হিন্দুস নিউজ

গণপতি চক্রবর্তীর লাশ পড়ে থাকা ছাদে পানি, কারণ জানাল পুলিশ


| প্রিন্ট সংস্করণ

গণপতি চক্রবর্তীর লাশ পড়ে থাকা ছাদে পানি, কারণ জানাল পুলিশ
Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

রংপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন এক অভিযুক্তের স্বজনরা। তবে পুলিশের দাবি, ছাদ ধুয়ে ফেলার জন্য নয়, বরং ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হওয়ায় ট্যাংক উপচে পানি পড়ে ছাদ ভিজে যায়।

এর আগে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের স্বজনরা দাবি করেন, নিহতের বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস জানান, সন্ধ্যার পর বাড়ির লাইট অফ ছিল। সেসময় তিনি দেখেন বাড়ির ছাদ থেকে পানি পড়ছে। বিষয়টি দায়িত্বরত পুলিশকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, ভুলের সুইচ চাপায় মোটর চালু হয়ে ট্যাংক উপচে পানি পড়েছে।

Hindus News Voice of Hinduism
আপনার পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন Hindus News এ।

এ সময় পুলিশের ওই সদস্যরা তাকে এটি অন্য কাউকে না জানাতে অনুরোধ করেন। পরে তার কাছে জানতে চান তিনি কে হয়। এসময় পার্থ ওই পুলিশদের জানায়, ‘আমি খুনির ভাই।’ এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বলেন।

তবে মামলাটি দায়িত্বে থাকা মহানগর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত থাকা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কেউ একজন লাইটের সুইচের পরিবর্তে মোটরের সুইচ দেয়ায় পানি উপচে পড়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির পাশের দেবু বর্মনের বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে দেখা যায়, গণপতির বাড়ির ছাদটি পানিতে ভেজা। তবে ছাদের একটি কোণা শুকনো ছিল। এ সময় ছাদটি মুছে ফেলার কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।

মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী  বলেন, ‘ভুল করে আমাদের কেউ হয়ত মোটর চালিয়ে দিয়েছিল। ওইটা পরে পানি ওভারফ্লো করছে। লাইটের সুইচ দিতে গিয়ে মোটরের সুইচ দিয়ে ফেলছে, ওরা চেনে না তো। মোটর চলছে, পরে পানি পড়া দেখে উপরে গিয়ে বন্ধ করছে। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নাই।’

এর আগে গত শনিবার (২২ আগস্ট) নগরীরর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), তাদের মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৪) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে এ ঘটনায় প্রতিবেশী দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

হিন্দুস নিউজ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


গণপতি চক্রবর্তীর লাশ পড়ে থাকা ছাদে পানি, কারণ জানাল পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রংপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন এক অভিযুক্তের স্বজনরা। তবে পুলিশের দাবি, ছাদ ধুয়ে ফেলার জন্য নয়, বরং ভুল করে মোটরের সুইচ চালু হওয়ায় ট্যাংক উপচে পানি পড়ে ছাদ ভিজে যায়।

এর আগে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসের স্বজনরা দাবি করেন, নিহতের বাড়ির ছাদ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস জানান, সন্ধ্যার পর বাড়ির লাইট অফ ছিল। সেসময় তিনি দেখেন বাড়ির ছাদ থেকে পানি পড়ছে। বিষয়টি দায়িত্বরত পুলিশকে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, ভুলের সুইচ চাপায় মোটর চালু হয়ে ট্যাংক উপচে পানি পড়েছে।

এ সময় পুলিশের ওই সদস্যরা তাকে এটি অন্য কাউকে না জানাতে অনুরোধ করেন। পরে তার কাছে জানতে চান তিনি কে হয়। এসময় পার্থ ওই পুলিশদের জানায়, ‘আমি খুনির ভাই।’ এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বলেন।

তবে মামলাটি দায়িত্বে থাকা মহানগর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত থাকা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কেউ একজন লাইটের সুইচের পরিবর্তে মোটরের সুইচ দেয়ায় পানি উপচে পড়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির পাশের দেবু বর্মনের বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে দেখা যায়, গণপতির বাড়ির ছাদটি পানিতে ভেজা। তবে ছাদের একটি কোণা শুকনো ছিল। এ সময় ছাদটি মুছে ফেলার কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।

মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী  বলেন, ‘ভুল করে আমাদের কেউ হয়ত মোটর চালিয়ে দিয়েছিল। ওইটা পরে পানি ওভারফ্লো করছে। লাইটের সুইচ দিতে গিয়ে মোটরের সুইচ দিয়ে ফেলছে, ওরা চেনে না তো। মোটর চলছে, পরে পানি পড়া দেখে উপরে গিয়ে বন্ধ করছে। এখানে কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নাই।’

এর আগে গত শনিবার (২২ আগস্ট) নগরীরর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), তাদের মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৪) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে এ ঘটনায় প্রতিবেশী দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।


হিন্দুস নিউজ

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে
HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত

প্রকাশক & সম্পাদক: শুভ চন্দ্র দে,🔴HINDUS NEWS মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ঢাকা থেকে প্রকাশিত।🔴যোগাযোগ: +88 01890890920🔴 ই-মেইল: news@hindus.news 🔴 বিজ্ঞাপন: ads@hindus.news
গণপতি চক্রবর্তীর লাশ পড়ে থাকা ছাদে পানি, কারণ জানাল পুলিশ
0:00 0:00
1.0x