শুনানি চলাকালে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয় এবং অন্যান্য আসামিদের কড়া পুলিশি পাহারায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে, শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে বার বারবার সময় চেয়ে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুর হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ প্রাণ হারান। এর প্রেক্ষিতে ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠিত হয় এবং বর্তমানে ২৭ জন কারাগারে থাকলেও ১২ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের সনাতনী সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, প্রভু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং অন্যায়ভাবে তাঁর এই দীর্ঘ বন্দিদশা সনাতনী সমাজের প্রতি চরম বৈষম্যের শামিল; তাই তারা অনতিবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করছে।
চট্টগ্রাম ট্রাইব্যুনালে ৩য় সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ, চিন্ময় প্রভুর জামিন আবারও নামঞ্জুর
মতামত