সম্প্রতি তিন দিনের দিল্লি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা সূক্ষ্ম বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেই সফরের সফল পরিণতি হিসেবেই এই ভিসা প্রক্রিয়া পুনরায় সচল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের ভারতের ওপর যে আস্থা ও নির্ভরতা রয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকেই সম্মান জানানো হয়েছে।
আলোচনা চলাকালে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল সরবরাহ করে পাশে দাঁড়ানোর জন্য ভারত সরকারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়। উপদেষ্টার বক্তব্যে ফুটে ওঠে যে, সংকটের সময়ে পরীক্ষিত বন্ধুর মতো ভারতের এই সহযোগিতা দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের এই উদার পদক্ষেপের ফলে সাধারণ রোগী এবং ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এই নতুন মোড় দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির এক নতুন বাতাবরণ সৃষ্টি করবে, যা উভয় দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও পারস্পরিক উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করবে।
মতামত