শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
হিন্দুস নিউজ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

ত্রিপুরা সীমান্তে বাংলাদেশী নিহতের খবরটি ভুয়া


| প্রিন্ট সংস্করণ

ত্রিপুরা সীমান্তে বাংলাদেশী নিহতের খবরটি ভুয়া
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।
​বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে চলমান সংবেদনশীল পরিস্থিতিকে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিশেষ মহল বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ফেসবুকের বিভিন্ন আইডিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। সীমান্ত অঞ্চলের বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে এই ভিডিওটি সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তবে স্বাধীন তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচের নিবিড় অনুসন্ধানে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটির সাথে বাংলাদেশ সীমান্ত কিংবা কোনো সাধারণ বাংলাদেশীর মৃত্যুর বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।


​প্রকৃতপক্ষে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দৃশ্যটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটের এবং এটি মূলত এক বছর আগের ভারতের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ঘটনা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামের ফ্রিসাল এলাকায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে এক ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধ বা এনকাউন্টার সংঘটিত হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') উক্ত অভিযানে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠন ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’-এর আস্তানায় অভিযান চালানো হলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ‘হারিস নাজির দার’ নামের এক দুর্ধর্ষ সক্রিয় সন্ত্রাসী নিহত হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওয়াইওএন (WION) ও ভারতের বিখ্যাত দৈনিক ভাস্করের প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ফ্রিসাল এলাকায় নিহত সেই লস্কর সদস্যের পড়ে থাকা লাশের দৃশ্যটিকেই এখন স্বার্থান্বেষী মহল ত্রিপুরা সীমান্তের ঘটনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে।

​দি ইকোনমিক টাইমস ও ইন্ডিয়া টুডের তৎকালীন প্রতিবেদন অনুসারে, পাহালগাম সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাশ্মীর উপত্যকার ১৪ জন মোস্ট-ওয়ান্টেড স্থানীয় সন্ত্রাসীর যে তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে এই হারিস নাজির দারের নাম বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। মানবতা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এবং সব জাতির মানবাধিকার নিশ্চিত করার স্বার্থে এ ধরনের বানোয়াট ও উসকানিমূলক প্রচারণাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একটি নিষিদ্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর নিহত সদস্যের ভিডিওকে সাধারণ নাগরিকের লাশ হিসেবে প্রচার করে দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক ও সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি করার এই হীন চেষ্টাকে ফ্যাক্টওয়াচ সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি বিনষ্টকারী এই ধরণের অপপ্রচারে কান না দিয়ে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ত্রিপুরা সীমান্তে বাংলাদেশী নিহতের খবরটি ভুয়া

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image
​বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে চলমান সংবেদনশীল পরিস্থিতিকে পুঁজি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিশেষ মহল বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ফেসবুকের বিভিন্ন আইডিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশী নাগরিক নিহত হয়েছেন। সীমান্ত অঞ্চলের বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে এই ভিডিওটি সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তবে স্বাধীন তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচের নিবিড় অনুসন্ধানে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটির সাথে বাংলাদেশ সীমান্ত কিংবা কোনো সাধারণ বাংলাদেশীর মৃত্যুর বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।


​প্রকৃতপক্ষে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দৃশ্যটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটের এবং এটি মূলত এক বছর আগের ভারতের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ঘটনা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামের ফ্রিসাল এলাকায় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে এক ভয়াবহ বন্দুকযুদ্ধ বা এনকাউন্টার সংঘটিত হয়। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ') উক্ত অভিযানে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠন ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’-এর আস্তানায় অভিযান চালানো হলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ‘হারিস নাজির দার’ নামের এক দুর্ধর্ষ সক্রিয় সন্ত্রাসী নিহত হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওয়াইওএন (WION) ও ভারতের বিখ্যাত দৈনিক ভাস্করের প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ফ্রিসাল এলাকায় নিহত সেই লস্কর সদস্যের পড়ে থাকা লাশের দৃশ্যটিকেই এখন স্বার্থান্বেষী মহল ত্রিপুরা সীমান্তের ঘটনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে।

​দি ইকোনমিক টাইমস ও ইন্ডিয়া টুডের তৎকালীন প্রতিবেদন অনুসারে, পাহালগাম সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাশ্মীর উপত্যকার ১৪ জন মোস্ট-ওয়ান্টেড স্থানীয় সন্ত্রাসীর যে তালিকা প্রকাশ করেছিল, তাতে এই হারিস নাজির দারের নাম বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। মানবতা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এবং সব জাতির মানবাধিকার নিশ্চিত করার স্বার্থে এ ধরনের বানোয়াট ও উসকানিমূলক প্রচারণাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। একটি নিষিদ্ধ উগ্রবাদী গোষ্ঠীর নিহত সদস্যের ভিডিওকে সাধারণ নাগরিকের লাশ হিসেবে প্রচার করে দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রদায়িক ও সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি করার এই হীন চেষ্টাকে ফ্যাক্টওয়াচ সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি বিনষ্টকারী এই ধরণের অপপ্রচারে কান না দিয়ে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
ত্রিপুরা সীমান্তে বাংলাদেশী নিহতের খবরটি ভুয়া
0:00 0:00
1.0x