিঘ্নহর্তা গণেশের সিদ্ধি দৃষ্টিতে কোন রাশির দূর হবে অমাবস্যার অন্ধকার?

​মেষ রাশি ♈আজ আপনার সামনে অপ্রত্যাশিত কোনো সুযোগ ভেসে উঠতে পারে, যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও গভীরে লুকিয়ে আছে বড় কোনো পরিবর্তন। পুরোনো কোনো পরিচিত ব্যক্তির হঠাৎ আগমন আপনার চিন্তার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন, নতুবা কোনো বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত হাতছাড়া হতে পারে। দিনের শেষে গোপন কোনো তথ্য আপনার হস্তগত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।​বৃষ রাশি ♉আর্থিক বিষয়ে অতিরিক্ত কৌতূহল বা তাড়াহুড়ো আজ বিপদ ডেকে আনতে পারে। চারপাশে অনেক কথা শুনলেও নিজের ভেতরে জমে থাকা অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো বিশ্বস্ত মানুষের আচরণে গোপন কোনো বার্তা লুকিয়ে থাকতে পারে, তা বোঝার চেষ্টা করুন। গণেশদেবের স্মরণে দিনের জটিলতাগুলো অনেকটাই সহজ হয়ে আসবে।​মিথুন রাশি ♊কাজের জায়গায় জটিল কোনো ধাঁধার মুখোমুখি হতে পারেন, যা সমাধানে আপনার উপস্থিত বুদ্ধিই হবে একমাত্র হাতিয়ার। অচেনা কারও সাথে গভীর কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে চলাই ভালো। বাস্তবতাকে এড়িয়ে কোনো কল্পনার জগতে হারিয়ে গেলে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়বে। সন্ধ্যায় একটি অদ্ভুত বার্তা আপনাকে মানসিকভাবে নাড়া দিতে পারে।​কর্কট রাশি ♋আপনার ভেতরের কোনো সুপ্ত ভয় আজ হঠাৎ করেই বাস্তব রূপে দেখা দিতে পারে, তবে তা মোকাবিলা করার শক্তিও আপনার ভেতরেই আছে। পারিবারিক বিষয়ে কোনো পুরনো অমীমাংসিত সত্য আজ আলোয় আসতে পারে। সব কথা সবাইকে প্রকাশ না করাই আজ শ্রেয়। সঠিক সময়ে নেওয়া একটি ছোট পদক্ষেপ বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করবে।​সিংহ রাশি ♌নেতৃত্ব বা কর্তৃত্ব দেখানোর ক্ষেত্রে আজ কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে পারেন। বাস্তব পরিস্থিতি আপনার পরিকল্পনার বিপরীতমুখী মনে হলেও ধৈর্য ধরাই হবে আপনার প্রধান অস্ত্র। কাজের পেছনে চলা কোনো গোপন ষড়যন্ত্র আজ আপনার চোখে পড়ে যেতে পারে। সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদে শেষ মুহূর্তে কোনো বাধা দূর হওয়ার যোগ রয়েছে।​কন্যা রাশি ♍হিসেব-নিকাশ আর সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের বাইরে গিয়ে আজ আপনার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা অন্তর্দৃষ্টিকে প্রাধান্য দিন। কর্মক্ষেত্রে আপাতদৃষ্টিতে যা অসম্ভব মনে হচ্ছে, তার আড়ালেই লুকিয়ে আছে মূল সমাধান। কাছের কারও আচরণের পেছনের রহস্য জানার কৌতুহল সামলে চলুন। বাস্তবতা ও অনুভূতির সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করাই আজকের মূল মন্ত্র।​তুলা রাশি ♎সম্পর্কের ক্ষেত্রে আজ কোনো বড় টানাপোড়েন বা গোপন সত্য উদঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাহ্যিক সুন্দরের আড়ালে থাকা বাস্তব রূপটি দেখে আজ আপনি কিছুটা চমকে যেতে পারেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনুভূতির চেয়ে বাস্তব লাভ-ক্ষতির হিসাবটাই বেশি জরুরি। নিজের ব্যক্তিগত পরিকল্পনা আজ গোপনেই রাখুন।​বৃশ্চিক রাশি ♏আজ আপনার চারপাশে এক অদৃশ্য রহস্যের মায়াজাল ঘনীভূত হতে পারে। পুরোনো কোনো ভুল বা হারিয়ে যাওয়া কোনো জিনিস হঠাৎ করে নতুন করে সামনে চলে আসবে। শত্রুপক্ষের প্রতি নজর রাখুন, তারা শান্ত থাকলেও গভীর কোনো চাল চালতে পারে। বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গিই আজ আপনাকে যেকোনো ফাঁদ থেকে বাঁচাবে।​ধনু রাশি ♐নতুন কোনো পথ বেছে নেওয়ার আগে আজ সবদিক ভালোভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো অবিশ্বাস্য অফার বা আকর্ষণীয় বার্তা আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে, যার গভীরে বড় কোনো ঝুঁকি লুকিয়ে আছে। বাস্তবতার কঠিন মাটিতে পা রেখে সিদ্ধান্ত নিন। বিঘ্নহর্তা গণেশদেবের কৃপায় দিনের শেষভাগে সমস্যার জটিলতা কাটতে শুরু করবে।​মকর রাশি ♑কঠোর পরিশ্রমের মাঝেও আজ মনে হতে পারে আপনি যেন অচেনা কোনো বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের কোনো গোপন চাওয়া পূরণ হওয়ার সূক্ষ্ম সংকেত মিলতে পারে। আবেগের বশে কোনো বাস্তব প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ধীরগতির অগ্রগতি হলেও দিনশেষে আপনার অবস্থান শক্ত থাকবে।​কুম্ভ রাশি ♒আপনার উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা আজ অন্যদের কাছে রহস্যময় ও জটিল মনে হতে পারে। কোনো পরিচিত মানুষের মুখোশের আড়ালের রূপ প্রকাশ পাওয়ায় আপনি বাস্তবতার মুখোমুখি হবেন। অর্থের লেনদেনে সতর্ক না থাকলে কোনো অলক্ষিত ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা আছে। নিজের গোপন উদ্দেশ্য এখনই কারও কাছে স্পষ্ট করবেন না।​মীন রাশি ♓আজকের দিনে বাস্তবতা ও কল্পনার মধ্যকার সীমানা কিছুটা ঝাপসা মনে হতে পারে। অচেনা কোনো ইঙ্গিত বা স্বপ্নের প্রভাব সারা দিন আপনার মনকে আচ্ছন্ন রাখতে পারে। তবে বাস্তব দুনিয়ার দায়িত্ব এড়িয়ে গেলে বড় মাশুল গুনতে হতে পারে। গণেশদেবের কৃপায় মনঃসংযোগ বজায় রাখলে বড় কোনো সংকট এড়ানো সম্ভব।

আজকের রাশিফল: বিঘ্নহর্তা গণেশের সিদ্ধি দৃষ্টিতে কোন রাশির দূর হবে অমাবস্যার অন্ধকার?

বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র অববাহিকা ও সীমান্ত অঞ্চলের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া হাজার বছরের প্রাচীন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অপরাপর সংস্কৃতির অমূল্য প্রত্নসম্পদ অবশেষে ঠাঁই পেল জাতীয় জাদুঘরের সুরক্ষিত হেফাজতে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১ বিজিবি, রাজশাহী ব্যাটালিয়ন)-এর দীর্ঘ প্রশাসনিক তৎপরতায় উদ্ধারকৃত একটি অতি দুর্লভ রেবন্ত মূর্তি, জৈন তীর্থংকর, অপরাজিতা, মহাকালী চামুণ্ডা, নটরাজ শিব ও বেশ কয়েকটি বিষ্ণুমূর্তিসহ মোট ২৬টি প্রাচীন ভাস্কর্য এবং ১ হাজার ৮১৮টি প্রাচীন ধাতব মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে জাতীয় জাদুঘরের ইতিহাস ও ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগে।​উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দিক থেকে সবচেয়ে বড় চমক বেলে পাথরের তৈরি সূর্যপুত্র 'রেবন্ত'-এর মূর্তিটি। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ভাস্কর্যটি সপ্তম শতকের—যা এ অঞ্চলের প্রাচীন সনাতনী ভাস্কর্যশৈলী ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক বিরল দলিল। হিন্দু শাস্ত্র ও পৌরাণিক বর্ণনা মতে, রৈবত বা রেবন্ত হলেন সৌরদেবতা সূর্য ও তাঁর পত্নী সংজ্ঞার কনিষ্ঠ সন্তান। প্রাচীন বাংলা ও বিহারের মধ্যযুগীয় ধারায় ঘোড়ায় চড়া শিকারির বেশে তাঁর পূজার বিশেষ প্রচলন ছিল। সম্প্রতি হস্তান্তরিত এই সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনায় প্রত্ন-গবেষকরা জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের সনাতন ধর্মীয় ভাবধারা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত ছিল, তা এই ভাস্কর্যগুলোর মাধ্যমে আবারও দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')​উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে নবম-দশম শতকের জৈন তীর্থংকর, একাদশ-দ্বাদশ শতকের অপরাজিতা দেবী, বিক্রমশালী চামুণ্ডা, তাণ্ডবরূপী নটরাজ শিব, অক্ষত শিবলিঙ্গ এবং বেশ কিছু প্রাচীন কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি রয়েছে। গোদাগাড়ী, বাঘা, চারঘাট ও কাটাখালীর মতো সীমান্তবর্তী নদীঘেঁষা এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় বিজিবির হাতে আটক হওয়া এসব নিদর্শন পাচারকারীদের হাত থেকে বেঁচে যায়। পরবর্তীতে ব্যাটালিয়নে উপযুক্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় এবং জাতীয় সম্পদ বিনষ্টের ঝুঁকিতে পড়ায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত টানা ৯টি দাপ্তরিক চিঠি আদান-প্রদানের পর চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল পাঠায় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।​বিজিবি ও জাতীয় জাদুঘরের এই যৌথ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ঐতিহ্যপ্রেমীরা বলছেন, বাংলার প্রাচীন সনাতনী ও ধার্মিক ঐতিহ্যের এসব প্রত্নবস্তু রক্ষা করা শুধু ইতিহাস রক্ষা নয়, বরং এ দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের ভিত্তিকে সমৃদ্ধ করা। জাতীয় জাদুঘরের সংরক্ষণ রসায়নাগার বিভাগে প্রয়োজনীয় পরিচর্যা শেষ হলেই বিশেষ প্রদর্শনী ও গবেষণার জন্য এসব অমূল্য ঐতিহাসিক সম্পদ উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বরেন্দ্রর মাটি থেকে মিলল সপ্তম শতকের বিরল সূর্যপুত্র ‘রেবন্ত’ ভাস্কর্য

ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সনাতনী যুবক কারাগারে

ঘিওরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও ছবি পোস্ট করার অভিযোগে বাসুদেব রাজবংশী (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করার পর পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘিওর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে আদালতে সমর্পণ করা হয়। প্রাথমিক বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘিওর আমলি আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।​তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত কিছু পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টিকে ঘিরে পরিস্থিতি যাতে বিষিয়ে না ওঠে এবং সামাজিকভাবে বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') এ ঘটনায় ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে সার্বিক বিচারিক প্রক্রিয়া এবং অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা প্রমাণের বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের একতিয়ারাধীন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এলাকার সার্বিক শান্তি ও সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সকলকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সনাতনী যুবক কারাগারে

সিডনিতে বিপিএ-র দশম মহালয়া উদ্‌যাপন

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে উৎসবমুখর, ধর্মীয় আবহাওয়া ও অত্যন্ত শ্রদ্ধাঘন পরিবেশে বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)-র দশম মহালয়া উদ্‌যাপিত হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার নিউ সাউথ ওয়েলসের বিক্রফটে অবস্থিত রোজলিয়া কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাঙালির মহাসমাগম ঘটে। শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বারতাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি প্রবাসী বাঙালিদের আত্মিক টান, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা এবং সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।​অনুষ্ঠানের সূচনায় বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট উপস্থিত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি মহালয়ার ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সংক্ষেপে বর্ণনা করেন এবং ২০১৬ সালে সিডনির কোগারাহ স্কুল অব আর্টসে সীমিত পরিসরে শুরু হওয়া বিপিএ-র মহালয়া আয়োজনের এক দশকের পথচলার স্মৃতিতর্পণ করেন। দীর্ঘ এই সময়ে সংগঠনটির নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াসে এই উদ্যোগ প্রবাসের মাটিতে অন্যতম প্রধান শারদীয় উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।​সুমিতা দে ও অনুপম গোস্বামীর দক্ষ পরিচালনা ও দিকনির্দেশনায় চণ্ডীপাঠ, আগমনী গান, আবৃত্তি ও নান্দনিক মঞ্চায়নের মাধ্যমে দেবীপক্ষের চিরায়ত আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল জ্যোতি বিশ্বাসের সুললিত কণ্ঠে চণ্ডীপাঠ এবং জন্মেজয় রায়ের জীবন্ত তবলা সংগত, যা সমগ্র মিলনায়তনে এক গভীর আধ্যাত্মিক পরিবেশের সৃষ্টি করে। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') বহু দূরে প্রবাসে বাস করেও এই পরিবেশনা উপস্থিত সর্বস্তরের সনাতনী ও সুধী সমাজকে বাংলার আবহমান সংস্কৃতির শিকড়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।​এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মাঝে নিজস্ব ভাষা, ঐতিহ্য, আচার-অনুষ্ঠান ও মানবিক সম্প্রীতির শিক্ষা সঞ্চালিত করার এক প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়। সিডনির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সাধারণ মানুষের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে, যেখানে বিভিন্ন জাতি ও ধর্ম-বর্ণের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মানবিকতা এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সংগঠনের সেক্রেটারি দিবাকর সমদ্দার উপস্থিত ভক্ত ও দর্শক, শিল্পী, কলাকুশলী, স্বেচ্ছাসেবী এবং সকল শুভানুধ্যায়ীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই মাইলফলক স্পর্শ করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে এবং প্রবাসের বুকে বাঙালির এই নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ সূচনা ঘোষণা করা হয়।

সিডনিতে বিপিএ-র দশম মহালয়া উদ্‌যাপন