জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির সভাপতি পদের জন্য স্নাতক পাসের সনদের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বিএনপি নেতা তসলিম উদ্দিনের মনোনীত প্যানেলের তিনজন প্রার্থীর কারও শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রমাণপত্র দেওয়া হয়নি। অযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়মবহির্ভূতভাবে ফাইলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য প্রধান শিক্ষকের ওপর দীর্ঘ দিন ধরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। নীতি ও নিয়মের তোয়াক্কা না করে একজন সংখ্যালঘুর প্রশাসনিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা সার্বিক মানবাধিকার ও শিক্ষা পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
তবে অভিযুক্ত তসলিম উদ্দিন ও মহিউদ্দিন দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাদের দাবি অনুযায়ী, শিক্ষার মানোন্নয়নে আবদুল ওহাবকে সভাপতি করার সুপারিশ করা হয়েছিল এবং পরে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বাসা থেকে ফাইল এনে ইউএনও অফিসে পাঠানো হয়। এ প্রসঙ্গে মনোনীত সভাপতি আবদুল ওয়াহাব কোনো হেনস্তার ঘটনা স্বীকার করেননি। তবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া জানান, ঘটনাটি সত্যি হলে ভুক্তভোগী শিক্ষকের আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত। সাতকানিয়া থানার এসআই মামুন ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আশীষ বরণ দেব জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে। সনাতনী অধিকার রক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি উঠেছে।
মতামত