আজ সচেতন সমাজের মনে বড় প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘ এক যুগ পরও কি সনাতনী শিক্ষক নারায়ণ দাশ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হবে? নাকি এই আলোচিত ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডটিও দেশের বিচারহীনতার সেই চেনা দীর্ঘ তালিকায় হারিয়ে যাবে? বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের সমান মানবাধিকার ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। একজন নিরীহ শিক্ষকের এই নির্মম পরিণতি এবং তার পরিবারের এক যুগের কান্না আজ দেশের বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতাকে এক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে। স্থানীয় সনাতন ও মানবাধিকার কর্মীরা অবিলম্বে এই ঘটনার পুনঃতদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
১৪ সালের সেই অভিশপ্ত রাত: শিক্ষক নারায়ণ দাশ হত্যার ১২ বছর পরও অধরা মূল খুনিরা
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ব্রজেন্দ্র মহাজনেরঘাটা হিন্দুপাড়া এলাকার চাঞ্চল্যকর ও নির্মম স্কুল শিক্ষক নারায়ণ দাশ হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মূল ঘাতকরা আইনের আওতায় আসেনি। বিগত ২০১৪ সালের ১৮ই অক্টোবর গভীর রাতে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বসতঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে এই সনাতনী শিক্ষককে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, দীর্ঘ এক যুগ অতিবাহিত হওয়ার পরও বিচারের বাণী আজ নীরবে-নিভৃতে কাঁদছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও সকল জাতির মানবাধিকার সুরক্ষায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা যেখানে প্রশ্নাতীত হওয়া উচিত, সেখানে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মাঝে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আজ পর্যন্ত বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতা ও চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে নিহতের পরিবারটি নিজেদের ভিটেমাটিতে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে না। ঘাতকদের ক্রমাগত হুমকি ও ভয়ে তারা আজ আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় ভবঘুরে ও যাযাবর জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত এই পরিবারটির দিন কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়।(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত