চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় এক হিন্দু গৃহবধূকে অচেতন করে স্বর্ণালঙ্কার, রুপার জিনিসপত্র ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (দুপুরে) উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাতাকোট গ্রামের কুনাই ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ টুম্পা রানী দাশকে এক ধরনের চেতনানাশক ব্যবহার করে অচেতন করার পর ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার, রুপার সামগ্রী ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বোরকা পরিহিত দুই ব্যক্তি। ঘটনার পর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অচেতন থাকার পর স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়ে তিনি স্বাভাবিক হন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় বাড়িতে একাই ছিলেন টুম্পা রানী দাশ। হঠাৎ পাশের একটি ঘর থেকে শব্দ শুনে তিনি সেখানে গেলে বোরকা পরা দুই ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক ধরে ফেলে। পরে তার নাক ও মুখ চেপে ধরে চেতনানাশক জাতীয় কিছু ব্যবহার করলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর দুর্বৃত্তরা ঘরের আলমিরা খুলে প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, প্রায় ৪ ভরি রুপার জিনিসপত্র এবং নগদ প্রায় ২২ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর স্বামী বরুন দাশ জানান, সকাল প্রায় ১০টার দিকে তার স্ত্রীকে অচেতন করে এই লুটের ঘটনা ঘটানো হয়। পরে পাশের ঘরের এক নারী আত্মীয় এসে টুম্পা রানী দাশকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান এবং বিষয়টি পরিবারকে জানান। কিছু সময় পর তার জ্ঞান ফেরে এবং তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন।
বরুন দাশ বলেন, দিনদুপুরে এমন ঘটনা তাদের পরিবারকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। তিনি দাবি করেন, আগে গ্রামাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা খুব একটা ঘটতো না। হঠাৎ করে এমন ঘটনায় তারা হতবাক এবং এতে তাদের আর্থিকভাবে বড় ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মতামত