হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান শেখ। তারাই হনুমানটির প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। ঘটনাটির কিছু ছবি রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ডা. মাসুমা আখতার জানান, দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হনুমানটির শরীরের পেছনের অংশে গুরুতর ক্ষত হয়েছে। আহত অবস্থায় প্রাণীটি চিকিৎসার জন্য প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়, এমনকি থানাতেও যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে—যা ঘটনাটিকে আরও বিস্ময়কর করে তোলে।
হাসপাতালে এসে হনুমানটি প্রথমে চিকিৎসা শেডের একটি টেবিলে চুপচাপ বসে থাকে। পরে ফার্মেসি কক্ষে ঢুকে বিভিন্ন ওষুধের বোতল খুলে গন্ধ নেয় এবং কিছু খাওয়ারও চেষ্টা করে। উপস্থিত সবার কাছে এটি ছিল এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।
সবচেয়ে মুগ্ধ করার বিষয়—চিকিৎসার সময় হনুমানটি একেবারেই শান্ত ছিল এবং কোনো বাধা দেয়নি। চিকিৎসকরা তার ক্ষতস্থানে ভায়োডিন দিয়ে পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
এই ঘটনাটি শুধু একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্যই নয়, বরং প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা, অনুভূতি এবং মানুষের প্রতি তাদের আস্থার এক গভীর বার্তা বহন করে।
মতামত