শনিবার তারা মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামাল কাছনা দাসপাড়া এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।


নেতৃবৃন্দ এ ধরনের হামলাকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রংপুর মহানগরে মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত এক হত্যাকাণ্ডের পরদিনই এই হামলার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে মাছুয়াপাড়া বাজার এলাকায় রাকিব হাসান (১৭) নামে এক কিশোরকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, বৈরাগিপাড়া এলাকার মমিন নামের এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক কারবার বন্ধ করতে বলায় তার সঙ্গে রাকিবের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে মমিনের নেতৃত্বে কয়েকজন রাকিবকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ রহমান জানান, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তারা হামলার শিকার হয়েছেন। এতে বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নারী ও শিশুসহ বাসিন্দারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যদিও হতাহতের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উভয় ঘটনাই গুরুত্বসহকারে তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

মতামত