পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান মাড়াইয়ের কাজের জন্য গত সোমবার একটি ধান মাড়াই মেশিন কেনেন নিরঞ্জন বর্মন। মেশিনটি তাদের বাড়ির সামনের খলিয়ানের মাঝখানে রাখা ছিল। দুপুরে নিরঞ্জন বর্মন, তার স্ত্রী লিলি রাণী এবং আত্মীয় দীনেশ চন্দ্র বর্মন মিলে মেশিনটি খলিয়ানের মাঝখান থেকে একপাশে সরানোর চেষ্টা করছিলেন।
মেশিনটি সরানোর সময় অসাবধানতাবশত সেটি নিচু জায়গার দিকে গড়িয়ে পড়ে। এ সময় লিলি রাণী মেশিনের নিচে চাপা পড়েন এবং একটি মাটির দেওয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ভারী মেশিন ও মাটির দেওয়ালের দ্বিমুখী চাপায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা অখিল চন্দ্র জানান, প্রায় ২৬ বছর আগে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী লিলি রাণীর সঙ্গে নিরঞ্জন বর্মনের বিয়ে হয়েছিল। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুর্ঘটনার পর শোকাহত পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সিদ্ধান্ত এবং আলোচনার কারণে থানায় খবর দিতে কিছুটা দেরি হয়েছে। এই ঘটনায় আদমদীঘি থানায় একটি অপমৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হয়েছে।
মতামত