শাটার উপরে তুলতেই দোকানের ভেতরে মেঝেতে সুমন দে-কে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় নিথর পড়ে থাকতে দেখে উপস্থিত সকলে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুজ্জামান দেওয়ান ও পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দুপুরে টঙ্গিবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য তা মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
(News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় ও মানবাধিকার রক্ষা কর্মীদের মনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। একজন কর্মজীবী সনাতনী নাগরিকের এভাবে রহস্যজনক ও বিবস্ত্র অবস্থায় কর্মস্থলে লাশ উদ্ধার হওয়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। যেকোনো নাগরিকের জীবন ও মর্যাদার সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। স্থানীয় সনাতনী ও সাধারণ জনগণ এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত দাবি করছেন, যেন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটিত হয় এবং কোনো অপশক্তি এর পেছনে জড়িত থাকলে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।
টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে প্রত্যক্ষ কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যা নাকি অন্য কোনো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, তা গভীর তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দোকানের মালিক ও আশেপাশের লোকজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
মতামত