হরি মন্দিরে চুরির পর চোরচক্র ওই মন্দিরের ভূমিদাতা স্বর্গীয় শ্রী অলক কর্মকারের পারিবারিক মন্দিরেও হানা দেয় এবং সেখান থেকে মূল্যবান পূজার সরঞ্জামাদি চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া একই পাড়ার বাসিন্দা তপন কর্মকারের বসতবাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটে, যেখান থেকে গৃহস্থালি সামগ্রী লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মন্দির প্রাঙ্গণের দূরত্ব মাত্র দুই মিনিটের পথ হলেও রহস্যজনক কারণে সেখানে গ্রামপুলিশের কোনো তৎপরতা ছিল না। যাতায়াত ব্যবস্থা অনুন্নত এবং এলাকাটি কিছুটা পিছিয়ে পড়া হওয়ায় দুষ্কৃতকারীরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকাকে পরিচালনা কমিটির চরম ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। একই সাথে কমিটির বেশিরভাগ সদস্য গ্রামের বাইরে অবস্থান করায় তদারকির অভাবকেও এই নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন তারা।
এই ঘটনার পর থেকে পুরো কর্মকার পাড়ায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিজেদের জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন সনাতনী পরিবারগুলো। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী দ্রুত চোর শনাক্তকরণ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তবে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মামলা সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
মতামত