প্যারিসের এই সুদৃশ্য মন্দিরটি মূলত ‘মেড ইন ইন্ডিয়া, বিল্ট ইন ফ্রান্স’-এর এক অনন্য নিদর্শন। রাজস্থান ও ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা বিশেষ পাথরে দক্ষ কারিগরদের সূক্ষ্ম খোদাই কাজের পর তা ফ্রান্সে নিয়ে মূল কাঠামোটি গড়ে তোলা হয়। ইউরোপে সনাতনী মূল্যবোধ, বৈশ্বিক শান্তি ও সনাতনী ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে এই মহতী উদ্যোগ নতুন দিশা দেখাবে। পরম পূজনীয় মহন্ত স্বামী মহারাজ মন্দিরের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি সনাতনী ও মানবাধিকারপ্রেমী মানুষের জন্য এই ঘটনা আত্মমর্যাদা ও গর্বের এক নতুন অধ্যায় সূচনা করলো।
ইউরোপের বুকে সনাতনী ঐতিহ্যের জয়গান: প্যারিসে বিশাল স্বামী নারায়ণ মন্দির উদ্বোধন করলেন মোদি
ইউরোপের বুকে আছড়ে পড়লো সনাতনী সংস্কৃতি ও হাজার বছরের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক বার্তা। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের অদূরে বুসি-সাঁ-জর্জ এলাকায় নির্মিত স্বামী নারায়ণ মন্দিরের শুভ উদ্বোধন করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রোববার আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি ঐতিহাসিক এই মন্দিরের দ্বার উন্মোচন করেন। এই অনুষ্ঠানটি কেবল একটি ধর্মীয় কাঠামোর সূচনা নয়, বরং বিশ্বমঞ্চে সনাতন ধর্ম, সর্বজনীন সংস্কৃতি ও মানবাধিকারের বৈশ্বিক বার্তার এক মহান নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই মন্দির ভারত ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের গভীরতা বাড়াবে এবং সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
প্যারিসের বুক ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্থাপত্যটি ভারত-ফ্রান্সের সুদৃঢ় সম্পর্কের প্রতীক। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং মৌলিক অধিকার রক্ষায় সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি। মোদি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের সম্পর্ক আজ আর কেবল কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই; প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও বিশ্বকে নতুন পথ দেখাচ্ছে। তিনি ফরাসি পণ্ডিতদের সংস্কৃত চর্চা, রম্যাঁ রোলাঁর রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ বিষয়ক লেখা এবং শ্রী অরবিন্দ আশ্রমের ‘দ্য মাদার’-এর আধ্যাত্মিক অবদানের কথা স্মরণ করে ঐতিহাসিক সেতুবন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। (News copied from- 'হিন্দুস নিউজ')
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%
মতামত