ভগবানের অশেষ কৃপায় এবং সময়মতো উদ্ধার তৎপরতার কারণে হয়তো একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ অকালে ঝরে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে, তবে এ ধরণের বর্বরোচিত হামলা শিকার হওয়া একটি কিশোরীর মানসিক ট্রমা ও আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠা প্রায় অসম্ভব। একটি স্বাধীন দেশে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপদে বাঁচা ও চলাফেরার অধিকার নিশ্চিত হওয়া উচিত হলেও, দিনশেষে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও শঙ্কার মধ্যেই জীবন অতিবাহিত করতে হচ্ছে সনাতনী পরিবারগুলোকে। নিজ বিদ্যাপিঠের ভেতরেই যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন ও আত্মসম্মান সংকটে পড়ে, সেখানে আগামী দিনগুলোতে এই ভুক্তভোগী পরিবারটি কীভাবে ভয় ও আতঙ্কের দেয়াল টপকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটির নারকীয়তা সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়া এমন নিরাপত্তা সংকটের সময়ে সন্তান ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক চলাফেরার ওপর পিতা-মাতা সহ অভিভাবক মহলকে কঠোর সতর্ক ও সজাগ থাকার জোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের টয়লেটে হাত-পা ও মুখ বাঁধা সনাতনী ছাত্রী উদ্ধার
মতামত