পিতার চিৎকারে মা প্রীতিলতা চক্রবর্তী এগিয়ে এলে তাকেও একইভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘাতকরা। এর পর বড় মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তীকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গামছা ও রশি পেঁচিয়ে এবং ঘুমন্ত শিশুপুত্র প্রিয়মকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে রক্তলোলুপ এই দুই যুবক। পুলিশ জানায়, চারজনকে হত্যার পর ঘাতকরা নিহতের বাসায় গোসল করে, খাবার খায় এবং পরবর্তী ইয়াবা সেবন সম্পন্ন করে নির্বিকারচিত্তে অবস্থান করে। জুমার নামাজের সুযোগে স্বর্ণালংকার ও জিনিসপত্র লুট করে বের হয়ে যাওয়ার সময় তদন্ত ভিন্নখাতে মোড় নিতে জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখে এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট মুছতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট পানিতে ডুবিয়ে রেখে যায়। পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যমতে পরিত্যক্ত স্থান থেকে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে এবং সংখ্যালঘু পরিবারের এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের শিকার নিরপরাধ সনাতনী পরিবারটির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় গণপতিসহ চারজনকে হত্যা
মতামত