রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, নানা প্রতিকূলতা ও ঝুঁকি উপেক্ষা করে সাংবাদিকরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে নগরজীবনের প্রতিটি স্তরের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই সাধারণ মানুষের না বলা কথা, অবহেলিত জনপদের সমস্যা, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে গণমাধ্যমে। ফলে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। তাদের প্রতিবেদনই অনেক সময় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই তাদের কাজের পরিবেশ নিরাপদ ও স্বাধীন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় সাংবাদিকদের নানা প্রতিবন্ধকতা, হুমকি ও নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়। তবুও পেশাগত দায়িত্ববোধ ও সত্যের প্রতি অঙ্গীকার থেকেই তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ প্রেক্ষাপটে মে দিবসে তাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জোরালোভাবে উঠে এসেছে।
মে দিবসের চেতনাকে ধারণ করে সকল শ্রমজীবী মানুষের ন্যায় সাংবাদিক সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের অবদান আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।
মতামত